অর্থকাগজ প্রতিবেদন 
১৬ বছরের শেখ হাসিনার সরকারের শাসনের শেষ মুহূর্তে দেশে খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার ছিল রেকর্ড সর্বোচ্চ ১৪.২২ শতাংশ। ওই সরকারের বিদায়ের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম এক মাস আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার কমে এখন ১০.৪৯ শতাংশ। আর খাদ্য খাতে ১১.৩৬ শতাংশে নেমেছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত খাতে এই হার বেড়ে এখন ৯.৭৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে বলে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর গতকাল দেয়া হালনাগাদ তথ্যে এটা প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে, মূল্যস্ফীতির হারের চেয়ে দেশে জাতীয় মজুরি হার অনেক কম। মজুরি হার এখন ৭.৯৬ শতাংশ।

দেশে গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি হয়েছিল জুলাই মাসে। সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে মূল্যস্ফীতিও লাফ দিয়ে কমে গেছে। এত দিন ধরে মূল্যস্ফীতির হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছিলেন অর্থনীতিবিদরা।

বিবিএসের হালনাগাদ তথ্যে বলা হয়েছে, সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার জুলাই মাসে ছিল ১১.৬৬ শতাংশ, যা আগস্টে কমে ১০.৪৯ শতাংশে এসেছে। খাদ্য খাতে ১৪.০৬ শতাংশ থেকে আগস্টে কমে ১১.৩৬ শতাংশে এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতে ৯.৬৮ শতাংশ থেকে বেড়ে আগস্টে ৯.৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। গত আগস্ট মাসে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কমে হয়েছে ১০ দশমিক ৯৫ শতাংশ। যা জুলাইয়ে ছিল ১১ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এছাড়া খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৪৪ শতাংশে। যা তার আগের মাসে ছিল ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে হয়েছে ১০ দশমিক ৪৫ শতাংশ, যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

এদিকে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ০১ শতাংশে, যা জুলাই মাসে ছিল ১১ দশমিক ২৭ শতাংশ। এছাড়া খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার কমে হয়েছে ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ, যা জুলাইয়ে ছিল ১৪ দশমিক ২২ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির হারও কমে হয়েছে ৯ দশমিক ২০ শতাংশ, যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। ●

অকা/আখা/ফর/সকাল/৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

Leave A Reply

Exit mobile version