Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ১৬ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    পুঁজিবাজারে সীমিত হচ্ছে ব্যাংকের বিনিয়োগ

    জানুয়ারি ১৯, ২০২৩ ৫:২৯ পূর্বাহ্ণUpdated:জানুয়ারি ১৯, ২০২৩ ৫:২৯ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    তারল্য সংকটের কারণে এক্সপোজার লিমিট অনুযায়ী পুঁজিবাজারে সুযোগ থাকলেও বিনিয়োগ বাড়াতে পারছে না ব্যাংকগুলো। এদিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী হিসাবে ব্যাংকের বিনিয়োগ না আসায় তারল্য সংকটের মধ্যে পড়েছে পুঁজিবাজার। ফলে মূলসূচক ও লেনদেনে মন্দা দেখা দিয়েছে।

    ব্যাংকগুলো তাদের মূলধনের ২৫% পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে, একে বলে এক্সপোজার লিমিট। কিন্তু পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের যে এক্সপোজার লিমিট দেওয়া আছে, সে অনুযায়ী বিনিয়োগ করতে পারেনি পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ৩১টি ব্যাংক, যাদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়ানোর আরও সুযোগ রয়েছে।

    ব্যাংকাররা বলছেন, বাড়তি দামে ডলার কিনতে হওয়ায় অনেক ব্যাংক তারল্য সংকটে রয়েছে। আবার দেশের অর্থনৈতিক সংকটে ভোলাটাইল পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজার। ফলে ব্যাংক এখন পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের স্বাচ্ছন্দ বোধ করছে না। তারা জানান, বাড়তি দামে ডলার বিক্রি করে ব্যাংকগুলো ভালো মুনাফা করলেও পুঁজিবাজারে মন্দার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে স্টক মার্কেট থেকে ব্যাংকের রিটার্ন হ্রাস পেয়েছে। ফলে ব্যাংক এখন পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে সতর্কতা অবলম্বন করছে।

    সাম্প্রতিক সময়ে ফান্ড ক্রাইসিস দেখা দেওয়ায় পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ খতিয়ে দেখছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এতে কমিশন দেখছে, এক্সপোজার লিমিটের মধ্যে ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজারে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের সক্ষমতা রয়েছে। তবে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসাবে ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ করেছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। ফলে এক্সপোজার লিমিটের মধ্যে থেকেই ব্যাংকগুলো আরও ৫০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারবে। এছাড়াও পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়াতে প্রতিটি ব্যাংকের ২০০ কোটি টাকা করে বিশেষ তহবিল গঠনের সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া এই সুযোগও গ্রহণ করছে ব্যাংক। কমিশন বলছে, কোনো ব্যাংক ফান্ড গঠন করলেও বিনিয়োগ করেনি, আবার কোনো ব্যাংক এখনো ফান্ড গঠন-ই করেনি। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত ৩৪টি ব্যাংকের মধ্যে ৩১টির পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের তথ্য পেয়েছে। আর তিনটি কোনো তথ্য এখনো পায়নি।

    সূত্র জানায়, এক্সপোজার লিমিট অনুযায়ী, মূলধনের ২৫% পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ থাকলেও একত্রিত এবং একক ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ রয়েছে গড়ে প্রায় ২০ শতাংশের কম। কোনো কোনো ব্যাংকের বিনিয়োগ রয়েছে ১৫ শতাংশ।

    এবি ব্যাংক পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা, যা মোট মূলধনের ১৯.৭২%। ব্যাংক এশিয়ার বিনিয়োগ প্রায় পাঁচশ কোটি টাকা, যা শতকরা হিসাবে ১৯.০৯%।

    সিটি ব্যাংক বিনিয়োগ করেছে সাড়ে চারশ কোটি টাকা, যা মোট মূলধনের তুলনায় ১৫.৮২%, ব্র্যাক ব্যাংকের বিনিয়োগ রয়েছে ১৫.১৪% এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংকের বিনিয়োগ রয়েছে প্রায় ১৫%।

    তারল্য সংকট থাকায় ব্যাংক পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে পারছে না জানিয়ে বিএসইসি চেয়্যারম্যান প্রফেসর শিবলি রুবায়েত-উল ইসলাম বলেন, "ব্যাংক, বীমা ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারের বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী। বেশি দামে ডলার কিনতে হওয়ায় ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট রয়েছে। তারল্য যোগান বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক সহায়তা করছে।" তিনি বলেন, "পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে ব্যাংকের যে সীমা দেওয়া হয়েছে, সে অনুযায়ী তারা বিনিয়োগ করছে না। ব্যাংকের বিনিয়োগ পুঁজিবাজারে না আসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, মুল্যসূচকে চাপ পড়ছে।" কাজেই ব্যাংকগুলোকে সাধ্যমতো পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

    এদিকে ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, "পুঁজিবাজারে ২৫% বিনিয়োগ সীমা ব্যাংকগুলোর জন্য বড় সুযোগ। অনেকে এক্সপোজার লিমিটে সে সীমা দেওয়া আছে, সেটার পুরোপুরি বিনিয়োগ করতে পারে। আবার কেউ চাইলে সীমার চেয়েও কম করতে পারে। তবে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ব্যাংকের বিনিয়োগ কৌশলের উপর নির্ভর করে।"

    তিনি বলেন, "এখন মুদ্রা বাজারে তারল্য সংকটে রয়েছে, যার কারণেও পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ কম হতে পারে। আবার হয়তো কোনো ব্যাংক আরও কম মূল্যে শেয়ার কেনার জন্য অপেক্ষাও করতে পারে।"

    নাম না প্রকাশের শর্তে একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, "তারল্য সংকটের কারণে ব্যাংকগুলোই এখন সংকটে। এর মধ্যে স্টক মার্কেটের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় বিনিয়োগ করা মোটেও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে না।"

    তিনি বলেন, "পুঁজিবাজারে কেন পতন হচ্ছে কারণগুলো সব ব্যাংকই জানে। তাই এক সংকটের মধ্যেই ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে চাইবে না। যদি বাজার ভালো হয়, তারল্য প্রবাহ বাড়ে, সেই ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো আবার পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াবে।"

    বিএসইসি-র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এবং মুখপাত্র রেজাউল করিম বলেন, "পুঁজিবাজারে তারল্য সংকটের কারণে কমিশন প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ব্যাংক মূলধনের ২৫% পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে কিন্তু ৩০টির বেশি ব্যাংক এক্সপোজার লিমিটের নিচে রয়েছে, যাতে ব্যাংকগুলো নতুন করে প্রায় ৫০০০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারবে।"

    তিনি বলেন, "পুঁজিবাজারে তারল্য যোগান বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকগুলোকে ২০০ কোটি টাকা করে বিশেষ ফান্ড গঠনের সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু তারপরও কিছু ব্যাংক এই ফান্ড গঠন করেনি আবার কিছু ব্যাংক ফান্ড গঠন করে বিনিয়োগ করছে।"

    সুযোগ থাকার পরও কেন ব্যাংকেগুলো পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করছে না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, "লাস্ট কোয়ার্টারে পুঁজিবাজার ডাউন ট্রেন্ড ছিল, অনেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে সতর্কতা অবলম্বন করছে। তারল্য সংকটে রয়েছে ব্যাংক। ফলে ব্যাংকগুলোর সক্ষমতা থাকলেও বিনিয়োগ করেনি। ব্যাংকের তারল্য যোগান বাড়াতে ব্যাংকগুলোকে বন্ড ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।" নতুন মুদ্রানীতিতে ব্যাংকগুলোর তারল্য যোগান বাড়বে, ফলে পুঁজিবাজারেও ব্যাংকের বিনিয়োগ আসবে বলেও মনে করেন তিনি। ●

    অকা/পূঁবা/সকাল, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    পুঁজিবাজারে সীমিত হচ্ছে ব্যাংকের বিনিয়োগ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    আস্থা সংকটে পুঁজি বাজার – সংস্কার ছাড়া স্থিতিশীলতা অনিশ্চিত

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    স্থবির শেয়ার বাজারে তলানিতে সরকারি রাজস্ব

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের পথে অগ্রগতি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ঈদের আগেই ছয় প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন শুরু
    এনবিএফআই খাতে অবসায়নের পথে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    মার্কিন রায়ে শুল্ক-ঝুঁকি কমার ইঙ্গিত, তবে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে

    অতিমূল্যায়িত অবকাঠামো ও ঋণঝুঁকির সতর্কবার্তা

    ইউরোপে মূল্যচাপে বাংলাদেশের পোশাক খাত

    এডিপিতে নজিরবিহীন ধীরগতি

    এক দিনের মধ্যেই জেনিথ ইসলামী লাইফের মৃত্যুদাবীর চেক পরিশোধ

    এলপি গ্যাসে ভ্যাট কমলো – দামে স্বস্তির ইঙ্গিত

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.