Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ, ১৪৩২ | ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    তীব্র শীতে গ্যাস ও এলপিজি সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন

    জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ11
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের জ্বালানি খাতে এক ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাস সংকট এখন সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। তিতাস গ্যাসের পাইপলাইনে পর্যাপ্ত চাপ না থাকা এবং একই সঙ্গে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের সরবরাহে অনিয়ম ও সংকট—এই দুইয়ের মিলিত প্রভাবে ঘরোয়া রান্নাবান্না কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

    এই সংকট কেবল আবাসিক এলাকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের ঘাটতি ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। অনেক স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গ্যাস না থাকায় যানবাহন চালকদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি প্রতিদিনই অবনতির দিকে যাচ্ছে, অথচ চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ কখন স্বাভাবিক হবে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো সংস্থাই নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছে না। তবে জ্বালানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা ধারণা দিচ্ছেন, এই অচলাবস্থা কাটতে অন্তত আরও দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

    এলপিজি সংকট সামাল দিতে জ্বালানি বিভাগ সাময়িকভাবে আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ কমানো এবং ভোক্তা পর্যায়ে সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) এ প্রস্তাব পাঠানো হলেও এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। এরই মধ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যানের সঙ্গে এলপিজি অপারেটরদের সংগঠন লোটাবের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে লোটাব সভাপতি আমিরুল হক জানান, নতুন করে এলসি খোলা হচ্ছে এবং আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তবে বাজার স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে। কমিশন বৃদ্ধির আশ্বাস পাওয়ার পর এলপিজি ব্যবসায়ীদের ঘোষিত ধর্মঘটও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে কমিশন বাড়ানোর দাবি দীর্ঘদিনের। সংগঠনটির নেতারা বলছেন, ২০২১ সালের পর থেকে তাদের কমিশন বাড়ানো হয়নি, অথচ এই সময়ে মুদ্রাস্ফীতি ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। বিইআরসি চেয়ারম্যানও স্বীকার করেছেন যে, বর্তমান বাস্তবতায় তাদের দাবিকে পুরোপুরি অযৌক্তিক বলা যায় না।

    সরকারি সূত্রে জানা যায়, দ্রুত এলপিজি আমদানি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা—বিশেষ করে ইরানে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা। ওই দেশের পরিস্থিতির কারণে এলপিজির দাম বাড়ছে এবং বৈশ্বিক সরবরাহে টান পড়ছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। ফলে অনেক ব্যবসায়ী সময়মতো এলপিজি আনতে পারছেন না।

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালে প্রায় ১৬ লাখ টন এবং ২০২৫ সালে ১৪ লাখ ৬৫ হাজার টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় কম। কেন আমদানির পরিমাণ কমেছে—এ নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। তবে জানুয়ারিতে আনুমানিক ১ লাখ ২০ হাজার টন এলপিজি আমদানি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    অন্যদিকে, তিতাস গ্যাসের সরবরাহ নিয়েও সরকার গভীর উদ্বেগে রয়েছে। রাজধানীর মগবাজার, নয়াটোলা, আমবাগান, পাগলা মাজারসহ বহু এলাকায় ১৫ থেকে ২০ দিন ধরে গ্যাস প্রায় নেই বললেই চলে। গভীর রাতে সামান্য গ্যাস এলেও ভোরের আগেই তা পুরোপুরি কমে যায়। ফলে দিনের বেলায় রান্নাবান্না প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন গৃহিণীরা।

    মগবাজার এলাকার বাসিন্দা মারিয়া আক্তার বলেন, গত দেড় মাস ধরে রান্না করাটাই যেন প্রতিদিনের যুদ্ধ। ভোরে রান্না শুরু করলেও চাপ এত কম থাকে যে, শেষ করতে দুপুর গড়িয়ে যায়। অথচ গ্যাস ব্যবহার না করলেও প্রতি মাসে পূর্ণ বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে—যা তাদের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে তুলছে। একই ধরনের অভিযোগ হাতিরঝিল, নয়াটোলা, আমবাগান, ঝিলকাননসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের।

    গ্যাসের বিকল্প হিসেবে যারা এলপিজি ব্যবহার করছেন, তারাও স্বস্তিতে নেই। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। এতে রান্নার খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। অনেক বাসিন্দা অভিযোগ করছেন, তিতাস গ্যাসের হটলাইন কিংবা রেগুলেটর বিভাগে যোগাযোগ করেও কার্যকর সমাধান মিলছে না। আগে অভিযোগ জানালে অন্তত সাময়িকভাবে চাপ বাড়ানো হতো, কিন্তু বর্তমানে কর্তৃপক্ষ কার্যত নীরব বলে তাদের অভিযোগ।

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সামগ্রিকভাবে গ্যাস সরবরাহ খুব একটা কমেনি। তবে শীতকালে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় এই সমস্যা দেখা দিয়েছে এবং শীত শেষে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল শীতকে দায়ী করে এত বড় সংকট ব্যাখ্যা করা যায় না। দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস অনুসন্ধানে বিনিয়োগের ঘাটতি, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়া এবং শিল্পখাতে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে আবাসিক খাতকে উপেক্ষা করার ফলেই এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।

    চট্টগ্রামেও পরিস্থিতি ভিন্ন নয়। সেখানে এলপিজির সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। ১২ কেজির সিলিন্ডার খুচরা বাজারে প্রায় অদৃশ্য। সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৩০৬ টাকার সিলিন্ডার ২ হাজার টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না। সরকার এটিকে কৃত্রিম সংকট বললেও ব্যবসায়ীদের দাবি, আমদানি কমে যাওয়াই মূল কারণ। কয়েকটি বড় কোম্পানি সাময়িকভাবে আমদানি বন্ধ রাখায় সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।●

    অকা/প্র/ই/সকাল/১০ জানুয়ারী, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 5 days আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    গত বছরের মন্দা কাটিয়ে ৪.৫০% প্রবৃদ্ধি; অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ছন্দে ফিরছে অর্থনীতি

    জ্বালানি তেলের মূল্যে রেকর্ড: চীন ও ইরানের ওপর মার্কিন চাপের নেতিবাচক প্রভাব বিশ্ববাজারে।

    জ্বালানি ও সার আমদানির চাপে বাণিজ্য ঘাটতি; নজরে এবার রফতানি প্রবৃদ্ধি

    বিশ্ব মন্দার মাঝেও বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগে জোয়ার

    দাম পতনে বিপাকে আলুচাষীরা

    এসএমই শেয়ারে বিনিয়োগ সহজ করল বিএসইসি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গত বছরের মন্দা কাটিয়ে ৪.৫০% প্রবৃদ্ধি; অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ছন্দে ফিরছে অর্থনীতি

    জ্বালানি তেলের মূল্যে রেকর্ড: চীন ও ইরানের ওপর মার্কিন চাপের নেতিবাচক প্রভাব বিশ্ববাজারে।

    জ্বালানি ও সার আমদানির চাপে বাণিজ্য ঘাটতি; নজরে এবার রফতানি প্রবৃদ্ধি

    ১০ হাজার কোটি টাকার সুকুক বন্ড ছাড়ছে সরকার: বিনিয়োগে নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক

    পুঁজি বাজারে ‘শেয়ার নেটিং’ চালুর প্রস্তাব; বিনিয়োগকারী সুরক্ষায় বিএসইসির কঠোর সতর্কতা ও শর্তারোপ

    রেমিট্যান্সের জোরে ২০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যাংক আমানত প্রবৃদ্ধি

    বিশ্ব মন্দার মাঝেও বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগে জোয়ার

    এলপি গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে ভ্যাট হ্রাসের উদ্যোগ

    আইপিও খরায় স্থবির শেয়ার বাজার: নিষ্ক্রিয় মার্চেন্ট ব্যাংক ও আস্থাহীনতার গভীর সংকট

    বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহারে ২০২৫ সালে পুঁজি বাজারে গভীর স্থবিরতা

    তীব্র শীতে গ্যাস ও এলপিজি সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন

    দাম পতনে বিপাকে আলুচাষীরা

    শেয়ার বাজারে আস্থা ফেরাতে বড় সিদ্ধান্ত সরকারের

    অনিশ্চয়তার মাঝেই শক্ত অবস্থানে ফিরছে ডলার

    এসএমই শেয়ারে বিনিয়োগ সহজ করল বিএসইসি

    বিশ্ববাজারের চাপে রফতানি আয় নিম্নমুখী

    জাতীয় সঞ্চয়পত্রে মুনাফার পুরনো হার বহাল

    বড় কোম্পানির দরপতনে চাপের মুখে শেয়ার বাজার

    রেমিট্যান্সের জোয়ারে ডলার কেনা – শক্ত হচ্ছে রিজার্ভ

    আস্থা সংকটে শেয়ার বাজার – বিনিয়োগশূন্য হচ্ছে হাজারো বিও হিসাব

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.