Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ১৬ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ফিরে আসেনি শেয়ারবাজারের হারানো সুদিন

    মার্চ ২৬, ২০২৩ ১০:৫২ পূর্বাহ্ণUpdated:মার্চ ২৬, ২০২৩ ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    সময়ের পরিক্রমায় দেশের শেয়ারবাজারের কলেবর বেড়েছে। বাজারে প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান। সেইসঙ্গে এসেছে নতুন পণ্য। তারপরও শেয়ারবাজারের হারানো সুদিন ফিরে আসেনি। বরং দিন যত যাচ্ছে বিনিয়োগকারী ও বাজারসংশ্লিষ্টদের আতঙ্ক ততো বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরা ভুগছেন পুঁজি হারানোর আতঙ্কে। ব্রোকারেজ হাউজের কর্মীরা ভুগছেন ছাঁটাই আতঙ্কে।

    সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ব্রোকারেজ হাউজগুলোর সব থেকে ভালো সময় কেটেছে ২০০৯ ও ২০১০ সালে। ২০১০ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রতিদিন গড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার মতো লেনদেন হতো। ফলে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর আয় ছিল বেশ। বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতিতে জমজমাট থাকতো প্রতিটি ব্রোকারেজ হাউজ।

    কিন্তু ২০১০ সালের মহাধসের পর শেয়ারবাজারে লেনদেনে ভাটা পড়ে। ফলে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর আয় মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। কয়েক মাস ধরে শেয়ারবাজারে যে লেনদেন হচ্ছে তা দিয়ে ব্রোকারেজ হাউজের খরচের টাকাই ঠিকমতো উঠছে না। অনেক ব্রোকারেজ হাউজ মালিককে কর্মীদের বেতন পরিশোধ করতে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।

    ব্রোকারেজ হাউজ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক এক ব্রোকারেজ হাউজের খরচ এক এক রকম। বড় হাউজের খরচ বেশি। ছোট হাউজের খরচ তুলনামূলক কম। আর ব্রোকারেজ হাউজগুলোর আয়ের একমাত্র উৎস লেনদেন থেকে পাওয়া কমিশন। সেক্ষেত্রে বড় একটি হাউজের খরচের টাকা তুলতে কমপক্ষে একশ’ কোটি টাকার লেনদেন হওয়া উচিত। কিছু হাউজে ১০-১৫ কোটি টাকা লেনদেন হলেও খরচের টাকা উঠে আসে।

    তাদের অভিমত, সার্বিক বাজারে যদি লেনদেন দেড় হাজার কোটি টাকার ওপর থাকে, তাহলে অধিকাংশ ব্রোকারেজ হাউজ ব্রেক ইভেন্ট পয়েন্টে থাকতে পারে। এর নিচে লেনদেন হলে অধিকাংশেরই লোকসান গুনতে হয়। মাঝে লেনদেন কিছুটা বাড়লেও গত বছরের নভেম্বরের পর আর হাজার কোটি টাকার লেনদেনের দেখা মেলেনি। কয়েক মাস ধরে যে লেনদেন হচ্ছে, তাতে প্রায় প্রতিটি ব্রোকারেজ হাউজকেই লোকসান গুনতে হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জনা গেছে, ২০০৯-২০১০ সালে শেয়ারবাজার রমরমা হয়ে ওঠায় ব্রোকারেজ হাউজগুলো তাদের কর্মী এবং শাখার সংখ্যা বাড়ায়। কিন্তু ২০১০ সালের ধসের পর দীর্ঘদিন শেয়ারবাজারে মন্দা থাকায় এবং ২০২০ সালে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ প্রকট হওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাঁটাই করে।

    নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০২০ সালের শেষ দিকে বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায়। লেনদেনের গতি বাড়ার পাশাপাশি মূল্যসূচকের পালে হাওয়া লাগে। দীর্ঘদিন পর লাভের মুখ দেখতে থাকেন বিনিয়োগকারীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্রোকারেজ হউজগুলোও তাদের শাখা বাড়ায়।

    ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ডিএসইর ট্রেকহোল্ডারদের প্রধান কার্যালয় ২৮৭টি, যা ২০২০ সালে ছিল ২৪২টি। এর সঙ্গে বর্তমানে এক্সটেনশন অফিস আছে ৪৯৫টি, যা ২০২০ সালে ছিল ৪২৫টি। শাখা অফিস আছে ৬৭৭টি, যা ২০২০ সালে ৬২৯টি। অর্থাৎ গত তিন বছরে ট্রেকহোল্ডারদের প্রধান কার্যালয়, এক্সটেনশন অফিস এবং শাখা অফিসের সংখ্যা বেড়েছে। সেই সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল বুথ। বর্তমানে ডিজিটাল বুথ আছে ১৬৬টি।

    ডিএসইর ট্রেকহোল্ডার প্রতিষ্ঠান বা ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে কী পরিমাণ কর্মী আছে তার সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে কর্মীর সংখ্যা ১২-১৫ হাজারের মতো হতে পারে। এই সংখ্যা ২০১০ সালের তুলনায় কম। ২০১০ সালের দিকে ব্রোকারেজ হাউজেগুলোতে ১৮-২০ হাজার কর্মী ছিল।

    এদিকে এক্সটেনশন ও শাখা অফিসের সংখ্যা বাড়লেও ভালো নেই ব্রোকারেজ হাউজের কর্মীরা। একটি হাউজের ট্রেডিংয়ের দায়িত্ব পালন করা শুভ নামের একজন বলেন, ব্রোকারেজ হাউজের কর্মীদের ভালো থাকা নির্ভর করে বাজারের লেনদেনের ওপর। লেনদেন ভালো হলে ব্রোকারেজ হাউজের আয় ভালো হয়। তখন মালিক ভালো থাকে, কর্মীরাও ভালো থাকে।

    তিনি বলেন, মাঝে শেয়ারবাজার ভালো হওয়ার আভা পাওয়া গিয়ে ছিল। লেনদেন বেড়ে দুই হাজার কোটি টাকা হয়ে যায়। তখন বাজারে নতুন নতুন বিনিয়োগকারী এসেছে। এক বছরের বেশ সময় ধরে বাজারে মন্দা চলছে। ব্রোকারেজ হাউজের আয় কমে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই আমরা আতঙ্কে আছি। এর আগে ২০১০ সালের ধসের পর এবং মহামারি করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর দু’দফায় কর্মী ছাঁটাই দেখেছি। বাজার এখন যেভাবে চলছে, এভাবে চললে যেকোনো সময় আবার ছাঁটাই হতে পারে।

    শাকিল রিজভী সিকিউরিটিজের এক কর্মী বলেন, কয়েক মাস ধরে বাজারের যে চিত্র তাতে বিনিয়োগকারী, ব্রোকারেজ হাউজ সংশ্লিষ্ট কেউ ভালো নেই। বিনিয়োগকারীরা পুঁজি হারানোর আতঙ্কে ভুগছেন। আর আমরা চাকরি নিয়ে আতঙ্ক আছি। কয়েক মাস ধরে যে লেনদেন হচ্ছে, তাতে অফিসের খরচের টাকাই আসছে না। এরপরও আমাদের কারও বেতন আটকায়নি। কিন্তু মালিক এভাবে কতোদিন লোকসান দেবে? যদিও মালিকপক্ষ কিছু বলছে না, তারপরও কর্মীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক রয়েছে।

    ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) সভাপতি রিচার্ড ডি রোজারিও বলেন, কর্মীদের আতঙ্কে ভোগাটাই স্বাভাবিক। লেনদেনের কমিশন ব্রোকারেজ হাউজগুলোর আয়ের একমাত্র উৎস। লেনদেন ধারাবাহিকভাবে কমছে। লেনদেন না হলে ব্রোকারেজ হাউজ টিকবে কীভাবে। পাশাপাশি ব্রোকারেজ হাউজগুলোর খরচ অনেক বাড়ছে। ব্রোকারেজ হাউজের লাইসেন্স নবায়নসহ বিভিন্ন খরচ অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এতে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর অবস্থা খারাপ এটা স্বাভাবিক।

    তিনি বলেন, মাঝে কিছু শাখা বেড়েছে, এর কারণ বর্তমান কমিশন আসার পর সবাই একটু আশাবাদী হয়েছিল। লেনদেন ৫-১০ হাজার কোটি টাকা হয়ে যাবে এমন আশার কথা আমরা শুনেছি। বিদেশি অনেকগুলো রোড শো হয়েছে। সবকিছু মিলে ব্রোকাররা আশা করছিল হয়তো বাজারের আকার বড় হবে, ট্রেডিং বেশি হবে। এ কারণে শাখা অফিস করেছে। এখন আবার দেখছে অবস্থা ভালো না। শুনছি অনেকে এক্সটেনশন ও শাখা অফিস কমিয়ে ফেলার চিন্তাভাবনা করছে।

    তিনি আরও বলেন, সামনে ঈদ আসছে। এই ঈদে কর্মীদের বেতন-বোনাস কীভাবে দেবো তা আমরা নিজেরাই জানি না। খুবই খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা। কর্মীরা নিজেরাই দেখছে, ব্যবসা হচ্ছে না।

    বেশিরভাগ ব্রোকারেজ হাউজ ব্রেক ইভেন্ট পয়েন্টে থাকতে হলে প্রতিদিন শেয়ারবাজারে কী পরিমাণ লেনদেন হওয়া উচিত? এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এক এক ব্রোকারেজ হাউজের খরচ একেক রকম। যে হাউজ যতবড় তার খরচ ততো বেশি। কোনো কোনো হাউজে ১০-১২ কোটি টাকা লেনদেন হলেই ব্রেক ইভেন্ট পয়েন্টে চলে আসে। আবার বড় ব্রোকারেজ হাউজের ব্রেক ইভেন্ট পয়েন্টে যেতে একশ’ কোটি টাকার লেনদেন লাগে। তবে আমার ধারণা সার্বিক বাজারে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার লেনদেন হলে অধিকাংশ ব্রোকারেজ হাউজ ভালো থাকে। এর নিচে লেনদেন হলে মনে হয় না কোনো ব্রোকারেজ হাউজ ভালো অবস্থানে থাকে।

    অকা/পুঁবা/সকাল,২৬ মার্চ, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    ফিরে আসেনি শেয়ারবাজারের হারানো সুদিন

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    আস্থা সংকটে পুঁজি বাজার – সংস্কার ছাড়া স্থিতিশীলতা অনিশ্চিত

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    স্থবির শেয়ার বাজারে তলানিতে সরকারি রাজস্ব

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের পথে অগ্রগতি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ঈদের আগেই ছয় প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন শুরু
    এনবিএফআই খাতে অবসায়নের পথে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    মার্কিন রায়ে শুল্ক-ঝুঁকি কমার ইঙ্গিত, তবে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে

    অতিমূল্যায়িত অবকাঠামো ও ঋণঝুঁকির সতর্কবার্তা

    ইউরোপে মূল্যচাপে বাংলাদেশের পোশাক খাত

    এডিপিতে নজিরবিহীন ধীরগতি

    এক দিনের মধ্যেই জেনিথ ইসলামী লাইফের মৃত্যুদাবীর চেক পরিশোধ

    এলপি গ্যাসে ভ্যাট কমলো – দামে স্বস্তির ইঙ্গিত

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.