Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শনিবার, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ২ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বিদেশি ঋণে খেলাপিদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর পদক্ষেপ

    জুন ১৮, ২০২৫ ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ8
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশি ঋণ পরিশোধে খেলাপি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে, যেসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিদেশি ঋণে খেলাপি হবে, তাদের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই সিদ্ধান্ত বৈদেশিক ঋণের খেলাপি কমাতে এবং বাহ্যিক ঋণের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পূর্বে, সিআইবি শুধুমাত্র দেশীয় ঋণের খেলাপিদের তথ্য সংরক্ষণ করত, ফলে বিদেশি ঋণে খেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানীয় ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সহজেই নতুন ঋণ নিতে পারত। এই নতুন নীতি এই ফাঁকফোকর বন্ধ করবে, যার ফলে খেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা সম্ভব হবে।
    গত ২১ মে ২০২৫-এ স্ক্রুটিনি কমিটি অন ফরেন লোন অ্যান্ড সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট-এর সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে এই সভায় বলা হয়, "বৈদেশিক ঋণের ঝুঁকি নিরুপণ ও খেলাপি হ্রাসে সিআইবি এখন থেকে বেসরকারি খাতের বিদেশি ঋণ ও সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটের তথ্য সংরক্ষণ করবে, যাতে কোনো প্রতিষ্ঠান বিদেশি ঋণে খেলাপি হয়ে স্থানীয় উৎস থেকে কোনো সুবিধা নিতে না পারে।" এই পদক্ষেপের ফলে বিদেশি ঋণে খেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থানীয় ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের সুযোগ বন্ধ হবে, যা তাদের ঋণ পরিশোধে আরও দায়বদ্ধ করবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, বিদেশি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ সীমিত থাকলেও, সিআইবি'র মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণের এই ব্যবস্থা খেলাপিদের উপর পরোক্ষ চাপ সৃষ্টি করবে।
    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এই উদ্যোগকে "নিঃসন্দেহে একটি যুক্তিসংগত পদক্ষেপ" হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, "বৈদেশিক ঋণের ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য এ ধরনের তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি স্থানীয় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে।" তবে, তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এতদিন বিদেশি ঋণের খেলাপি তথ্য সিআইবি'র ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তিনি আরও জানান, এই নীতি বাস্তবায়নের জন্য কঠোর মনিটরিং এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে কোনো প্রতিষ্ঠান এই নিয়মের ফাঁকফোকর দিয়ে সুবিধা নিতে না পারে।
    স্ক্রুটিনি কমিটির সভায় ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এবং থিয়েটার মেডিকেল বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের জন্য মোট ২০.২০ মিলিয়ন ডলারের নতুন ঋণ অনুমোদিত হয়েছে। এছাড়া, ৯টি কোম্পানির প্রায় ৯৮৮ মিলিয়ন ডলারের পুরনো ঋণের রিপেমেন্ট সিডিউল এবং ফি ও চার্জ পরিবর্তনের প্রস্তাব এবং ১৩টি কোম্পানির ৩১৫.০৭ মিলিয়ন ডলারের ভূতাপেক্ষ ঋণ অনুমোদিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড (৩০০ মিলিয়ন ডলার), রবি আজিয়াটা পিএলসি (৯৫ মিলিয়ন ডলার আগাম পরিশোধ), উত্তরা ফুডস অ্যান্ড ফিডস (বাংলাদেশ) লিমিটেড, এইচডিএফসি সিনপাওয়ার লিমিটেড, এবং নতুন বিদ্যুৎ (বাংলাদেশ) লিমিটেড। এছাড়া, আইসিডি, আইডিসিওএল, এবং বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড থেকে নেওয়া ৯০ মিলিয়ন ডলারের ঋণের ফি ও খরচ পরিবর্তনের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে। ইউবিডি অ্যাকসেসরিজ লিমিটেড, শিমা সেইকি এমএফজি লিমিটেড, এবং বরিশাল ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ভূতাপেক্ষ অনুমোদন পেয়েছে। বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেড তাদের ৮৩ মিলিয়ন ডলারের ঋণের 'অ্যাভেইলেবিলিটি পিরিয়ড' বৃদ্ধির অনুমোদন পেয়েছে।
    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি শেষে বেসরকারি খাতের স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণের স্থিতি ছিল ১০.১৬ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩ সালে ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি পাওয়ার পর ব্যবসায়ীরা ঋণ পরিশোধের দিকে ঝুঁকেছিলেন, কারণ ডলারের দর বৃদ্ধিতে তাদের বিনিময় হারের ঝুঁকি এবং লোকসান বেড়ে যাচ্ছিল। ফলে, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এই ঋণের স্থিতি ছিল ১৬.৪২ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে কমে ১১.৭৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। তবে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বিদেশি ঋণের পরিমাণ আবার বাড়তে শুরু করেছে। ডলারের দর ৮৩-৮৪ টাকা থেকে ১২৩-১২৪ টাকায় উঠে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের ঋণ পরিশোধে বাড়তি চাপ পড়ছে। এছাড়া, লাইবর রেটের পরিবর্তে সোফর (সিকিউরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেট) কার্যকর হওয়ায় ঋণের ফি ও চার্জে পরিবর্তন এসেছে, যার জন্য কমিটির অনুমোদন প্রয়োজন।
    ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআই-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে উৎপাদন বাড়িয়ে বাড়তি মুনাফা অর্জন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে, অনেক কোম্পানি ঋণ পরিশোধে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। ড. ফাহমিদা খাতুনের মতে, গত এক-দেড় বছর ধরে বৈদেশিক মুদ্রার সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো সময়মতো কিস্তি পরিশোধ করতে পারছে না, যার ফলে ঋণের সময়সীমা বাড়ানো এবং বাড়তি ফি প্রদানের ঘটনা বাড়ছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) স্ক্রুটিনি কমিটির কার্যক্রম পরিচালনা করে। ব্যবসায়ীরা বৈদেশিক ঋণ অনুমোদন বা সংক্রান্ত বিষয়ে বিডায় আবেদন করেন। জরুরি প্রস্তাবের ক্ষেত্রে বিডা শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন দেয়, যা পরে কমিটি ভূতাপেক্ষ অনুমোদন করে। গত ২১ মে ২০২৫-এ সর্বশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যা তার আগের ২৮ জানুয়ারির সভার প্রায় চার মাস পর।
    এই নতুন নীতি বাংলাদেশের ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি বিদেশি ঋণের শৃঙ্খলা আনার পাশাপাশি স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে, এই নীতির সফল বাস্তবায়নের জন্য কঠোর তদারকি, স্বচ্ছতা, এবং সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল/১৮ জুন, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 11 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    সংস্কারের মাঝেও সংকুচিত বীমা খাত

    এক হাটের ইজারায় দর উঠলো ১৪ কোটি টাকা

    ইসলামপুরে সুপেয় পানির স্বস্তি, ঘরে ঘরে সরকারি সরবরাহ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ
    বিশ্বজুড়ে সার সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    মহান মে দিবস আজ
    শ্রমজীবী মানুষের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন

    মহান মে দিবসের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
    নারী শ্রমে মানবতা ও বাস্তবতা

    সংস্কারের মাঝেও সংকুচিত বীমা খাত

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    বোতলজাত তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৪ টাকা

    এক হাটের ইজারায় দর উঠলো ১৪ কোটি টাকা

    ইসলামপুরে সুপেয় পানির স্বস্তি, ঘরে ঘরে সরকারি সরবরাহ

    বাজেটে কালো টাকার সুযোগ এবং ভঙ্গুর অর্থনীতি

    বিএসইসির বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
    অনলাইনে বিনিয়োগে সাবধান

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    বসছে বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ; বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য

    জুলাইয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    পুঁজি বাজারে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর ডিএসই: কোম্পানি পরিদর্শনে তাৎক্ষণিক ক্ষমতা

    মোবাইল রিচার্জে কর কমানোর উদ্যোগ: ১০০ টাকায় ৩৮ টাকা কাটাকে ‘অযৌক্তিক’ ঘোষণা

    বাজারে অস্থিরতা—দাম বাড়ার চাপ ও সিন্ডিকেটের প্রভাব

    ন্যূনতম ১০০-১০০০ টাকা প্রতীকী কর প্রবর্তনের দাবি

    টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, বেসরকারি খাতকে সুরক্ষা দেবে সরকার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.