Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    সোমবার, ২৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৮ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    মে ২১, ২০২৬ ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    দেশের দীর্ঘদিনের স্থবির পুঁজি বাজারে বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অনিবাসী বা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রতিটি শেয়ার লেনদেনের ক্ষেত্রে অডিটর বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের সনদ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই পদক্ষেপ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য লেনদেন প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজ করবে এবং বাজারে তারল্য বাড়াতে সহায়ক হবে।

    গত মঙ্গলবার (২০ মে) জারি করা এক নির্দেশনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, অনিবাসী বিনিয়োগকারী টাকা অ্যাকাউন্ট (এনআইটিএ) পরিচালনার ক্ষেত্রে কর আদায়ের পদ্ধতি সহজ করা হয়েছে। এখন থেকে শেয়ার বিক্রির অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টে জমা হবে এবং ব্যাংকগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযোজ্য মূলধনী মুনাফা কর সংরক্ষণ করবে।

    এর আগে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রতিটি লেনদেনের পর মূলধনী মুনাফা কর নির্ধারণে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের সনদ জমা দিতে হতো। সেই সনদ ছাড়া বিক্রয়লব্ধ অর্থ পুনঃবিনিয়োগ কিংবা বিদেশে পাঠানো সম্ভব ছিল না। বাজার সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, এই জটিল প্রক্রিয়ার কারণে প্রায়ই দুই সপ্তাহের বেশি সময় লেগে যেত, বাড়ত পরিপালন ব্যয় এবং সক্রিয় লেনদেনে নিরুৎসাহিত হতেন বিনিয়োগকারীরা।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো এখন সরাসরি শেয়ার বা সিকিউরিটিজ বিক্রির অর্থ থেকে প্রযোজ্য কর কেটে রাখবে। অবশিষ্ট অর্থ সঙ্গে সঙ্গে এনআইটিএ অ্যাকাউন্টে জমা হবে। পরবর্তীতে বিদেশে অর্থ পাঠানোর সময় সংরক্ষিত কর সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আগের ব্যবস্থায় শেয়ার বিক্রির পর কর হিসাব, সনদ সংগ্রহ এবং যাচাই-বাছাইয়ে দীর্ঘ সময় লেগে যেত। ফলে বিনিয়োগকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে পুনঃবিনিয়োগ করতে পারতেন না। নতুন ব্যবস্থায় বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্রুত অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা চাইলে সঙ্গে সঙ্গেই আবার বাজারে বিনিয়োগ করতে পারবেন।

    তিনি আরও জানান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি দীর্ঘদিনের একটি বড় প্রশাসনিক বাধা ছিল। সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিসবাহ উদ্দিন আফান ইউসুফ বলেন, অতীতে ছোট আকারের লেনদেনের ক্ষেত্রেও বিনিয়োগকারীদের আলাদাভাবে সিএ সনদ সংগ্রহ করতে হতো, যা বিশেষ করে ক্ষুদ্র বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত জটিল ও ব্যয়সাপেক্ষ ছিল।

    তার ভাষ্য, বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা আন্তর্জাতিক অডিট ফার্মের সহায়তায় বিষয়টি সামাল দিতে পারলেও ছোট বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি কার্যত একটি বড় প্রতিবন্ধকতায় পরিণত হয়েছিল। এখন ব্যাংক নিজেই কর সংক্রান্ত হিসাব করবে এবং শুধুমাত্র বিদেশে অর্থ প্রত্যাবাসনের সময় প্রয়োজনীয় সনদ ইস্যু করবে। এতে লেনদেন অনেক বেশি নির্বিঘ্ন হবে।

    ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম এই সিদ্ধান্তকে বাজারের জন্য “গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তন” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, মূলধনী মুনাফা কর কার্যকরের পর থেকে এনআইটিএ লেনদেন সহজ করতে বাজারসংশ্লিষ্টরা একাধিকবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। নতুন সিদ্ধান্ত বিদেশি পুঁজির প্রবাহ ও প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের জটিলতা দূর করবে।

    তিনি বলেন, এনআইটিএ অ্যাকাউন্টের অর্থ তালিকাভুক্ত শেয়ার ও আইপিওতে বিনিয়োগের জন্য ব্যবহার করা যায়। নতুন নিয়মে ব্যাংক প্রয়োজনীয় কর সংরক্ষণ করার পর ওই অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ, লভ্যাংশ এবং শেয়ার বিক্রির আয় বৈদেশিক মুদ্রায় সহজেই বিদেশে পাঠানো সম্ভব হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতিমালা অনুযায়ী, অনাবাসী বাংলাদেশি (এনআরবি) ও বিদেশি নাগরিকরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো অবাধে রূপান্তরযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করে দেশের পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ করতে পারেন।

    এ ধরনের বিনিয়োগ পরিচালনার জন্য সাধারণত দুটি হিসাব প্রয়োজন হয়—বিদেশ থেকে অর্থ আনা ও প্রত্যাবাসনের জন্য একটি ফরেন কারেন্সি (এফসি) অ্যাকাউন্ট এবং স্থানীয় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা টাকায় রূপান্তরের উদ্দেশ্যে একটি এনআইটিএ অ্যাকাউন্ট। এই হিসাবগুলো দেশের অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 weeks আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    ফের দাম বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.