Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ক্রেডিট কার্ড লিমিট বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ

    মার্চ ১৬, ২০২৬ ৫:৫৩ অপরাহ্ণUpdated:মার্চ ১৬, ২০২৬ ৫:৫৩ অপরাহ্ণ17
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সর্বোচ্চ সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ক্রেডিট কার্ডের সর্বোচ্চ ব্যবহারযোগ্য সীমা আগের ২৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি বিস্তারিত গাইডলাইন প্রকাশ করেছে, যা দেশের সব তফসিলি ব্যাংক ও অনুমোদিত কার্ড ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশে ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী আর্থিক সেবা সহজলভ্য করা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি এবং অনলাইন লেনদেনের বিস্তারের ফলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নীতিমালায় সংশোধন আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

    নতুন নির্দেশনা জারি করতে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১–এর ৪৫ ধারার ক্ষমতা ব্যবহার করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই আইনি কাঠামোর আওতায় আর্থিক খাতে প্রয়োজনীয় নীতিগত পরিবর্তন আনার ক্ষমতা বাংলাদেশ ব্যাংকের রয়েছে। ফলে সংশোধিত এই নির্দেশনা দেশের ব্যাংকিং খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    গাইডলাইনে বলা হয়েছে, নগদ লেনদেনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে একটি স্বচ্ছ ও নিরাপদ নগদবিহীন লেনদেন ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষিত রাখা এবং ডিজিটাল লেনদেনে আস্থা বাড়ানোও এই সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য। নতুন কাঠামোতে কয়েকটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের পুরো প্রক্রিয়াটি আরও নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল হয়।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে এখন ক্রেডিট কার্ড ইস্যুর আগে গ্রাহকের আর্থিক সক্ষমতা ও ঝুঁকি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আরও কঠোর নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। এর মাধ্যমে দায়িত্বশীল ঋণ প্রদান নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত ঋণঝুঁকি থেকে আর্থিক খাতকে সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করা হবে। এতে করে ভবিষ্যতে আর্থিক অস্থিতিশীলতার সম্ভাবনাও কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    একই সঙ্গে গ্রাহকদের অভিযোগ ও বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থাও নতুন করে সাজানো হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার সংক্রান্ত অনিয়ম, প্রতারণা বা লেনদেন নিয়ে কোনো বিরোধ দেখা দিলে তা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সমাধান করার জন্য সংশোধিত প্রক্রিয়া চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ডিজিটাল লেনদেনের পরিবেশ আরও নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।

    এছাড়া সব কার্ড ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানকে ইলেকট্রনিক পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন এবং অনলাইন লেনদেনের ক্ষেত্রে উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা, গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং প্রতারণা প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানিয়েছে, দেশে ইলেকট্রনিক পেমেন্ট অবকাঠামো দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের ফলে ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহারও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে একটি শক্তিশালী এবং হালনাগাদ নিয়ন্ত্রক কাঠামো প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। নতুন গাইডলাইন সেই প্রয়োজন পূরণ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    নীতিমালায় বলা হয়েছে, ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের এই প্রবৃদ্ধি যেন দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতাকে আরও শক্তিশালী করে এবং গ্রাহকদের আস্থা বৃদ্ধি করে—সে লক্ষ্যেই একটি সমন্বিত নিয়ন্ত্রক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই নীতিমালা কার্যকর হলে গ্রাহকদের আস্থা আরও বাড়বে এবং ক্রেডিট কার্ডভিত্তিক লেনদেন ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব হয়ে উঠবে। পাশাপাশি দেশের জাতীয় পেমেন্ট ব্যবস্থাও আরও গতিশীল ও আধুনিক হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। ●

    অকা/ব্যাংখা/ই/দুপুর/১৬ মার্চ, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ, স্বস্তির ইঙ্গিত অর্থনীতিতে

    দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.৮৫ বিলিয়ন ডলার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    বিশ্বকাপে মেসির অনন্য রেকর্ড, স্মরণীয় ১৫ মিনিট

    অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

    গুগলের ৫টি গোপন সার্চ কৌশল

    স্যামসাংয়ের নতুন ৫জি স্মার্টফোন

    ছেলের আত্মহত্যা: ওপেনএআইর বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

    বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল

    প্রযুক্তি নিয়ে প্রচলিত ২৪টি ভুল ধারণা, যেগুলো সত্য নয়

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    শাহজালালে ১৮ কেজি স্বর্ণ জব্দ; নজরদারিতে বিমানের ৪ কর্মকর্তা

    বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক হলেন লোটন একরাম

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল
    উত্তরবঙ্গে হচ্ছে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল

    কাজল মাখা চোঁখের ভাঁজে তিল কণ্যা সঙ্গীতশিল্পী রোক্সার রহমানের জন্মদিন

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    প্রথমবারের মতো নারীর নেতৃত্বে মার্কিন শেয়ারবাজার

    মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ, স্বস্তির ইঙ্গিত অর্থনীতিতে

    দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.৮৫ বিলিয়ন ডলার

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর আনিছুর রহমান

    গ্রাহক মহাসমাবেশের ঘোষণা
    ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.