Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    তারল্যের ফাঁদে অর্থনীতি

    জুলাই ২৩, ২০২৫ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের ব্যাংক খাতে এখন সংকট টাকার নয়, সংকট আস্থার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন শেষে ব্যাংকিং খাতে নিট উদ্বৃত্ত তারল্যের পরিমাণ প্রায় ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা, যা বাস্তব চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। তবুও এই বিপুল অর্থ অর্থনীতিতে সক্রিয়ভাবে প্রবাহিত হচ্ছে না। অর্থ আছে, কিন্তু তার কার্যকর ব্যবহার নেই।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সমস্যা মূলত টাকার ঘাটতি নয়; সমস্যা হলো আস্থা। ব্যবসায়ীরা নতুন বিনিয়োগে ঝুঁকি নিতে চাইছেন না, ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর বিশ্বাসের ঘাটতি বাড়ছে এবং সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশ অনিশ্চিত। এর পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ। ব্যাংকিং খাতের সাম্প্রতিক অনিয়ম ও অস্বচ্ছতা আস্থার সংকট তৈরি করেছে। বিশেষ করে এস আলম গ্রুপ নিয়ন্ত্রিত কয়েকটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের নগদ সংকট পুরো খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অর্থনীতিবিদদের ভাষায় এটি এক ধরনের ‘পদ্ধতিগত অনাস্থা’।

    ঋণের চাহিদা স্থবির হয়ে আছে। বাজারে সুদের হার অনেক বেশি। নীতি সুদের হার বাড়ার ফলে ঋণের খরচ বেড়েছে, ফলে উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ হারিয়েছেন। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক মন্দার চাপ, যা ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। ব্যাংক এশিয়ার সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরফান আলী বলেন, “সরকার পরিবর্তনের পর কিছু সংস্কার হলেও বিনিয়োগের পরিবেশ এখনো স্থিতিশীল নয়। উচ্চ সুদের হার, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং পূর্ববর্তী বিনিয়োগের হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে অনেকেই ঋণ নিতে সাহস পাচ্ছেন না। ফলে ব্যাংকে টাকা জমছে, কিন্তু তা অর্থনীতিতে ব্যবহৃত হচ্ছে না।”

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন, শুধু উদ্বৃত্ত তারল্য দিয়ে অর্থনীতির গতি বাড়ানো সম্ভব নয়। আস্থা তৈরি না হলে এবং উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না হলে এই অর্থ কেবল পরিসংখ্যানের খাতায় জমে থাকবে। যদিও সামগ্রিকভাবে ব্যাংক খাতে অর্থের কোনো ঘাটতি নেই, সব ব্যাংকের চিত্র এক নয়। সরকারি ব্যাংকগুলোর হাতে রয়েছে প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকা উদ্বৃত্ত। বেসরকারি ব্যাংকের হাতে আছে প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু শরিয়াহভিত্তিক কিছু ব্যাংক এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো এখনো তারল্য সংকটে ভুগছে। ইসলামী ব্যাংকের মতো বড় প্রতিষ্ঠানও পর্যাপ্ত নগদ ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।

    অন্যদিকে, সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। জুন মাসে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্রের স্থিতিও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকায়। এদিকে অর্থনীতির কিছু খাতে ইতিবাচক চিত্রও রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শুরুতে রেমিট্যান্স আয় প্রায় ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারে, যা একটি বড় স্বস্তির খবর। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়ে হয়েছে ৩১.৭৭ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, “হুন্ডির প্রবণতা কমে যাওয়ায় ডলার ব্যাংকিং চ্যানেলে আসছে। এর ফলে ডলারের ওপর চাপ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা এসেছে। এটি সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সংকেত।”

    তবে ইতিবাচক এই ইঙ্গিত আস্থাহীনতার জট কাটাতে যথেষ্ট নয়। বর্তমান পরিস্থিতি এক ধরনের ‘তারল্য ফাঁদ’-এর ইঙ্গিত দিচ্ছে। অর্থাৎ অর্থ আছে, কিন্তু তা অর্থনীতিতে কার্যকরভাবে ব্যবহার হচ্ছে না। এর ফলে বিনিয়োগ কমছে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির হার হ্রাস পাচ্ছে এবং অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি মন্থর হচ্ছে। রেমিট্যান্স ও রিজার্ভ বৃদ্ধি কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বটে, কিন্তু আস্থার সংকট কাটাতে না পারলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিতে নতুন সমস্যা তৈরি হতে পারে।

    অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, আস্থার সংকট কাটানো এখন সবচেয়ে জরুরি। এর জন্য দরকার ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, উচ্চ সুদের হার কমিয়ে বিনিয়োগবান্ধব নীতি গ্রহণ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর পুনর্গঠন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর ভূমিকা। পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং নীতিগত সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনীতিতে আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারলে ব্যাংকে জমে থাকা বিপুল অর্থ উৎপাদনশীল খাতে প্রবাহিত হবে এবং অর্থনীতির গতি বাড়বে। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল/২৩ জুলাই, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 7 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.