Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সুদহার নির্ধারণে সোফর যুগ শুরু

    জুলাই ১, ২০২৩ ৬:৪২ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    বৈশ্বিক সুদহার নির্ধারণের অন্যতম মাপকাঠি লন্ডন ইন্টার ব্যাংক অফারড রেটের (লাইবর) ব্যবহার গত শুক্রবার শেষ হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রায় ৪০ বছর ধরে চলা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুদহার নির্ধারণের অন্যতম এই মাপকাঠির ইতি ঘটলৈা। এর পরিবর্তে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সিকিউরড ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট (সোফর) নামে নতুন ব্যবস্থা ইতিমধ্যে চালু হয়ে গেছে, যা আজ থেকে পুরোদমে চলছে।

    লাইবরের ওপর নির্ভর করে ব্রিটিশ মুদ্রা পাউন্ড স্টার্লিং, সুইস ফ্রাঁ, ইউরোপের একক মুদ্রা ইউরো, জাপানি ইয়েন ও মার্কিন ডলারে নেওয়া ঋণের সুদহার নির্ধারণ হতো। তবে নতুন সুদহারের মাপকাঠি সোফরের মাধ্যমে শুধু মার্কিন ডলারে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রেই সুদহার নির্ধারিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ লাইবরের সঙ্গে বাড়তি মার্জিন যোগ করে সুদ নির্ধারণ করত। লাইবর পরিবর্তনশীল হওয়ায় মার্জিনে কোনো পরিবর্তন হতো না। সোফরও অবশ্য একই পদ্ধতিতে চলবে।

    এখন থেকে এই মাপকাঠির ওপর ভিত্তি করে আর কোনো লেনদেন হবে না। লাইবর রেট, তথা সুদহার নির্ধারণ হতো বিশ্বের ১১ থেকে ১৮টি ব্যাংক প্রতিদিন টাকা ধার করতে কত সুদ দিত, তার ভিত্তিতে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সুদ দিতে চাওয়া চার ব্যাংক এবং সর্বনিম্ন সুদ দিতে চাওয়া চার ব্যাংকের গড় সুদ নিয়ে লাইবর রেট নির্ধারণ করা হতো। ফলে লাইবর রেট প্রতিদিনই ওঠানামা করত। লাইবর সুদহার নির্ধারণ করত ইন্টার কন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জ। অন্যদিকে সোফর রেট নির্ধারিত হবে আমেরিকান ব্যাংকগুলো এক রাতের জন্য একে অপরকে কত সুদ দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে।

    বৈশ্বিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭০ সালে প্রথম কিছু ব্যাংক লাইবর সুদহার ব্যবহার শুরু করে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এটির ব্যবহার শুরু হয় ১৯৮৬ সালে। এর দুই বছর আগে ১৯৮৪ সালে দ্য ব্রিটিশ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিবিএ) সুদহার চালু করে। এটিই লাইবর নামে যাত্রা শুরু করে। প্রথম দিকে লাইবর দিয়ে শুধু মার্কিন ডলার, জাপানি ইয়েন ও ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিংয়ে লেনদেন হতো। লাইবর প্রথা বাতিলের অংশ হিসেবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকেই লাইবরের ওপর সুদহার নির্ভর করে ঋণ প্রদান বন্ধ করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

    এখন থেকে লাইবর মাপকাঠির ওপর ভিত্তি করে আর কোনো লেনদেন হবে না। তবে লাইবরের পাশাপাশি সুদহার নির্ধারণে বিশ্বে নানা মাপকাঠি চালু রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো ইউরোপে ইউরোপিয়ান ইন্টার ব্যাংক অফারড রেট (ইউরিবোর), জাপানে টোকিও ইন্টার ব্যাংক অফারড রেট (টাইবর), চীনে সাংহাই ইন্টার ব্যাংক অফারড রেট (শিবোর), ভারতে মুম্বাই ইন্টার ব্যাংক অফারড রেট (মাইবর)।

    বিশ্বের প্রায় সব দেশই ১৯৮৬ সাল থেকে লাইবর প্রথা অনুসরণ করে; অর্থাৎ এটির সঙ্গে সমন্বয় রেখে দেশগুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়া-নেওয়া করে আসছে। অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে বাংলাদেশও দীর্ঘ মেয়াদে লাইবরযুক্ত ঋণ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বড় আকারের ঋণ দেওয়া-নেওয়ার ক্ষেত্রে লাইবর প্রথা অন্যতম মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত। লাইবরের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি), এশীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ব্যাংক (এআইআইবি)—এসব আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশ। এর বাইরে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় রাশিয়া, ভারত, কোরিয়া প্রভৃতি দেশ থেকেও লাইবরের মাপকাঠিতে বাংলাদেশ ঋণ নিয়েছে।

    ২০০৮ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার সময় ব্যাংক অব ইংল্যান্ড আইন লঙ্ঘন করে সেই দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে কারসাজির মাধ্যমে লাইবর কমাতে বারবার চাপ দেয়। যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চাপ দেওয়ার এই ঘটনা পরে ফাঁস হয়ে যায়। ফলে ঘটনাটির জেরে ২০১২ সালে চাকরি চলে যায় যুক্তরাজ্যের বার্কলেজ ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী বব ডায়মন্ডের। ঘটনাটি বিশ্বব্যাপী লাইবর কেলেঙ্কারি হিসেবে পরিচিত। এর পর থেকে লাইবর থাকবে, নাকি থাকবে না, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা শুরু হয়। তারই একপর্যায়ে ২০১৭ সালে যুক্তরাজ্যের আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এফসিএ লাইবর প্রথা বাতিল ঘোষণা করে।

    ইন্টারন্যাশনাল এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে লাইবর রেট নির্ধারণে কাজ করছে ১৫টি ব্যাংক। এগুলো হলো ব্যাংক অব আমেরিকার লন্ডন শাখা, বার্কলেস ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এনএর লন্ডন শাখা, কো-অপারেটিভ রবো ব্যাংক, ক্রেডিট অ্যাগ্রিকোল কো-অপারেটিভ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, ক্রেডিট সুইসের লন্ডন শাখা, ডয়েশে ব্যাংকের লন্ডন শাখা, এইচএসবিসি, জেপি মরগ্যান চেজ ব্যাংকের লন্ডন শাখা, লয়ডস ব্যাংক, এমইউএফজি ব্যাংক, রয়্যাল ব্যাংক অব কানাডা, এসএমবিসি ব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল, নোরিনচুকিন ব্যাংক ও ইউবিএস এজি।

    লাইবরের বিকল্প কী—এ চিন্তা মাথায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ ও নিউইয়র্ক ফেডখ্যাত ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক যৌথভাবে বিশ্বখ্যাত বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সঙ্গে নিয়ে ২০১৪ সালে গঠন করে অল্টারনেট রেফারেন্স রেটস কমিটি (এআরআরসি)। এআরআরসিই সিদ্ধান্ত নেয় যে লাইবরের একটি ভালো বিকল্প হতে পারে সিকিউরড ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট (সোফর)। এটি হতে হবে মার্কিন ডলারভিত্তিক ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে। ফোরামটি ২০১৮ সালে এর কার্যক্রম বাড়ায় এবং ২০২১ সালে এসে সোফর কার্যকরে দৃঢ় অবস্থান নেয়। ২০২১ সালের ২২ জুলাই বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের পর্ষদ লাইবরের পরিবর্তে সোফর ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। লাইবরের পরিবর্তে কীভাবে সোফরের ব্যবহার হবে, ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ড গত বছরের ডিসেম্বরে সেই নীতিমালা চূড়ান্ত করে, যা এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ব্যবহার করছে।

    অকা/ব্যাংখা/দুপুর, ০১ জুলাই, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    সুদহার নির্ধারণে সোফর যুগ শুরু

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.