Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ১১ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা নির্মাণে পোশাক শিল্প

    নভেম্বর ২৫, ২০২১ ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অমিত কে বিশ্বাস ●

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পথে বাংলাদেশ এরই মধ্যে প্রবেশ করেছে উন্নয়নের মহাসড়কে। আর এই উন্নয়নের ধারায় যে শিল্প খাতটি বিগত বছরগুলোতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখে চলেছে  তৈরি পোশাক শিল্প।

    অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি উন্নয়নের গতি ধরে রাখতে ও সবচেয়ে বেশি নির্ভরযাগ্য শিল্প খাত হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত আমাদের পোশাক শিল্প। এই পোশাক শিল্পই বদলে দিয়েছে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থানকে । যদিও রফতানিমুখী পোশাক শিল্প খাতের উন্নয়নে সরকার ও শিল্প সংশ্লিষ্ট  সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও নীতি নির্ধারণী  ফোরামের  আরো বেশি আন্তরিক এবং সচেষ্ট হওয়া সময়ের দাবি।

    বাংলাদেশ দেশ হিসেবে কৃষিপ্রধান হলেও তৈরি পোশাক শিল্প নির্ভর রফতানি বাণিজ্যের দেশ হিসেবেও বিশ্ব দরবারে অভূতপূর্ব খ্যাতি অর্জন করেছে। রফতানি নির্ভর পোশাক শিল্পখাতের মাধ্যমে বেকার সমস্যা সমাধান, কর্মসংস্থান, নারী কর্মসংস্থান সর্বোপরী অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই শিল্পের অবদান দুর্দান্ত এবং উৎসাহজনক।

    বিশ্ব বাজারে বেশ আগে থেকেই বাংলাদেশ পোশাক শিল্পের হাত ধরে ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। অতীতের যে কোনো সময়ের চাইতে নিঃসন্দেহে বর্তমান সরকারের আমলে এই শিল্প খাতের এগিয়ে যাওয়ার গতি অনেক বেশি। গুরুত্বপূর্ণ এই খাতে অভূতপূর্ব অগ্রগতি আর সাফল্যের নেপথ্যে সরকারের আন্তরিক অবদান প্রসারিত দাবি রাখে।

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প যাত্রা শুরু করে ষাটের দশকে। তবে সত্তরের দশকের শেষের দিকে উন্নয়ন ঘটতে থাকে। বাংলাদেশে পোশাক শিল্পের যাত্রা শুরু ষাট’র দশকে। মুক্তিযুদ্ধের অনেক আগেই গোড়াপত্তন হলেও সার্বভৌমত্ব লাভের পর থেকেই মূলত রফতানিমুখী খাত হিসেবে এই শিল্পের বিকাশ ঘটেছে। স্বাধীনতার চারদশকে পোশাক শিল্প খাতে বিস্ময়কর উত্থান ঘটেছে। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রফতানিমুখী শিল্প খাত। দেশে প্রথম  পোশাক কারখানা ঢাকার উর্দু রোডের রিয়াজ গার্মেন্টস। শুরুতে রিয়াজ গার্মেন্টস’র উৎপাদিত পোশাক স্থানীয় বাজারেই শুধু বিক্রি হতো। রিয়াজ গার্মেন্টস ছিলো পথ  প্রদর্শক, যেটি ঢাকায় রিয়াজ স্টোর নামে ছোট একটি দর্জিও কারখানা হিসেবে ১৯৬০ সালে কাজ শুরু করে। এরকম চারটি ছোট পুরাতন কারখানার নাম রিয়াজ গার্মেন্টস, প্যারিস গার্মেন্টস, জুয়েল গার্মেন্টস এবং বৈশাখী গার্মেন্টস। কিন্তু দেশ গার্মেন্টসকে প্রথম গার্মেন্টস বলা হয়। কেননা দেশ গার্মেন্টস প্রথম ১০০% রফতানিমুখী গার্মেন্টস। রিয়াজ গার্মেন্টস তখন দেশের চাহিদাও মেটাত, সেই সঙ্গে সীমিত পরিসরে বিদেশেও পোশাক রফতানি করত। স্বাধীনতার আগে যাত্রা শুরু হলেও বাংলাদেশে মূলত ৭০’র দশকে অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশে তৈরি শিল্প খাতের বিকাশ ঘটে। তৈরি পোশাক রফতানির যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৬-৭৭ অর্থ বছরে। মাত্র ৭ হাজার মার্কিন ডলার রফতানি হয়েছিলো সেই বছর।

    সাহসী উদ্যোক্তা এবং সরকারি  পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে পরবর্তী দেড় দশকে খাতটির তেমন অগ্রগতি হয়নি। গার্মেন্টস প্রস্তুতকারক ও গার্মেন্টস রফতানিকারক দেশ হিসেবে প্রকৃতপক্ষে ১৯৮১-৮২ সালে ০.১ বিলিয়ন ডলার তৈরি পোশাক রফতানি করে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের পথচলা শুরু হয়।

    পরে ১০ বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি পরিমাণ ১,৪৪৫ মিলিয়ন ইউএস ডলারে উন্নীত হয়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দিন দিন বেড়েছে পোশাক রফতানি পরিমাণ। ১৯৮৯-৯০ অর্থবছরে আয় হয়েছিলো মাত্র ৬২ কোটি ডলার। প্রথমে একদল নবীন উদ্যোক্তা এই খাতে বিনিয়োগ শুরু করে। ফলে পরে ৫ বছরে রফতানি আয় বেড়ে যায় কয়েকগুন। ১৯৯৪-৯৫ অর্থ বছরে তৈরি পোশাক রফতানি আয় ২২৩ কোটি ডলারে পৌঁছে।

    নব্বই’র দশকে পোশাক শিল্প খাতে শ্রমিক হিসেবে নারীদের অন্তর্ভূক্তিতে বেশ গতিশীল হয়ে ওঠে গার্মেন্টস শিল্প। নারী পোশাক শ্রমিকের কর্মমুখরতায় নব্বই’র দশকে এই শিল্প খাতের সম্প্রসারণ ঘটেছে বার্ষিক প্রায় ২২ শতাংশ হারে। তৈরি পোশাক শিল্প খাত শুধুমাত্র যে জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে, তা নয়। বরং, একই সঙ্গে শিল্পটি যেন টেকসই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিকাশ লাভ করে, সে ব্যাপারেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ, বিকেএমইএ), পোশাক শিল্পের মুখপাত্র সংগঠন, পোশাক খাতে উৎপাদনের পরিবেশগত প্রভাব কমাতে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

    বাংলাদেশকে বিশ্বের সর্বোচ্চ সংখ্যক সবুজ কারখানার আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তুলতে সবুজ শিল্পায়নে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য বিজিএমইএ ‘২০২১ ইউএসজিবিসি লিডারশীড এ্যাওয়ার্ড’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছে। বিজিএমইএ জাতিসংঘের জলবায়ুু পরিবর্তন বিষয়ক উদ্যোগ, ‘ফ্যাশন ইন্ডাষ্ট্রি চার্টার ফর ক্লাইমেট একশন’ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এতে ২০৩০ সালের মধ্যে জিএইচজি (গ্রীন হাউজ গ্যাস) নিঃসরণ ৩০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য রয়েছে।

    বিগত বছর করোনাভাইরাস মহামারী শুরু হলে, জননেত্রী শেখ হাসিনা এই পোশাক শিল্পের জন্য সরকারি প্রণোদনা ঘোষণা করেন। সময়োপযোগী এই প্রণোদনা প্রাপ্তির মাধ্যমে গার্মেন্টস মালিকেরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের গার্মেন্টস খোলা রাখে। যার ধারাবাহিকতায় বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি কার্যক্রম চলমান থাকে এবং বিশ্ব বাজারে ক্রেতাদের কাছ থেকে অর্ডার বাতিল হয়ে গেলেও, পরে সেই অর্ডারগুলো ধীরে ধীরে আবার দেশে ফেরত আসতে থাকে। বর্তমানে উৎপাদনমুখী পোশাক কারখানাগুলো আশাবাঞ্জকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

    বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস রিভিউ ২০২১ প্রতিবেদন, ২০২০ সালে বাংলাদেশ ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি করেছে। সেই সঙ্গে ২০২০ সালে বিশ্বে যত পোশাক রফতানি হয়, তার মধ্যে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ ছিল বাংলাদেশি পোশাক। বিজিএমইএ’র তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে তৈরি পোশাক খাতে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার কারখানায় কাজ করে। নিত্য নতুন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দুরন্ত গতিতে এগিয়ে যাওয়া পোশাক খাতে সংশ্লিষ্টরা উজ্জল ভবিষ্যৎ দেখছেন। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের এ উজ্জ্বল ভবিষ্যতকে কাজে লাগিয়ে প্রত্যাশিত স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পথে দৃপ্তপ্রায়ে এগোবে বাংলাদেশ। ●

    লেখক প্রকাশক ও সম্পাদক, দ্যা অ্যাপারেল নিউজ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ব্যাংক ও বীমার নিরাময়

    হরমুজ প্রণালী ও বাংলাদেশের ভবিষ্যত

    তালের অর্থনীতি ও বজ্রপাত মোকাবেলা

    অর্থনৈতিক সাশ্রয়- টবে কাঁচা মরিচ উৎপাদন

    অপ্রয়োজনীয় সার ব্যবহারে আলুর উৎপাদনে ক্ষতি

    বৈদেশিক বাণিজ্যে ডলার বনাম দুদেশের মুদ্রা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে কাঁচামাল সংকট, চাপে প্লাস্টিক-জিআই বাজার

    ঈদের ছুটিতেও ব্যস্ত চট্টগ্রাম বন্দর

    প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ এর সঙ্গে ভিএ টেক ওয়াবাগ লিমিটেডের চুক্তি স্বাক্ষর

    ক্রেডিট কার্ড লিমিট বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ

    ঈদ আগেই রেমিট্যান্সে জোয়ার

    ব্যাংক ও বীমার নিরাময়

    আমদানি বাড়লেও রমজানে ফলের দাম কেন কমছে না

    ব্লু-চিপ শেয়ারে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন আগ্রহ

    আতঙ্কে কেনাকাটা, বাজারে তেল–চিনির চাপ

    শেয়ারবাজারে নারীর আগ্রহ কমছে

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দাম বাড়াচ্ছে ব্যাংকগুলো

    ঈদ কেনাকাটায় ফ্রিজ বিক্রিতে উচ্ছ্বাস – ক্রেতার পছন্দে ওয়ালটনের আধিপত্য

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও তেলের দামে বাংলাদেশের নতুন মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা

    দুদকের জালে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
    এমডি ফরমান ও রাফাত উল্লাহের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগ (১ম পর্ব)

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কায় তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াল

    মজুত থাকলেও খাতুনগঞ্জে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে কেন?

    কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পুরস্কার অর্জন

    ব্যাংক ঋণে ঢাকার আধিপত্য, দুই বিভাগেই প্রায় ৮৭ শতাংশ

    এলপি গ্যাস বাজারে অস্থিরতা, চড়া মূল্য দিচ্ছেন ভোক্তারা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.