Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংক খাতে গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে খেলাপি ঋণ

    নভেম্বর ২, ২০২২ ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বিশাল অঙ্কের খেলাপি ঋণ বর্তমানে ব্যাংক খাতে গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে । একদিকে বাড়ছে খেলাপি ঋণ, অন্যদিকে বাড়ছে খেলাপি ঋণের মধ্য থেকে আদায় না হওয়ার হার। ফলে এসব ঋণের সিংহভাগই রয়ে যাচ্ছে অনাদায়ী। এর ফলে ব্যাংকগুলোতে তৈরি হচ্ছে প্রভিশন ঘাটতি। কারণ খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় এর বিপরীতে সংস্থান রাখার মতো যথেষ্ট মুনাফা হচ্ছে না। তথ্য বলছে, ২০২১ সাল শেষে মোট খেলাপি ঋণের ৮৮ শতাংশই আদায় অযোগ্য (ব্যাড অ্যান্ড লস) হয়ে পড়েছে। এতে বিঘ্ন ঘটছে আয় ও নগদ অর্থের প্রবাহে। এসময়ে খেলাপি ঋণের জন্য সবচেয়ে বেশি দায় জাহাজ নির্মাণ শিল্প খাত ও চামড়া খাতে।

    এ বিষয়ে ব্যাংকখাত বিশ্লেষকদের মতে, এ খাতের মন্দ ঋণ বড় সমস্যা। মন্দ ঋণ আদায়ের সম্ভাবনাও কম। এ ধরনের ঋণ বেশি হলে ব্যাংকগুলোর জন্য বাড়তি চাপ তৈরি হয়। ঝুঁকি সৃষ্টি হয় এবং গ্রাহকের আস্থার সংকটও দেখা দেয়। প্রতিষ্ঠানের আয়ের ওপর চাপ পড়ে। একটি প্রতিষ্ঠানকে এ ঋণ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়। তাই ঝুঁকি মেকোবিলায় খেলাপি ঋণের বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ তাদের।

    সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২১ সালের আর্থিক স্থিতিশীল প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গত বছর শেষে ব্যাংকখাতে মোট খেলাপি ঋণের ৯১ হাজার ৫৭ কোটি টাকাই মন্দ ঋণে (ব্যাড লোন) পরিণত হয়েছে। যা শতাংশ হিসাবে প্রায় ৮৮ দশমিক ১৭ শতাংশ। আদায় অযোগ্য বা তামাদি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯১ হাজার ৬০ কোটি টাকা বা শতকরা হিসাবে ৮৮ দশমকি ১০ শতাংশ।

    তথ্য পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, ২০১২ সাল থেকে ব্যাংকখাতে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে মন্দ মানের ঋণ। ২০১২ সালে মন্দ মানের (ব্যাড লোন) খেলাপি ঋণ ছিল ৬৬ দশমিক ৭০ শতাংশ, ২০১৩ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৭৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। এটি ২০১৬ সালে আরও বেড়ে ৮৪ দশমিক ৪০ শতাংশে দাঁড়ায়। আর ২০১৮ সালে দাঁড়ায় ৮৫ দশমিক ৯০ শতাংশ, ২০১৯ সাল শেষে ৮৬ দশমিক ৮০ শতাংশ, ২০২০ সাল শেষে ৮৭ শতাংশ এবং ২০২১ সাল শেষে তা দাঁড়ায় ৮৮ দশমিক ১৭ শতাংশে।

    ব্যাংকিং খাতের নিয়ম মতে, মন্দ মানের খেলাপি ঋণ আদায় না হলে অবলোপন করতে হয়। অর্থাৎ খেলাপি ঋণের হিসাবে না রেখে অন্য হিসাবে রাখা হয়। এটাকে আবার গোপন খেলাপিও বলা হয়ে থাকে। ব্যাংকিং সেক্টরে অবলোপনকৃত ঋণের পরিমাণ এখন প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি। এসব ঋণ গ্রহীতাদের বিরুদ্ধে ব্যাংকগুলো মামলা টেনে আসছে বছরের পর বছর।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীল প্রতিবেদন বলছে, ২০২১ সাল শেষে ব্যাংকগুলো বিভিন্ন খাতে প্রায় ১২ লাখ ১৮ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে। বিতরণকৃত এসব ঋণের মধ্যে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৯৩৫ হাজার কোটি টাকা। তবে রাইট অফ (ঋণ অবলোপন) ও উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত ঋণের পরিমাণ হিসাবে নিলে এটি প্রায় দুই লাখ কোটি টাকায় দাঁড়াবে।

    এর মাঝে জাহাজ নির্মাণ শিল্পে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৯৫ কোটি টাকা। এ ঋণ শতকরা হিসাবে প্রায় ১৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ। যা তার আগের বছর (২০২০ সালে) ছিল ১৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। ২০১৮ সালেও খেলপি ঋণে শীর্ষে ছিল এ খাত। আর খেলাপি ঋণের হারে দ্বিতীয় অবস্থান চামড়া ও চাড়মড়াভিত্তিক শিল্পের। ২০২১ শেষে এ খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৮৯ কোটি টাকা। শতকরা হিসাবে এর পরিমাণ ১০ দশমিক ৯৮ শতাংশ। আলোচিত সময়ে কৃষি খাতে খেলাপি ঋণ এক হাজার ৬৯২ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ২৪০ কোটি টাকা বা ১০ দশমিক ২১ শতাংশে।

    তবে ২০২১ সালে সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণ ট্রেড অ্যান্ড কমার্স বা ব্যবসা-বাণিজ্য খাতে। আলোচিত সময়ে এ খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে তিন হাজার ৪৮ কোটি টাকা। গত ২০২০ সালে ব্যবসা-বাণিজ্য খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এটি ২০২১ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৭৪৮ কোটি টাকায়। যা শতকরা হিসাবে প্রায় ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

    পরিমাণের দিক থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ বস্ত্র খাতে। আলোচিত সময় শেষে এ খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২৮১ কোটি টাকা। যা তারও এক বছর আগে ছিল ৩ হাজার ১১৮ কোটি টাকা। সে হিসাবে বস্ত্রখাতে এক বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় দুই (১ হাজার ৮০৯ কোটি) হাজার কোটি টাকা।

    ২০২১ সালে পোশাক খাতে বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৩০ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা। বিতরণকৃত এসব ঋণের মধ্যে খেলাপি হয়েছে ১১ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা বা ৮ দশমিক ২২ শতাংশ। এক বছর আগে এ খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১১ হাজার ৪৫১ কোটি টাকা। তথ্য বলছে, এক বছরে এ খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৪৯৪ কোটি টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন মতে, ২০২২ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক (জুন প্রান্তক) শেষে ব্যাংক খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকায়। এটি মোট বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ে (২০২১’র দ্বিতীয় প্রান্তিক) খেলাপির অংক ছিল ৯৯ হাজার ২০৫ কোটি টাকা। হিসাব মতে, এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকখাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। আর চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (মার্চ শেষে) ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল এক লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। জুন শেষে এ খেলাপি ১ লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। হিসাব মতে, তিন মাসের ব্যবধানে ১১ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা খেলাপি হয়েছে যা শতাংশ হিসেবে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ।

    এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও অর্থনীতিবিদ ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে অনেক ভুল সিদ্ধান্ত এসেছে। সেসব নীতিমালা ঋণ খেলাপিদের উৎসাহিত করছে। এতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন ব্যাংকের ভালো গ্রাহকরা। আবার ব্যাংগুলোও খেলাপি ঋণ আদায়ে বিমুখ হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে তাদের জবাবদিহি করতে হচ্ছে না। দিনদিন খেলাপি ঋণ লাগামহীনভাবে বাড়ছে। এতে দেশে শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে।

    সাবেক গভর্নর ও বিশ্লেষক ড. সালেহউদ্দিনের মতে, হঠাৎ হঠাৎ কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগুলো হতে হবে দীর্ঘস্থায়ী। যাতে খেলাপি ঋণ, পুনঃতফসিল, প্রভিশন ঘাটতি কমে আসে। আর এসব সমস্যা সমাধানে ব্যাংকিং কমিশন গঠন করা উচিৎ। আগেও কমিশনের মাধ্যমে খেলাপি সমস্যার সমাধান হয়েছে।

    #

    অকা/ব্যাংখা/ বিকেল, ২ নভেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    ব্যাংক খাতে গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে খেলাপি ঋণ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.