অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে না। সরকারের সবগুলো অর্গান যখন একসঙ্গে কাজ করে তখনই এটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় বলে উল্লেখ করে আইএমএফের প্রতিনিধিদল।
চার দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার ঋণের চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির জন্য সরকারের সংস্কার অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধিদল এখন ঢাকায়। ইতোমধ্যে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করেছে।
৮ এপ্রিল বৈঠক শেষে ঋণের পরবর্তী কিস্তি ছাড়ের ব্যাপারে আশাবাদী বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আরিফ হোসেন খান।
সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে মনে হচ্ছে তারা সন্তুষ্ট। যদি কোনো প্রশ্নের জবাবে তারা সন্তুষ্ট না হন তখন তারা পাল্টা প্রশ্ন করেন। বৈঠকে তারা এমন প্রশ্ন করেননি।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ গণনার েেত্র ডাবল কাউন্টিং হচ্ছে না। আইএমএফের নির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমানে রিজার্ভ গণনা করায় তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে।
আরিফ হোসেন খান আরও বলেন, তারল্য সংকটে থাকা ১১টি ব্যাংকের মধ্যে ৬টি ব্যাংকের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এখন আর তাদের তারল্য সহায়তা লাগবে না। তবে পাঁচটি ব্যাংক এখনো দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।
মুখপাত্র বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আইএমএফ এর সঙ্গে চলা বৈঠকে মূল্যস্ফীতি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। এ সময় তারা জুন মাস নাগাদ মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫ শতাংশের নিচে নেমে আসবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। ●
অকা/ব্যাংখা/ফর/বিকাল/৮ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ
সর্বশেষ হালনাগাদ 11 months আগে

