Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বিনিয়োগ কমার শঙ্কা

    অক্টোবর ১১, ২০২২ ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণUpdated:অক্টোবর ১১, ২০২২ ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    আমদানির লাগাম টেনে ধরতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নেয়া নানামুখী পদক্ষেপের সুফল মিলতে শুরু করেছে। কমছে পণ্য আমদানির ঋণপত্র বা এলসি খোলার পরিমাণ। আপাতদৃষ্টিতে এতে সরকার পরিতৃপ্তির ঢেঁকুর তুলতে পারে। কিন্তু এর উল্টো পিঠও আছে। দেশে নতুন বিনিয়োগের অন্যতম নির্দেশক মূলধনি যন্ত্রপাতি (ক্যাপিটাল মেশিনারি) আমদানি এক ধাক্কায় তলানিতে নেমে এসেছে। শিল্পের কাঁচামাল আমদানিও কমেছে।

    ডলারের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় মূলধনি যন্ত্রপাতির পাশাপাশি শিল্পের কাঁচামাল আমদানিও কমেছে। এতে দেশে বিনিয়োগ কমার আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার ও ব্যবসায়ী নেতারা।

    গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক পণ্য আমদানির সবশেষ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য মাত্র ৩৯ কোটি ৯৭ লাখ ডলারের এলসি (ঋণপত্র) খুলেছেন বাংলাদেশের শিল্পদ্যোক্তারা। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ কম।

    ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য ১১৫ কোটি ৩৩ লাখ (১ দশমিক ১৫ বিলিয়ন) ডলারের এলসি খুলেছিলেন শিল্পোদ্যোক্তারা। এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, এই বছরের জুলাই-আগস্ট সময়ের চেয়ে গত বছরের জুলাই-আগস্টে প্রায় তিন গুণ বেশি ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানির এলসি খোলা হয়েছিল।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য ২২ কোটি ১১ লাখ ডলারের এলসি খুলেছিলেন শিল্পোদ্যোক্তারা। দ্বিতীয় মাস আগস্টে তা ১৭ কোটি ৮৬ লাখ ডলারে নেমে এসেছে। এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, জুলাই মাসের চেয়ে আগস্টে শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ।

    এর অর্থ হচ্ছে, ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরা কলকারখানা স্থাপনে আগের চেয়ে যন্ত্রপাতি আমদানির এলসি খোলার পরিমাণ অনেক কমিয়ে দিয়েছেন। এতে দেশে বিনিয়োগ ও উৎপাদনে ‘ধস’ নামার একটা অশনিসংকেত পাওয়া যাচ্ছে। কারখানা সম্প্রসারণ হোক অথবা নতুন কারখানা স্থাপন হোক মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমা- এটাই হলো তার পরিষ্কার ইঙ্গিত।

    টাকার বিপরীতে আমেরিকান মুদ্রা ডলারের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা। তারা বলেছেন, পণ্য আমদানির জন্য ব্যাংকগুলো এখনো ১০৫ টাকার বেশি নিচ্ছে। এতে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি খরচ ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। এত বেশি খরচ করে যন্ত্রপাতি আমদানি করে শিল্প স্থাপন করলে সেই শিল্প লাভজনক হবে কি না- তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় আছে। সে কারণেই সবাই মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমিয়ে দিয়ে অপেক্ষা করছেন বলে মনে করছেন তারা।

    মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি করে উদ্যোক্তারা সাধারণত নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপন বা কারখানার সম্প্রসারণ করে থাকেন। অর্থাৎ শিল্প খাতে বিনিয়োগ বাড়ে। বিনিয়োগ বাড়লে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে। সামগ্রিক অর্থনীতিতে গতিশীলতা আসে।

    কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে তথ্য দিচ্ছে, তাতে এটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে, আগামী দিনগুলোতে দেশে শিল্প খাতে বিনিয়োগ কমবে। আর বিনিয়োগ কমা মানে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে না। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে না। সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। স্বপ্নের পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু কর্ণফুলী টানেল এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে ঘিরে দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির যে আবহ দেখা দিয়েছিল, তা কিছুটা হলেও হোঁচট খেয়েছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী নেতা ও অর্থনীতির গবেষকরা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, গত ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরে (১২ মাস, ২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন) মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য ৬৪৬ কোটি ৩৭ লাখ (৬.৪৬ বিলিয়ন) ডলারের এলসি খুলেছিলেন উদ্যোক্তারা, যা ছিল আগের অর্থবছরের (২০২০-২১) চেয়ে ১৩ দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি।

    গত বছরের আগস্ট থেকে দেশে আমদানি ব্যয় বাড়তে থাকে। বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যায়। টাকার বিপরীতে ডলারের দর অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকে। এপ্রিল মাস থেকে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক আমদানি ব্যয়ের লাগাম টেনে ধরতে একটার পর একটা পদক্ষেপ নিতে শুরু করে। যার সুফল জুন মাস থেকে পড়া শুরু করে। জুলাই-আগস্ট মাসে তা ভালোভাবে দৃশ্যমান হয়েছে।

    এপ্রিল মাসের আগে গত অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত অর্থাৎ ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির এলসি খোলার পরিমাণ আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩০ শতাংশের মতো প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। ডলারের দাম বাড়ায় ১৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে অর্থবছর শেষ হয়।

    ডলারের বাজারে অস্থিরতা চলছে বেশ কয়েক মাস ধরে। বেড়েই চলেছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর এই মুদ্রার দর। কমছে টাকার মান। ডলারের দর বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়াসহ নানা পদক্ষেপ নেয়ার পরও বাজার স্বাভাবিক হচ্ছে। এক বছরের ব্যবধানে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমছে প্রায় ২২ শতাংশ।

    গত বছরের ৪ অক্টোবর আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলার-টাকার বিনিময় হার ছিল ৮৫ টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ ওই সময় ১ ডলার কিনতে ৮৫ টাকা ৫০ পয়সা লাগত। গত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার লেগেছে ১০৪ টাকা ১০ পয়সা।

    কিছুদিন আগে খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে ডলারের দর ১২০ টাকায় উঠেছিল। এখন অবশ্য তা ১১৫ টাকার নিচে নেমে এসেছে। ব্যাংকগুলো ১০৬ টাকা থেকে ১০৮ টাকায় নগদ ডলার বিক্রি করছে। রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংক বৃহস্পতিবার ১০৭ টাকায় নগদ ডলার বিক্রি করেছে।

    দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা করোনা মহামারির ধকল কাটতে না কাটতেই ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, খাদ্যপণ্যসহ সব ধরনের জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি খরচ লফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে। যার চাপ পড়ে অর্থনীতিতে। আমদানির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স না বাড়ায় বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ গত ১২ জুলাই ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসে। গত তিন মাসে তা আরও কমে বৃহস্পতিবার ৩৬ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

    গত ২০২১-২২ অর্থবছরে পণ্য আমদানির জন্য বাংলাদেশের ব্যবসায়ী-শিল্পোদ্যোক্তারা মোট ৯ হাজার ২২৩ কোটি ৪৯ লাখ (৯২.২৩ বিলিয়ন) ডলারের এলসি খুলেছেন, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেশি। ২০২০-২১ অর্থবছরে এলসি খোলার পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৭০৩ কোটি ৭৪ লাখ (৬৭.০৩ বিলিয়ন) ডলার।

    আর ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে ১২ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারের এলসি খোলা হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে মাত্র দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি। শুধু মূলধনি যন্ত্রপাতি নয়, এই দুই মাসে শিল্পের কাঁচামাল আমদানি কমেছে প্রায় ৮ শতাংশ। গত বছরের জুলাই-আগস্টে ৪৭৩ ৩২ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়েছিল। এই বছরের একই সময়ে খোলা হয়েছে ৪৩১ কোটি ২৩ লাখ ডলার। এ ছাড়া শিল্পের মধ্যবর্তী পণ্য আমদানি কমেছে ৩ দশমিক ১৭ শতাংশ। তবে জ্বালানি তেল আমদানিতে এলসি খোলার খরচ বেড়েছে ৭৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

    ‘মূলধনি যন্ত্রপাতির এলসি না কমে বিলাসবহুল অন্য সব পণ্যের এলসি কমলে খুব ভালো হতো’ এই মন্তব্য করে গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক এবং ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানি কমা মানে, ভবিষ্যতে বিনিয়োগ কমে যাওয়া। অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কিন্তু এ কথাও ঠিক যে, একটি কঠিন সময় পার করছে গোটা বিশ্ব। আমরাও তার বাইরে নই। এই অবস্থায় ডলারের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। স্বাভাবিক কারণে ব্যবসায়ীরা আমদানি কমিয়ে দিয়ে অপেক্ষা করছেন। বাজার পর‌্যবেক্ষণ করছেন। পরিস্থিতি যখন স্বাভাবিক হবে, তখন আবার আমদানি করবেন। কিন্তু কবে স্বাভাবিক হবে, সেটাই এখন বড় বিষয়।’

    বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ চেম্বারের বর্তমান সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘অন্য সব পণ্যের সঙ্গে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমবে-এটাই স্বাভাবিক। কেননা, ১০৫/১১০ টাকা দিয়ে ডলার কিনে ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানি করে শিল্প স্থাপন করলে, সেই কারখানা যখন উৎপাদনে যাবে-তা থেকে মুনাফা আসবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। সে কারণেই উদ্যোক্তারা আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন।’

    ‘এতে বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে ঠিক। কিন্তু লোকসান হতে পারে-এমন আশঙ্কা থেকে তো কোনো ব্যবসায়ী শিল্প স্থাপন করবে না।
    #

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল, ১০ অক্টোবর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    বিনিয়োগ কমার শঙ্কা.

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.