Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্যহীনতাই ডলার সংকটের কারণ

    ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৪ ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্যহীনতাই ডলার সংকটের কারণ। এ সংকট দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার নেপথ্যে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্যহীনতাকে দায়ী করা হচ্ছে। ডলার আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় সংকট দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। ডলার আয়-ব্যয়ের প্রধান খাত রফতানির চেয়ে আমদানি বেশি। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার হিসাবে ঘাটতি প্রলম্বিত হয়েছে। এতে সংকট বেড়েছে। এ সংকটের টেকসই সমাধানে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও ব্যয়ের মধ্যে সমন্বয় আনা হবে। এর অংশ হিসাবে আমদানি ব্যয় ও রফতানি আয়ের মধ্যে ভারমাস্য আনার পদক্ষেপ থাকবে। এজন্য আমদানিনির্ভর অর্থনীতির আকার কিছুটা হলেও ছোট করা হবে। ফলে আমদানি ব্যয় কমানো ও রফতানি আয় বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বৈদেশিক ঋণের  চাপ কমিয়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার ৭০ শতাংশই আসে রফতানি আয়ের মাধ্যমে। রেমিট্যান্সের মাধ্যমে আসে ২৮ শতাংশ। বাকি ২ শতাংশ আসে বৈদেশিক বিনিয়োগ, ঋণ  ও অন্যান্য খাতে। ব্যয়ের প্রধান খাত হচ্ছে আমদানি। এর বাইরে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ও দেশে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতা পাঠানো।

    গত কয়েক বছর ধরেই বৈদেশিক মুদ্রা আয় ব্যয়ের হিসাবে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হয়েছে। এতে ডলারের চলতি হিসাবে ঘাটতি বেড়েছে। গত ২০২১-২২ অর্থবছরে এ ঘাটতি বেড়ে সর্বোচ্চ এক হাজার ৭০০ কোটি ডলারে উঠেছিল। এর পর থেকে আমদানি নিয়ন্ত্রণ করায় এখন ঘাটতি কমে আসছে। গত অর্থবছরে এ খাতে ঘাটতি কমে দাঁড়িয়েছে ৩৩৪ কোটি ডলারে। চলতি অর্থবছরের জুলাই ডিসেম্বরে ওই ঘাটতি মিটিয়ে ৫৫ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত হয়েছে। তবে ডলারের সার্বিক হিসাবে এখনো ঘাটতি রয়ে গেছে। চলতি হিসাবের ঘাটতি মিটিয়ে উদ্বৃত্ত হলে পর্যায়ক্রমে সার্বিক হিসাবেও ঘাটতি কমে যাবে। 

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান খাত হচ্ছে রফতানি আয় ব্যয়ের প্রধান খাত হচ্ছে আমদানি। এ দুটির মধ্যে ভারসাম্য নেই। রফতানির চেয়ে আমদানি বেশি ৩০ শতাংশ। আগে আরও বেশি ছিল। রফতানির চেয়ে আমদানি ৪৫ শতাংশ বেশি ছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করে আমদানি কমিয়েছে।

    ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত আমদানি বেড়েছে। ওই সময়ে বাজারে ডলারের প্রবাহ বেশি থাকায় আমদানি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ফলে আমদানি বেড়েছে। একই সঙ্গে আমদানিনির্ভর ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে দেশে। 
    ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে ডলার সংকট শুরু হওয়ায় আমদানিতে লাগাম টানা হয়েছে। এতে আমদানিনির্ভর ব্যবসার প্রসার কমতে থাকে। আমদানিতে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণের ফলে এ খাতের ব্যবসায় মন্দা দেখা দিয়েছে। যা এখনো চলমান। ডলার সংকটের টেকসই বা স্থায়ী সমাধানের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা ও ব্যয়ে মধ্যকার ভারসাম্য রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ব্যয়ের খাত কমানো হচ্ছে। আয়ের খাত বাড়ানো হচ্ছে। ব্যয়ের খাতের মধ্যে প্রধান হচ্ছে আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণ নিয়ন্ত্রণ। আয়ের খাতের মধ্যে রফতানি ও রেমিট্যান্স বাড়ানো।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে রফতানি আয় হয়েছিল তিন হাজার ৩৬৭ কোটি ডলার। আগের বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি কমেছিল ১৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। একই বছরে আমদানি ব্যয় হয়েছিল পাঁচ হাজার ৩২৫ কোটি ডলার। আগের বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি কমেছিল ১০ দশমিক ৮৮ শতাংশ। অর্থাৎ আয় কমেছিল বেশি, ব্যয় কমেছে তুলনামূলক কম। ফলে ডলারের ঘাটতি বেড়েছে।

    ২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছিল তিন হাজার ৮৭৬ কোটি ডলার। আগের বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ। একই বছরে আমদানি হয়েছিল পাঁচ হাজার ৭২৬ কোটি ডলার। আগের বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ দশমিক ৫২  শতাংশ বেশি। ওই বছরে আয় বাড়ার তুলনায় ব্যয় বাড়ার হার কমলেও সার্বিকভাবে ঘাটতি ছিল।

    ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছিল পাঁচ হাজার ২০৮ কোটি ডলার। আগের চেয়ে প্রবৃদ্ধি বেশি হয় ৩৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। একই বছরে আমদানি হয় আট হাজার ৩৬৮ কোটি ডলার। আগের চেয়ে প্রবৃদ্ধি হয় ৪৬ দশমিক ১৫ শতাংশ বেশি। এ বছরে আবার আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি বেড়ে যায়। ফলে ঘাটতিও বাড়ে।

    ২০২২-২৩ অর্থবছরে রফতানি হয় পাঁচ হাজার ৫৫৬ কোটি ডলার। আগের বছরের চেয়ে ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি। ওই বছরে আমদানি হয় সাত হাজার ২৮৬ কোটি ডলার। আগের বছরের চেয়ে  ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশ কম। আমদানি নিয়ন্ত্রণের ফলে ব্যয় কমেছে, আয় কিছুটা বেড়েছে।
    গত অর্থবছরের জুলাই ডিসেম্বরে রফতানি হয় দুই হাজার ৭৩১ কোটি ডলার। যা আগের বছরের চেয়ে ১০ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেশি। ওই বছরের একই সময়ে আমদানি হয় চার হাজার ১১৮ কোটি ডলার। যা আগের বছরের চেয়ে ১২ দশমিক ৩৮ শতাংশ কম।

    চলতি অর্থবছরের একই সময়ে রফতানি হয়েছে দুই হাজার ৭৫৪ কোটি ডলার। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি। একই সময়ে আমদানি হয়েছে তিন হাজার ৩৬৮ কোটি ডলার। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে  ১৮ দশমিক ১৯ শতাংশ কম। এভাবে আমদানি রফতানিতে ভারসাম্য আনা হচ্ছে।

    একইভাবে বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার পরিমাণ কমানো হয়েছে, বাড়ানো হয়েছে পরিশোধ। ফলে বৈদেশিক ঋণের স্থিতি কমে এসেছে। এর স্থিতি এক বছরের ব্যবধানে ৯ হাজার ৮০০ কোটি ডলার থেকে কমে ৯ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে নেমেছে। এক বছরে ঋণ কমেছে ৪০০ কোটি ডলার।

    এদিকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে হুন্ডি কমাতে ব্যাংকিং সেবার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। যেসব দেশে হুন্ডি বেশি হচ্ছে ওইসব দেশের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে হুন্ডির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। গত এক বছরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে হুন্ডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় দেশটি থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

    গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে পৌনে ৩ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বরে বেড়েছে প্রায় ৩ শতাংশ।

    অকা/ব্যাংখা/সকাল/৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্যহীনতাই ডলার সংকটের কারণ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.