Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংক খাত
    লোকসানের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না ব্যাংক

    জুন ২৪, ২০২৫ ১০:১৫ পূর্বাহ্ণUpdated:জুন ২৪, ২০২৫ ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ9
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ করে লোকসানের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না দেশের ব্যাংকিং খাত। কেনা মূল্যের চেয়ে শেয়ারের দাম ক্ষেত্র বিশেষ অর্ধেকে নেমে এসেছে। বড় অঙ্কের লোকসানের মুখে ব্যাংকগুলো তাদের শেয়ার বিক্রি করতে পারছে না। এভাবে ৩০ বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ আটকে গেছে। এ দিকে লোকসানের বিপরীতে বাড়তি প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। আবার বাজারভিত্তিক শেয়ারের বিনিয়োগ মূল্যায়ন না করায় ব্যাংকগুলোর নতুন বিনিয়োগ করার সুযোগও পাচ্ছে না। ফলে শেয়ার দর সমন্বয় করতে পারছে না। এতে দীর্ঘ মেয়াদে লোকসানের মুখে পড়ে যাচ্ছে। অপর দিকে বেশির ভাগ ব্যাংকেরই নগদ টাকার সঙ্কট দেখা দিয়েছে। সব মিলেই ব্যাংকগুলোতে এখন ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা বিরাজ করছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তাদের মোট মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। এটাই ব্যাংকগুলোর পুঁজি বাজারে বিনিয়োগসীমা। যেমন একটি ব্যাংকের মোট মূলধল এক হাজার কোটি টাকা। নীতিমালা অনুযায়ী ২৫০ কোটি টাকার শেয়ার ধারণ করতে পারবে। এখন ব্যাংক ২৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগও করল। কিন্তু শেয়ারের দাম ১৫০ কোটি টাকা নেমে এলো। ক্রয়মূল্য ও বাজার মূল্যের পার্থক্য হলো ১০০ কোটি টাকা। এই ১০০ কোটি টাকাই ব্যাংকের লোকসান। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী এ ১০০ কোটি টাকার ওপর প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে। আর প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয় ব্যাংকের মুনাফা থেকে। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে ব্যাংকগুলোর এখন বাড়তি প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। এতে কমে যাচ্ছে ব্যাংকগুলোর প্রকৃত মুনাফা।

    অপর দিকে এক সময় ব্যাংকগুলো পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ দেখাত মার্ক টু মার্কেট অর্থাৎ বাজারমূল্য ভিত্তিতে। অর্থাৎ ক্রয়মূল্য যাই হোক না কেন, তাদের বাজার মূল্যকেই দেখাতে হতো। এ কারণে এক সময় যে শেয়ারের ক্রয় মূল্য ছিল ১০০ টাকা, দাম বেড়ে যাওয়ায় তার বাজার মূল্য হলো ১২০ টাকা। এতে কোনো ব্যাংকের বিনিয়োগসীমা যদি থাকে ১০০ কোটি টাকা, ২০ শতাংশ দাম বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগসীমা বেড়ে হয় ১২০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেয়া সীমার মধ্যেই পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ থাকতে হবে। অন্যথায় ব্যাংকগুলোর জরিমানা গুনতে হয়।

    পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনেক ক্ষেত্রেই নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা করা হতো না। নিজেদের সুবিধার জন্য নিয়ম-কানুন পরিবর্তন করা হতো। এ কারণে পতিত সরকারের শেষ সময়ে অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সময়ে এ নীতিমালা কিছুটা পরিবর্তন করা হয়। তখন বলা হয়, ক্রয়মূল্যের ভিত্তিকেই শেয়ারের বিনিয়োগসীমা গ্রহণ করতে হবে। অর্থাৎ কোনো শেয়ারের ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে আর সেইক্ষেত্রে ২০ শতাংশ দাম বাড়লেও শেয়ার ধারণ ১২০ টাকা না হয়ে ১০০ টাকাই দেখানোর সুযোগ করে দেয়া হয়। এতে বিনিয়োগসীমার মধ্যে আনতে ব্যাংকগুলোর শেয়ার বিক্রি করতে হতো না।

    ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের পর পুঁজি বাজারে তদারকি বাড়ানো হয়েছে। এজন্য জুয়াড়িরা আর কৃত্রিমভাবে দর বাড়াতে পারছে না। এতে প্রতি নিয়তই পুঁজি বাজারের সূচক কমে যাচ্ছে। এভাবে ব্যাংকের কোনো কোনো শেয়ারের মূল্য ক্রয়মূল্য থেকে অর্ধেকে নেমে গেছে। এখানেই ব্যাংকগুলো পড়েছে বিপত্তিতে। যেমন ১০০ কোটি টাকা শেয়ারের দাম অর্ধেকে অর্থাৎ ৫০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। পরিবর্তিত নীতিমালা অনুযায়ী ব্যাংকগুলো শেয়ারের ধারণ ৫০ কোটি টাকা না দেখিয়ে ক্রয়মূল্য ১০০ কোটি টাকাই দেখাতে হচ্ছে। এতে ব্যাংকগুলোর পুঁজি বাজারে বিনিয়োগসীমার বাইরে আর বিনিয়োগ করতে পারছে না। যদি বাজারভিত্তিতে দেখানো যেত তাহলে ব্যাংকের শেয়ার ধারণ হতো ৫০ কোটি টাকা। বাড়তি ৫০ কোটি টাকা নতুন করে বিনিয়োগ করতে পারত। এতে শেয়ারের মূল্য গড় করার সুযোগ পেত। এভাবে এক সময় লোকসানের ধকল কাটিয়ে মুনাফা নিয়ে বের হতো পারত। কিন্তু ব্যাংকগুলো তা আর পারছে না। নতুন করে বিনিয়োগ করতে পারছে না। ফলে দীর্ঘ মেয়াদি লোকসানের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না ব্যাংকগুলো। এভাবেই ব্যাংকগুলোর প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ আটকে পড়েছে। ব্যাংকগুলোর এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য নীতিসহায়তা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলেছেন এমনিতেই ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। ব্যাংক থেকে ঋণের নামে টাকা বের করে এস আলম, বেক্সিমকো, নাসাসহ বেশির ভাগ ব্যাংক ডাকাত বিদেশে পাচার করে দিয়েছে। তারা আর ব্যাংকের অর্থ পরিশোধ করছেন না। এমনি পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ আটকে যাওয়ায় ব্যাংকগুলো ত্রাহি ত্রাহি অবস্থার মুখে পড়েছে। ●

    অকা/পুঁবা/ফর/রাত/২৩ জুন, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 8 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.