Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণের সুদে হস্তক্ষেপের চিন্তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

    আগস্ট ৬, ২০২৪ ৫:৩৯ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়ার পর ব্যাংকের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও (এনবিএফআই) সুদহার বাড়াতে শুরু করেছে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কারণ ব্যাংকের চেয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সুদহার বরাবরই বেশি হয়ে থাকে। এমন অবস্থায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণের সুদে হস্তক্ষেপের চিন্তা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ বিষয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি বৈঠকও হয়েছে। বৈঠকে ব্যাংকের সঙ্গে সামঞ্জস্য করে সুদহার কীভাবে নমনীয় সীমায় রাখা যায় সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এক্ষেত্রে রেফারেন্স রেট ঠিক করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সুদে একটা মার্জিন দেয়ার কথা জানানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই মার্জিন ২ শতাংশের মধ্যে রাখা হতে পারে। আগামী এক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথা জানা গেছে।

    জানা যায়, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতির আওতায় ঋণের সুদহার বাড়ানোর পথে হাঁটছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ইতোমধ্যে কয়েক দফা নীতি সুদহার বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আইএমএফের পরামর্শে গত মে মাসের শুরুতে সব ধরনের সুদহার বাজারের ওপর ছেড়ে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ বিষয়ে গত ৮ মে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাজারে ঋণের চাহিদা ও ঋণযোগ্য তহবিলের জোগান সাপেক্ষে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণের সুদহার নির্ধারিত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই ঘোষণার পরই ব্যাংকের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও সুদহার বাড়ানোর প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেছে। সূত্রগুলো বলছে, নানা অনিয়ম, দুর্নীতি আর অব্যবস্থাপনায় চরম দুরবস্থা বিরাজ করছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে।

    আলোচিত প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারের লুটপাটের শিকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কারণে পুরো খাতই আস্থার সংকটে পড়েছে। অন্যদিকে লাগামহীন বাড়ছে খেলাপি ঋণ। এ কারণে হাতেগোনা কয়েকটি বাদে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই তারল্য সংকটে ভুগছে। এমন অবস্থায় নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বেশি সুদের প্রলোভনে কিছু কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমনত সংগ্রহ করছে। আর আমানত সংগ্রহে তহবিল সংগ্রহে খরচ বাড়ায় ঋণ বিতরণেও বেশি সুদারোপ করছে তারা। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরদারিতে আসার পর আগের মতোই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সুদে একটা মার্জিন দেয়ার চিন্তা করছে।

    এ বিষয়ে ১১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজি ছাইদুর রহমান। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে নেতৃত্ব দিন এ খাতের সংগঠন বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিএলএফসিএ) চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার ভূঁইয়া।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্রগুলো বলছে, বৈঠকে ব্যাংকের সর্বোচ্চ সুদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটা রেফারেন্স রেট নির্ধারণ হবে। বর্তমানে বিভিন্ন খাতে ব্যাংকগুলোর সর্বোচ্চ যে সুদ উঠেছে, এ রকম শীর্ষ কয়েকটি ব্যাংকের রেট গড় করে রেফারেন্স রেট ঠিক করা হবে। ওই রেফারেন্স রেট থেকে সর্বোচ্চ ২ শতাংশ মার্জিনে ঋণ দেয়ার সুযোগ পাবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।
    বিএএফসিএর চেয়ারম্যান জানান, আমানতের সুদ বেড়ে গেছে, ট্রেজারি-বিল বন্ডের সুদও ঊর্ধ্বমুখী। তাই এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঋণের সুদ নির্ধারণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, যাতে ঋণগ্রহীতার জন্য বোঝা না হয়। এই সুদ ব্যাংকের চেয়ে একটু বেশি হবে। এই মার্জিনটা ২ শতাংশের মতো রাখার চিন্তা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এটা আগেও ছিল। যদি মার্জিনই দেয়া হয়, তাহলে সুদহার বাজারভিত্তিক থাকবে কীভাবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আসলে নির্দিষ্ট করে কোনো মার্জিন বেঁধে দেয়া হচ্ছে না। শুধু বলা হয়েছে, সামঞ্জস্য করে সুদারোপ করতে, যাতে গ্রাহকের ওপর বোঝা না বাড়ে। ব্যাংক ঋণের সুদ যদি ১২ শতাংশ হয়, আর সেটা যদি আমরা ১৬ শতাংশে দিই, তাহলে আমাদের কাছে গ্রাহক আসবে না।

    ঋণের সুদ তো বাজারভিত্তিক করা হয়েছে গত মে মাসে। তাহলে এত দিন কোন রেট ফলো করে সুদারোপ করেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত মে পর্যন্ত স্মার্ট পদ্ধতির আওতায় একটা রেট ছিল। সেই রেটকে ফলো করেই আমরা ঋণ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ফলে ঋণের সুদ খুব একটা বাড়েনি। জানা যায়, বাজারের ওপর ছাড়ার আগে স্মার্ট’ বা সিক্স মান্থস মুভিং অ্যাভারেজ রেট অব ট্রেজারি বিলের ওপর ভিত্তি করে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের সুদহার নির্ধারিত হতো। গত বছরের ১ জুলাই ওই পদ্ধতি চালু করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ পদ্ধতিতে ছয় মাসের (১৮২ দিন) ট্রেজারি বিলের গড় হার ধরে ঠিক করা হতো রেফারেন্স রেট। ওই পদ্ধতি চালু হওয়ার পর হতে কয়েক দফায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ ও আমানতের সুদহার পুনর্নির্ধারণ করা হয়। গত এপ্রিল থেকে স্মার্ট রেটের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ সুদ যোগ করে ঋণ বিতরণ করার সুযোগ পায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানলো। ওই সময় স্মার্ট রেট ছিল ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ। ফলে এপ্রিল মাসেই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের সুদহার সাড়ে ১৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়।

    এখন বাজারভিত্তিক করার পর কোন কোন প্রতিষ্ঠানের সুদহার ১৭ থেকে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত উঠেছে।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী বলেন, মার্জিন কত হবে সেটা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগে রেফারেন্স রেট ঠিক করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তারপর ওটার ওপর মার্জিন দেয়ার বিষয়টি আসবে। বর্তমান বাস্তবতায় কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই মার্জিনটা আড়াই থেকে ৩ শতাংশের মধ্যে রাখা না গেলে তার পক্ষে সারভাইভ করাটা কঠিন। এজন্য আমাদের সার্বিক কস্ট অব ফান্ড এবং আর কত শতাংশে ঋণ দিলে আমরা সারভাইভ করতে পারব; সেটা বিবেচনায় নেয়ার দাবি জানানো হয়েছে। ●

    অকা/আখা/ই/সকাল, ০৬ আগস্ট, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

     

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    মার্কিন রায়ে শুল্ক-ঝুঁকি কমার ইঙ্গিত, তবে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    কাতারের এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা

    ইইউ বাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.