Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    নয় মাসের ব্যবধানে দেশে আমদানিনির্ভর ঋণ ২৯২ কোটি ডলার

    ডিসেম্বর ১২, ২০২৩ ৪:৪১ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ডলার সংকট মোকাবিলা ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সাশ্রয় করতে দেড় বছর ধরে দেশে আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। কঠোর নিয়ন্ত্রণের প্রভাবে আমদানি কমেছে। এতে আমদানিনির্ভর ঋণ বায়ার্স ক্রেডিট বা ক্রেতার ঋণ কমছে। নয় মাসের ব্যবধানে দেশে বায়ার্স ক্রেডিট (আমদানির বিপরীতে আমদানিকারককে বিদেশি ব্যাংক বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যে ঋণ দিচ্ছে) কমেছে ২৯২ কোটি ডলার। আমদানি কমায় আমদানিনির্ভর শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে এ ঋণ কমায় বৈদেশিক ঋণে সুদের বোঝা কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

    প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২০ সাল পর্যন্ত দেশে বায়ার্স ক্রেডিট স্থিতিশীল থেকে ওঠানামা করেছে। কিন্তু ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে তা বাড়তে থাকে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বেড়েছে। এটি ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে কমতে থাকে। এখনো সেটি নিুমুখী।

    গত বছরের ডিসেম্বরে দেশে বায়ার্স ক্রেডিটের স্থিতি ছিল ৯৫৭ কোটি ডলার। গত অক্টোবর পর্যন্ত তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬৬৫ কোটি ডলার। আলোচ্য নয় মাসে বায়ার্স ক্রেডিট কমেছে ২৯২ কোটি ডলার।
    উদ্যোক্তারা বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির বিপরীতে এই ঋণ নিয়ে থাকেন। কোনো ব্যাংক বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে এই ঋণ নেওয়া হয়। অনেক সময় বাকিতে পণ্য আমদানি করেও ঋণ নেওয়া হয় সরাসরি রপ্তানিকারকের কাছ থেকে। এই ঋণে দেশে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আমদানি হলে ডলারের ওপর চাপ কিছুটা কমে। কিন্তু বায়ার্স ক্রেডিটে আমদানি করা বেশির ভাগ পণ্যই বাণিজ্যিক। এসব পণ্য আমদানিতে এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক কড়াকড়ি আরোপ করেছে। যে কারণে সার্বিকভাবে আমদানি কমেছে। এর প্রভাবে কমেছে বায়ার্স ক্রেডিট।

    বায়ার্স ক্রেডিটের শতভাগ ঋণের সুদই বাজারভিত্তিক। যে কারণে এ ঋণের সুদের হার ওঠানামা করে। তবে বর্তমানে সব খাতে সুদহার বাড়ায় এ খাতেও ঋণের সুদহার বেড়েছে। করোনার আগে এসব ঋণের সুদহার ছিল ৪ থেকে ৫ শতাংশ। এখন তা প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ফলে এখন ঋণ কমায় বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে সুদের চাপ কিছুটা কমেছে। তবে আমদানি কমায় আমদানিনির্ভর শিল্পগুলোয় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অনেক আমদানিনির্ভর শিল্প কাঁচামাল সংকটে উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। কিছু শিল্প বন্ধের পথে রয়েছে।

    পৌনে দুই বছর ধরে ডলার সংকট মোকাবিলা করতে এবং রিজার্ভ সাশ্রয় করতে আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এতে গত অর্থবছরে আমদানি কমেছিল ২০ শতাংশ। এলসি খোলা কমেছিল ৩০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরেও আমদানি কমেছে ২১ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে বেড়েছিল ৭ শতাংশ।

    এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমদানিতে বৈদেশিক ঋণের প্রয়োজন। তবে তা দেখেশুনে নিতে হবে। বিলাসী পণ্যে এবং চড়া সুদের ঋণ পরিহার করাটাই ভালো। কিন্তু গত কয়েক বছরে এসব খাতে বেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে। বৈদেশিক ঋণের বাজারকে উন্মুক্ত করা হয়েছে। এতে বাছবিচার না করেই যে যেভাবে পারছে বৈদেশিক ঋণ নিয়েছে। তখন বলা হচ্ছিল বেসরকারি খাতের ঋণের দায় সরকারকে নিতে হবে না। ওই সময়ে বেপরোয়া গতিতে বৈদেশিক ঋণ নেওয়ায় এখন ডলার সংকট ও রিজার্ভে চাপ বেড়েছে। একই ঋণের দায় পড়ছে দেশের রিজার্ভের ওপর। যার কুফল ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। 

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০২১ সাল পর্যন্ত দেশে ডলারের প্রবাহ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ঊর্ধ্বমুখী ছিল। যে কারণে ওই সময়ে বায়ার্স ক্রেডিট একটি সীমার মধ্যে থেকে স্থিতিশীল হারে ওঠানামা করেছে। করোনার সংক্রমণ কমলে ২০২১ সালে আমদানি বাড়তে থাকে। ফলে ওই বছর থেকে আমদানিও বাড়তে থাকে। ওই বছরে বায়ার্স ক্রেডিট বেড়ে যায় দ্বিগুণ। ২০২০ সালে বায়ার্স ক্রেডিটের স্থিতি ছিল ৪৩৫ কোটি ডলার। ২০২১ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮২১ কোটি ডলারে। ওই সময়ে বেশির ভাগই বিলাসী পণ্য আমদানি হয়েছিল এই ঋণের আওতায়। একই সঙ্গে ওই সময়ে সুদহারও কম ছিল।

    কিন্তু ২০২২ সালের ফেব্র“য়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করলে আন্তর্জাতিক বাজারে সব পণ্যের দাম বাড়তে থাকে। একই সঙ্গে ঋণের সুদহারও বাড়তে থাকে। পাশাপাশি ডলার সংকটে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ পিছিয়ে দিয়ে এর মেয়াদ বাড়ানো হয়। এতে একদিকে ঋণের সুদহার বাড়তে থাকে। অন্যদিকে সময় বাড়ানোর ফলে বাড়তি ঋণ পরিশোধ করতে হয়। এতে ডলারের ওপর আরও চাপ বাড়ে।

    আমদানি নিয়ন্ত্রণের ফলে বায়ার্স ক্রেডিটের অঙ্ক কমতে থাকে। একই সঙ্গে বাড়তে থাকে পরিশোধ। এ কারণে এ ঋণের স্থিতি কমেছে। ২০২২ সালে জুন পর্যন্ত এ ঋণের স্থিতি কমে দাঁড়িয়েছিল ৭৭০ কোটি ডলারে। চলতি বছরের মধ্যে আরও ১৬৫ কোটি ডলার পরিশোধের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। ফলে চলতি ডিসেম্বর শেষে এ ঋণের স্থিতি ৫০০ কোটি ডলারে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
    সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে ২০১৪ সালে বায়ার্স ক্রেডিটের স্থিতি ছিল ১০১ কোটি ডলার। গত ১০ বছরে এ ঋণ বেড়েছে ৫৬৪ কোটি ডলার।

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল/১২ ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    নয় মাসের ব্যবধানে দেশে আমদানিনির্ভর ঋণ ২৯২ কোটি ডলার

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.