Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংক খাতে ২০২২ সালে ঋণ অবলোপন স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬৫ হাজার ৩২১ কোটি টাকা

    আগস্ট ১৬, ২০২৩ ৬:৪৭ পূর্বাহ্ণUpdated:আগস্ট ১৬, ২০২৩ ৬:৪৭ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ব্যাংক খাতে ২০২২ সালে ঋণ অবলোপন স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬৫ হাজার ৩২১ কোটি টাকা। যা ২০২১ সালে ছিল ৬০ হাজার ৪৯৮ কোটি। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ঋণ অবলোপন বেড়েছে ৪ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রচলিত ঋণ খাতা থেকে ৬৫ হাজার কোটি টাকা মুছে ফেলেছে ব্যাংক। মামলা করে, আমানতের সম্পত্তি নিলামে উঠিয়ে এবং সমঝোতাসহ নানা প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ব্যাংকগুলো এই ঋণ মুছে ফেলতে বাধ্য হয়েছে। তবে বহু ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকারদের বিরুদ্ধে রয়েছে অবহেলা এবং অনিয়মের অভিযোগ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, ২০০৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ঋণ অবলোপন থেকে আদায় হয় ২০ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা। ফলে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণ অবলোপনের অঙ্ক দাঁড়ায় ৪৪ হাজার ৪৯৩ টাকা। এ সময় খেলাপি ঋণ ১ লাখ ২০ হাজার ৬৪৯ কোটি এবং বকেয়া পুনঃতফশিল করা ঋণ ২ লাখ ১২ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা। সব মিলে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে বিপদগ্রস্ত ঋণ ছিল ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৯২২ কোটি টাকা। বর্তমানে সে অঙ্ক আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বিপদগ্রস্ত ঋণের এ অঙ্ক চলতি অর্থবছরের বাজেটের প্রায় অর্ধেক। ব্যাংকিং খাত যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তা এই চিত্র দেখেই বোঝা যায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অবলোপন করেছে ১৬ হাজার ৪৪৯ কোটি, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ২৬ হাজার ৫৬৮ কোটি, বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ১ হাজার ১২৫ কোটি এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো অবলোপন করেছে ৩৫১ কোটি টাকা।

    গেল দুই বছর বিশ্বব্যাপী আঘাত হানা মহামারি করোনার কারণে ঋণ আদায়ে বিভিন্নভাবে ছাড় দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু সেসব ছাড় কোনো কাজে আসেনি বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের। বিভিন্ন ছাড় দিয়েও যখন খেলাপি ঋণের লাগাম টানা যাচ্ছে না, তখন পুরোনো কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে ব্যাংকগুলো। ঋণ অবলোপন করে খেলাপি কম দেখানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এ কৌশলটির নাম ঋণ অবলোপন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকের মন্দমানের খেলাপি ঋণ ৩ বছর ধরে (যা আগে ছিল ৫ বছর) আদায় না হলে তা ব্যাংকের মূল ব্যালান্স শিট থেকে আলাদা করে অন্য একটি লেজার বুকে সংরক্ষণ করা হয়। এর আগে শতভাগ নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন এবং অর্থঋণ আদালতে একটি মামলা করতে হয়। ব্যাংকিং পরিভাষায় যা ঋণ অবলোপন বা রাইট অফ নামে পরিচিত। এভাবেই ২০০৩ সাল থেকে ঋণ অবলোপন করে আসছে ব্যাংকগুলো।

    এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ঋণ দেওয়ার সময় সতর্কতা অবলম্বন না করার কারণে আজ এই অবস্থা। উপর মহলের চাপে ঋণ দিয়ে এখন সেই টাকা আর আদায় করতে পারছে না ব্যাংক। ব্যাংক খাত বাঁচাতে হলে এখন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। অন্যথায় ঋণখেলাপি, পুনঃতফশিল ও অবলোপনের মতো উচ্চ ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ বাড়তেই থাকবে।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণের শর্ত হিসাবে ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের হিসাব দিতে হচ্ছে। এক সময় প্রতি জুনে বার্ষিক আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদনে ব্যাংক খাতে ঝুঁকিপূর্ণ বা বিপদগ্রস্ত ঋণের অঙ্ক প্রকাশ করত বাংলাদেশ ব্যাংক। আইএমএফ শর্ত দিয়েছে, তা আবার শুরু করা উচিত। জানুয়ারিতে আইএমএফ স্টাফ রিপোর্টে বলা হয়েছিল, কোভিড-১৯ আর্থিক সহায়তা নীতিমালার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২২ সালের ডিসেম্বরে। যেহেতু এই নীতিগুলো শিথিল করায় ব্যাংক ব্যবস্থার লোকসান ধীরে ধীরে উঠে আসতে পারে, তাই সম্পদের শ্রেণিবিন্যাস, বিশেষ করে পুনর্গঠিত ঋণের বর্তমান ব্যালেন্স শিটের ঝুঁকিগুলো সঠিকভাবে তুলে ধরা উচিত। ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ যথাযথভাবে প্রকাশ করা উচিত।

    আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংক খাতে ঝুঁকিপূর্ণ বা বিপদগ্রস্ত সম্পদের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে খেলাপি ঋণের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ প্রকাশ করা হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালে সামগ্রিকভাবে ব্যাংক খাতে সম্পদের গুণগতমানে সামান্য অবনতি হয়েছে। কারণ খেলাপি ঋণের অঙ্ক কিছুটা বেড়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত খেলাপি ঋণ ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ ছিল। যা ২০২১ সালে ছিল ৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ। জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ ভাঙা শিল্পে খেলাপি ঋণ ২২ দশমিক ৪৩ শতাংশ। অন্যসব খেলাপি ঋণের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ।

    চামড়া ও চামড়াজাত শিল্পে খেলাপি ঋণ আছে ১১ দশমিক ৭৫ শতাংশ, বস্ত্র শিল্পে ১১ দশমিক ৫৪ শতাংশ ও তৈরি পোশাক শিল্পে ১১ দশমিক ১২ শতাংশ।

    বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি ড. মইনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণের যে হিসাব দিচ্ছে, তা সঠিক নয়। প্রকৃত খেলাপি ঋণ ৪ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। যা মোট ঋণের ২৫ শতাংশের কম হবে না। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক দেখাচ্ছে মাত্র ৮ শতাংশের একটু বেশি।

    অকা/ ব্যাংখা/ দুপুর, ১৬ আগস্ট, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    ব্যাংক খাতে ২০২২ সালে ঋণ অবলোপন স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬৫ হাজার ৩২১ কোটি টাকা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.