Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    রেমিট্যান্স ডলারের বাজার আবার অস্থিতিশীল হতে শুরু করেছে

    জানুয়ারি ৩০, ২০২৫ ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণUpdated:জানুয়ারি ৩০, ২০২৫ ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ12
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কড়াকড়িতে প্রায় তিন সপ্তাহ স্থিতিশীল থাকার পর ব্যাংকগুলোতে ওভারডিউ পেমেন্টের চাপ বাড়তে থাকায় রেমিট্যান্স ডলারের বাজার আবার অস্থিতিশীল হতে শুরু করেছে।

    অন্তত আটটি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, রেমিট্যান্স ডলারের ক্রয়মূল্য এখন বেড়ে ১২২.৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে এই ডলারের দাম অন্তত ৫০ বেসিস পয়েন্ট বেড়েছে । তবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে ব্যাংকগুলো এখনো দর ১২২ টাকা দেখাচ্ছে।

    ডিসেম্বরের শেষ দিকে বাংলাদেশ ব্যাংক মৌখিক নির্দেশনা দিয়ে ব্যাংকগুলোর জন্য রেমিট্যান্স ডলার কেনাবেচার সর্বোচ্চ দর ১২২ টাকা নির্ধারণ করেছিল। একই সঙ্গে এক নির্দেশনা জারি করে বলা হয়, ডলার কেনাবেচার মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবধান ১ টাকার বেশি হওয়া যাবে না। নিয়ম ভাঙলে জরিমানাসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।

    নির্দেশনা মেনে ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স ডলারের দর ১২১.৫০ থেকে ১২২ টাকার মধ্যে রেখেছিল। তবে ওভারডিউ পেমেন্টের চাপ বাড়ায় ব্যাংকগুলোর মধ্যে ডলার সংগ্রহের প্রতিযোগিতা তীব্র হয়েছে। ফলে দরও বেড়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অথরাইজড ডিলারস ফোরামের সভায় দেওয়া নতুন নির্দেশনা এই চাহিদা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    এক বৈঠকে ব্যাংকগুলোকে সাধারণ আমদানি ও ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির সব ওভারডিউ পেমেন্ট দ্রুত পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়ে দেয়, নির্দেশনা না মানলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে রেমিট্যান্স ডলারের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। ফলে গত মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) একদিনেই দর ২০ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে যায়।

    একটি বিদেশি মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের কান্ট্রিহেড দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-কে বলেন, "বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার পর ডলারের বাজার কিছুটা স্থিতিশীল ছিল। তবে গত কয়েক সপ্তাহে তা আবার অস্থির হতে শুরু করেছে।"

    তিনি আরও বলেন, "আমাদের কাছ থেকে ব্যাংকগুলোর ডলার কেনার আগ্রহ অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত কিছু ব্যাংক বেশি দামে রেমিট্যান্স ডলার কিনতে আগ্রাসীভাবে প্রতিযোগিতা করছে। ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে আমি স্বাভাবিকভাবেই বেশি দর দেওয়া চুক্তিটাই গ্রহণ করব।"

    রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের একজন কর্মকর্তা টিবিএস-কে জানান, তারা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ডলার সহায়তা পাচ্ছেন না। পাশাপাশি আন্তঃব্যাংক বাজারেও চাহিদামতো ডলার পাওয়া যাচ্ছে না।

    অন্যদিকে, প্রতিদিনই সরকারি এলসি পরিশোধ করতে হচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক ওভারডিউ পেমেন্ট পরিশোধের চাপ আরও বাড়িয়েছে। ফলে বাধ্য হয়েই ব্যাংকগুলো কিছুটা বেশি দামে রেমিট্যান্স ডলার কিনছে, যাতে এসব শর্ত পূরণ করা যায়।

    একই দর দেওয়ার পরও কিছু ব্যাংক কীভাবে তুলনামূলক বেশি রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে, তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

    একটি বেসরকারি ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাম প্রকাশ না করার শর্তে টিবিএস-কে বলেন, " ইনফ্লো চার্ট দেখলেই বোঝা যায়, কোন ব্যাংকগুলো বেশি দামে রেমিট্যান্স ডলার সংগ্রহ করছে। আমরা ১২২ টাকা রেটে ডলার দিচ্ছি। তবুও রেমিট্যান্স আসছে না। অথচ তুলনামূলকভাবে দুর্বল একটি ব্যাংক একই রেটে আমাদের চেয়ে ৪ থেকে ৫ গুণ বেশি রেমিট্যান্স পাচ্ছে। এই তথ্য বিশ্বাসযোগ্য নয়।"

    তিনি আরও বলেন, "রেমিট্যান্স মার্কেট রেট সেন্সিটিভ (ডলারের রেটের প্রতি সংবেদনশীল)। যে ব্যাংক বেশি দাম দেবে, স্বাভাবিকভাবেই সেখানে বেশি রেমিট্যান্স যাবে।"

    ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের সপ্তাহভিত্তিক রেমিট্যান্স ইনফ্লোর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ব্যাংকিং খাত মোট ১.৬৮ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংকের রেমিট্যান্স প্রবাহে ভিন্ন প্রবণতা রয়েছে। কিছু ব্যাংকের রেমিট্যান্স গত দুই সপ্তাহে কমে গেছে। অথচ কিছু ব্যাংক, যারা আগে সাপ্তাহিক ৩০ থেকে ৪০ লাখ ডলার পেত, তারা সর্বশেষ সপ্তাহে ১.৩ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পেয়েছে।

    ব্যাংকগুলো নির্ধারিত রেটের বেশি অফার করেও কীভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ভুল তথ্য রিপোর্ট করারর সুযোগ পাচ্ছে জানতে চাইলে একাধিক ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত দরের তথ্য গোপন করার জন্য ৪ থেকে ৫টি পদ্ধতি ব্যবহার করে।

    একটি সাধারণ পদ্ধতি হলো, আমদানিকারকদের একত্রিত রেমিট্যান্স প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করা। এই ব্যবস্থায়, আমদানিকারক সরাসরি এগ্রিগেটরদের প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করে এবং আমদানিকারকরাই অতিরিক্ত দাম রেমিট্যান্স হাউজকে আলাদা পেমেন্ট করে দেয়। 

    এছাড়া অন্যান্য পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে, গোপনে অতিরিক্ত রেট পেমেন্ট করা, ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে অতিরিক্ত রেটের অংশটি সাময়িকভাবে জমা রাখা এবং পরবর্তীতে সুবিধাজনক সময়ে তা স্থানান্তর করা। এমনভাবে এগ্রিগেটররা ক্ষতিপূরণ পায়।

    কর্মকর্তারা আরও দাবি করেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক এসব কার্যক্রম সম্পর্কে জানে এবং আগে কিছু ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

    ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ডলারের দর ১২৮ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক ১৩টি ব্যাংককে অতিরিক্ত দামে ডলার কেনার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে ডেকেছিল। এর পর বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়ে ব্যাংকগুলোর ট্রেজারি প্রধানদের ১২৩ টাকার ওপরে রেমিট্যান্স ডলার না কেনার নির্দেশ দেয়।

    এরপর, ডিসেম্বরের শেষ দিকে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে একটি সভা করেন এবং রেমিটেন্স ও রপ্তানিতে সব ব্যাংককে একই দর দেওয়ার নির্দেশ দেন।

    এছাড়া, এগ্রিগেটরদের প্রভাব কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ছোট মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নিয়ম শিথিল করেছে। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসব প্রতিষ্ঠান ১০ হাজার ডলার সিকিউরিটি ডিপোজিট এবং নন-রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি (এনআরএফসি) অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম ব্যালেন্স রাখার বাধ্যবাধকতা ছাড়াই সরাসরি ব্যাংকগুলোর কাছে রেমিট্যান্স ডলার বিক্রি করতে পারবে। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/ সকাল, ৩০ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.