Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বৃহৎ অর্থনীতির ভিত্তি হলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা

    জুন ১৯, ২০২৫ ১:২২ অপরাহ্ণ9
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    সামষ্টিক অর্থনীতির হিসাবে গ্রাম ও শহর কিংবা নারী ও পুরুষের পৃথক অবদান স্পষ্ট না হলেও, গ্রামীণ অর্থনীতির শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। পাশাপাশি এটাও স্বীকার করতে হয় যে, এ ক্ষেত্রে নারীর অবদান অপরিসীম, যা প্রায়শই অস্বীকার করার চেষ্টা করা হয়। যেমন- তৈরি পোশাক খাতে নারীর অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি। গ্রামপ্রধান বাংলাদেশে এখনও গ্রামই অর্থনীতির মূল ভিত্তি।

    গ্রামে বসেও নারীরা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। পাবনার বেড়া উপজেলার মাহফুজা মীনার কথাই ধরা যাক। তিনি একাধারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা, গৃহিণী এবং সফল খামারি। তার জীবনের সাফল্যের গল্প এখন বইয়ের পাতায় স্থান পেয়েছে।

    ২০১০ সালে মাত্র ১০-১২টি গরু দিয়ে শুরু করে এখন তার ‘মীনা ডেইরি ফার্মে’ রয়েছে ৬০টিরও বেশি দেশি-বিদেশি জাতের গরু। এই ফার্ম থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩০০ লিটার দুধ উৎপাদিত হয়, যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ইগলু ও অন্যান্য দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হয়। মাহফুজা মীনার মতে, নারী চাইলে সফল উদ্যোক্তা হতে পারেন, তবে এর জন্য পরিশ্রম ও ত্যাগের প্রয়োজন।

    শুধু মীনা নন, সারা বাংলাদেশে অসংখ্য নারী গ্রামীণ অর্থনীতিতে সরাসরি ভূমিকা রাখছেন। এই অবদান, হিসাবে আলাদা না হলেও, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে গতিশীল করছে। অর্থনীতি বলতে শুধু শিল্প-কারখানায় উৎপাদন, বিপণন বা মজুরিভিত্তিক চাকরির ধারণা আংশিক মাত্র।

    গ্রামপ্রধান বাংলাদেশে শহুরে জীবনযাত্রা শুরুর আগে গ্রামভিত্তিক অর্থনীতিই ছিল মূল ভিত্তি। তখন কারখানার উপস্থিতি কম ছিল, আর কৃষিই ছিল গ্রামীণ অর্থনীতির প্রধান উৎস। এখনও তাই আছে। তবে নারী-পুরুষের কাজের ক্ষেত্র বেড়েছে। সভ্যতার শুরুতে নারীর হাত ধরেই কৃষির যাত্রা শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে পুরুষের অংশগ্রহণ বাড়লেও নারীরা এখনও কৃষিকাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। গ্রামের প্রতিটি বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষ একটি সাধারণ দৃশ্য, যা নারীরা করে থাকেন। এগুলো ছোট হলেও পরিবারের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ।

    গ্রামই আমাদের জীবনের প্রাণকেন্দ্র। দেশের বেশিরভাগ মানুষ গ্রামে বাস করে। তাদের কঠোর পরিশ্রমে অর্থনীতি ধীরে ধীরে মজবুত হয়। যদিও সেই ছায়াঘেরা গ্রাম এখন আর নেই, কারণ গ্রামগুলোও আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়েছে। গ্রামীণ রাস্তাঘাটের উন্নতি হয়েছে, কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি এসেছে, শিক্ষা ও চিকিৎসার প্রসার ঘটেছে, অকৃষি খাত ও আর্থিক সেবার বিকাশ হয়েছে।

    অনেক নারী এখন গ্রামে চায়ের দোকান বা মুদির দোকান চালাচ্ছেন। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বেড়েছে। গ্রাম শহরের ভিত্তি। গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। গ্রাম শক্তিশালী হলে শহরের উন্নয়ন সম্ভব। কিছু মানুষ আয়ের আশায় গ্রাম থেকে শহরে গেলেও, গ্রামে সামাজিক বাধা, বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে, একটি বড় কারণ। নারীদের পরিবার বা সমাজ থেকেই বাধা দেওয়া হয়। গ্রাম হওয়া উচিত পরিকল্পিত আয়ের ক্ষেত্র, যেখানে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব।

    বাংলাদেশের অর্থনীতির শক্তিশালী খাত হলো রেমিটেন্স। বিদেশ থেকে আসা রেমিটেন্সের বড় অংশ গ্রামভিত্তিক। সংক্ষেপে, গ্রামই অর্থনীতির প্রাণ। জীবন ও জীবিকার বড় অংশ গ্রামনির্ভর। গ্রামের কৃষি, মাছ চাষ, খামার, তাঁতশিল্প—এসব কেন্দ্র করেই দেশের অর্থনীতি গড়ে উঠেছে। সেখানে প্রতিটি কাজে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে। এছাড়া গ্রামে অনেক কারখানা গড়ে উঠেছে, যেখানে নারী-পুরুষ সমানতালে কাজ করছেন।

    বৃহৎ অর্থনীতির ভিত্তি হলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। তবে সমাজ এখনও নারীর অবদান স্বীকারে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না। শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির দিকে যতই এগোই না কেন গ্রামীণ অর্থনীতি আজও দেশের অন্যতম চালিকাশক্তি। গ্রামে ছোট-বড় শিল্পকারখানা গড়ে উঠেছে, যেখানে অসংখ্য নারী-পুরুষ কাজ করছেন। উৎপাদন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। গ্রামীণ অর্থনীতি জীবন, জীবিকা, স্বনির্ভরতা ও তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে অবদান রাখছে। এর গতিপ্রকৃতি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে।

    সময়ের সঙ্গে নারীর কর্মক্ষেত্র বিস্তৃত হয়েছে। কাজের বহুমুখীকরণ ঘটেছে। উদাহরণ হলো পরচুলা তৈরির কাজ। পরচুলা, নকশি কাঁথা, বাঁশের ডোল-চাঁটাই তৈরিতে নারীর অংশগ্রহণ বেশি। মাহফুজা মীনার উপজেলায় নারীরা পরচুলা তৈরির কাজে নিয়োজিত, যা তাদের পরিবারে স্বচ্ছলতা এনেছে। গ্রামের নারীরা নাকফুল তৈরিতেও ব্যস্ত। একজন নারী দিনে প্রায় শতাধিক নাকফুল তৈরি করেন, যার আয় সন্তানদের শিক্ষায় ব্যয় হয়। এছাড়া হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল পালনও করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারীরা সমান যোগ্যতায় চাকরি করছেন। অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হলে গ্রামীণ অর্থনীতিই হতে পারে প্রধান হাতিয়ার। ব্যবসা-বাণিজ্যে নারীর নেতৃত্ব বেড়েছে। এক দশকে পাঁচগুণের বেশি প্রতিষ্ঠানে নারী নেতৃত্ব এসেছে। পরিবার সামলে, সমাজ টপকে এগিয়ে চলা নারীরাই গ্রামের ভিত মজবুত করছেন, অথচ তাদের স্বীকৃতি এখনও অনেক দূরের পথ।

    গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পারলে সামগ্রিক অর্থনীতিও এগিয়ে যাবে। গ্রামের নারী ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তুলতে হবে। এতে তাদের মনোবল বাড়বে। সহজ ঋণের ব্যবস্থা ও নারীদের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দিতে হবে। তাঁত ও পোল্ট্রি শিল্পে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। কৃষি শক্তিশালী করতে নারীর অংশগ্রহণের বিকল্প নেই। ●

    অকা/আখা/ফর/দুপুর/১৯ জুন, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 9 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    অনিয়মে ধসে পড়া আর্থিক খাত
    ৯টি এনবিএফআই প্রাথমিকভাবে বন্ধের সিদ্ধান্ত

    দুর্বল লিজিং কোম্পানি বন্ধে সরকারের সাহসী পদক্ষেপে আর্থিক খাতে সংস্কারের নতুন বার্তা

    পাঁচ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ সৌদি ব্যবসায়ীদের

    অক্টোবরের প্রথম সাতদিনে প্রবাসী আয় ৮৪৪২ কোটি টাকা

    স্বল্পসুদে ঋণে স্বস্তির শ্বাস নিয়েছেন কৃষকরা

    উচ্চ শুল্কনীতির প্রভাব
    বাংলাদেশের রফতানি আয়ের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    কাতারের এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা

    ইইউ বাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.