Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ডলার আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হবে

    জানুয়ারি ২০, ২০২৪ ৭:০৬ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    জুন পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রা বা ডলার আয় কমবে। এর বিপরীতে কঠোরভাবে আমদানি নিয়ন্ত্রণের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার খরচও কিছুটা কমবে। তবে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ ও সেবা খাতে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ বাড়ার চাপ রয়েছে। এসব মিলে ডলার আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার চলতি হিসাবে ঘাটতি থাকবে। ঘাটতির ডলার খরচ করতে হবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে। ফলে রিজার্ভও থাকবে চাপে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার সার্বিক হিসাবেও ঘাটতি থাকবে। তবে দুই খাতেই ঘাটতি আগের চেয়ে কমবে।

    দেশের সার্বিক অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকের জুন পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন চিত্র মিলেছে। এছাড়া বুধবার ঘোষিত মুদ্রানীতি ও অন্যান্য প্রতিবেদনেও আছে এসব তথ্য। 

    জুন পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক সম্পদ কমবে ২ দশমিক ৪ শতাংশ। জুলাইয়ে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪ দশমিক ৭ শতাংশ বাড়ানোর। কিন্তু বৈশ্বিক ও দেশীয় প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে ওই লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন করা হয়েছে। বর্তমান বাস্তবতায় বৈদেশিক সম্পদ বৃদ্ধির হার না বেড়ে বরং বর্তমানের চেয়ে কমে যাবে। এর প্রভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও চাপ বাড়বে। কারণ বৈদেশিক সম্পদ এখনো নিæমুখী। এমনকি আগের চেয়ে এ সম্পদ বেশি হারে কমছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, গত অর্থবছরের নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে নিট বৈদেশিক সম্পদ (রিজার্ভ, স্বর্ণ, রুপা ও অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রা) ছিল ৩ লাখ কোটি টাকার সমপরিমাণ। গত নভেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ। গত অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বরে নিট বৈদেশিক সম্পদ কমেছিল ৪৭ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা কমেছে ৫২ হাজার কোটি টাকার। অর্থাৎ বৈদেশিক সম্পদ আগের চেয়ে ১১ শতাংশ বেশি কমেছে। মূলত ডলারসহ অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রা আয় কমা ও রিজার্ভ থেকে খরচ করার কারণে এ সম্পদ কমছে।

    মুদ্রানীতিতে দেওয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আগাম পর্যবেক্ষণ থেকে দেখা যায়, জুন পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান খাতগুলোর মধ্যে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি কমবে। জুলাইয়ে রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছিল ১০ শতাংশ, এখন তা কমিয়ে করা হয়েছে ৪ শতাংশ। একই সময়ে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার আয় কমে যাবে। এছাড়া ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও ভূ-অর্থনৈতিক দ্বন্দ্ব সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) কমার ক্ষেত্রে প্রভাব রাখছে। গত অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বরে এফডিআই এসেছিল ৭৭ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে এসেছে ৬৯ কোটি ডলার। আলোচ্য সময়ে বিনিয়োগ কমেছে ১১ শতাংশ। অন্যদিকে পোর্টফোলিও বিনিয়োগ তুলে নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। গত অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বরে পোর্টফোলিও বিনিয়োগ তুলে নেওয়া হয়েছিল ১ কোটি ৬০ লাখ ডলার। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে ৩ কোটি ৭০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ওই সময়ে এ ধরনের বিনিয়োগ তুলে নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে ১৩১ শতাংশ। এছাড়া বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের প্রবণতাও কমেছে। এসব কারণে ডলারের প্রবাহ কমবে।

    ডলারের ব্যয়ের প্রধান খাত হচ্ছে আমদানি ব্যয়। ডলার সংকট ও রিজার্ভ সাশ্রয়ে এতে আরও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হচ্ছে। গত অর্থবছরে আমদানি কমেছিল ১৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বরে কমেছে ২১ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে আমদানি বেড়েছিল সাড়ে ৪ শতাংশ। ২০২২ সালের নভেম্বরে আমদানি কমেছিল সাড়ে ৩ শতাংশ। নভেম্বরে কমেছে সাড়ে ২২ শতাংশ। জুলাইয়ে চলতি অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ৮ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। ডলার সংকটের কারণে জুনের মধ্যে এ ব্যয় না বাড়িয়ে বরং আগের চেয়ে ৭ শতাংশ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এসব কারণে আমদানিতে ডলারের খরচ কমবে।

    তবে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে আমদানি খাতের ট্রেড ক্রেডিট ও স্বল্পমেয়াদি ঋণ পরিশোধ বেড়েছে বেশি মাত্রায়। গত অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বরে ট্রেড ক্রেডিট ও স্বল্পমেয়াদি ঋণ বাবদ নিট পরিশোধ করা হয়েছিল ২২ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে পরিশোধ করা হয়েছে প্রায় ৬৫০ কোটি ডলার। আলোচ্য সময়ে ঋণ পরিশোধ বেড়েছে প্রায় ৩০ গুণ। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ঋণও চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি পরিশোধ করতে হবে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রেকর্ড। নতুন ঋণ কম আসা এবং আগের ঋণ পরিশোধের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের চাপের সৃষ্টি করেছে। এর বাইরে বিদেশ ভ্রমণ, চিকিৎসা, পড়াশোনা ও অন্যান্য সেবা খাতের ব্যয় এতদিন নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এখন এসব খাতে চাহিদা বেড়েছে। ফলে আগের চাহিদার সঙ্গে আরও নতুন চাহিদা যোগ হবে। ফলে এসব খাতেও ব্যয় বাড়বে। যে কারণে ডলারের খরচ বেড়ে যাবে। সব মিলে চাহিদা অনুযায়ী ডলার না থাকার কারণে দেশের অর্থনীতিতে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা শিগগিরই কাটছে না।

    এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি ড. মইনুল ইসলাম বলেন, গৃহীত পদক্ষেপের ফলে চট করেই সংকটের সমাধান হবে না। সংকট আরও কিছুটা সময় থাকবে। দক্ষতার সঙ্গে সঠিক পদক্ষেপ নিলে ধীরে ধীরে সংকট কাটবে। এজন্য টাকা পাচার ও হুন্ডি বন্ধ করতে হবে। খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতিতে লাগাম টানতে হবে। পণ্যমূল্যের সিন্ডিকেট বন্ধ করতে হবে। 

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, আমদানি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করায় এবং রপ্তানি আয় কিছুটা বাড়ায় বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি কমতে শুরু করেছে। গত অর্থবছরে এ খাতে ঘাটতি হয়েছিল ১ হাজার ৭১৬ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরে ঘাটতির প্রাক্কলন করা হয়েছে ১ হাজার ২০ কোটি ডলার।

    ডলারের আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় প্রথমেই ঘাটতি তৈরি হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার চলতি হিসাবে। ২০২১-২২ অর্থবছরে এ খাতে রেকর্ড ঘাটতি হয়েছিল ১ হাজার ৮২০ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে এ ঘাটতি কমে দাঁড়ায় ২৬৭ কোটি ডলারে। চলতি অর্থবছরে এ খাতে ঘাটতি প্রাক্কলন করা হয়েছে ৩৩ কোটি ডলার। বৈদেশিক মুদ্রার সার্বিক স্থিতিতে গত অর্থবছরে ঘাটতি ছিল ২০৮ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরে এ খাতে ঘাটতি প্রাক্কলন করা হয়েছে ৬০ কোটি ডলার। অর্থাৎ ঘাটতি কমছে। এ ঘাটতির কারণেই কমছে রিজার্ভ। 

    গত জুলাইয়ের প্রাক্কলন অনুযায়ী আগামী জুনের দেশের গ্রস রিজার্ভ ৩ হাজার ১৫০ কোটি ডলার রাখার কথা; কিন্তু এটি সম্ভব হবে না। সম্প্রতি তা কমিয়ে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলার। অর্থাৎ রিজার্ভ ধারণের লক্ষ্যমাত্রা কমানো হয়েছে ৮ শতাংশ। গ্রস রিজার্ভের চেয়ে বর্তমানে নিট রিজার্ভ প্রায় ৫৫০ কোটি ডলার কম। এ হিসাবে নিট রিজার্ভ রাখার কথা ২ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার। এদিকে আইএমএফ জুনে ২ হাজার ১১ কোটি ডলারের নিট রিজার্ভ রাখার লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছে।

    অকা/ব্যাংখা/সকাল/২০ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    ডলার আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হবে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.