অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কৌশল বাংলাদেশে প্রযোজ্য নয়। বরং উল্টো ফল দেবে বলে মনে করেন বিরোধী দলীয় নেতারা।
সুদহার বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে ২০ ভাগ ঋণ শিল্পের, আর ৮০ ভাগ ঋণ অন্যান্য। অন্যদিকে বাংলাদেশ তার উল্টো চিত্র। শিল্প ঋণ ৮০ ভাগ, আর ২০ ভাগ ঋণ অন্যান্য। এ কারণে বাংলাদেশে সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা কাজে আসবে না। উল্টো ফল দেবে।
২২ মে রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে বেসরকারি সংস্থা উন্নয়ন সমন্বয়ের উদ্যোগে বাজেট অধিবেশন উপলক্ষে আয়োজিত ‘আমাদের সংসদ’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
ব্যাংকের ভিত্তি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর একীভূত করার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। ব্যাংকের অবস্থা খারাপ, এ জন্য একীভূত করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। অবস্থা খারাপ হলে আগে কেন তার ব্যবস্থা নেওয়া হলো না। যে পরিচালকের কারণে ব্যাংকের ক্ষতি হলো, সেই পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তুলনামূলক ভালো ব্যাংকে আবার পরিচালক হিসেবে পাঠানো হচ্ছে।
বাজারে কোনো পণ্যের অভাব নেই। তাহলে দাম বাড়ছে কেন? সঠিকভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বলে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা উল্টো পথে যাচ্ছে। নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের হাতে আমদানি ব্যবস্থা থাকার কারণে বাজারে পণ্য থাকার পরও ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে।
ডলারের দাম একসঙ্গে ৭ টাকা বাড়ানো বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় ক্ষতি। একটি প্রকল্পে কেউ ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে, সকালে উঠে দেখল ডলারের দাম বৃদ্ধির ফলে ৭ কোটি টাকা বেড়ে গেছে। এই সাত কোটি টাকা কোথা থেকে আসে? এটা আমি মনে করি একটি বড় ধরনের অবহেলা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু প্রমুখ। ●
অকা/অখা/ফর/সকাল, ২৩ মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ
সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে
