অর্থকাগজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ডের পরীক্ষামূলক কর্মসূচি স্থায়ী করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। নতুন এই নিয়মের আওতায় ৫০টি দেশের নাগরিকরা পড়বেন, যার মধ্যে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানও রয়েছে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ভিসা বন্ডের ফি বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

শুক্রবার ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত খসড়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এক বছরের পর্যালোচনায় ভিসা বন্ড কর্মসূচির কার্যকারিতার পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া গেছে। নতুন নিয়ম সোমবার থেকে চূড়ান্তভাবে কার্যকর হবে। ভবিষ্যতে এ তালিকায় আরও দেশ যুক্ত হতে পারে।

পরীক্ষামূলক কর্মসূচির আওতায় ভিসা বন্ডের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার, যা কনস্যুলার কর্মকর্তার বিবেচনায় নির্ধারিত হতো। নতুন নিয়মে সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ ২০ হাজার ডলারে উন্নীত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৫ হাজার ডলারের বিকল্প বাতিল করে ১০ হাজার ও ২০ হাজার ডলার এই দুটি পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই নিয়ম বি-১ (ব্যবসায়িক) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের ভিসা সাক্ষাৎকারের আগে নির্ধারিত বন্ড জমা দিতে হবে। ভিসা না পেলে ওই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। আর ভিসা পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে ভিসার শর্ত মেনে চললেও বন্ডের অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে।

ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান কমাতে বৃহত্তর অবৈধ অভিবাসনবিরোধী উদ্যোগের অংশ হিসেবে গত বছরের আগস্টে ট্রাম্প প্রশাসন এই কর্মসূচি চালু করেছিল। কর্মকর্তাদের হিসাবে, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থানকারী একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে সরকারের প্রায় ১৮ হাজার ডলার ব্যয় হয়।

আফ্রিকার বেশিরভাগ দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানও নতুন নিয়মের আওতায় রয়েছে। ফলে এসব দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক ও পর্যটন ভিসার ক্ষেত্রে ভিসা বন্ড এখন আর পরীক্ষামূলক নয়, বরং স্থায়ী শর্ত হিসেবে কার্যকর হবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়মিত ভ্রমণকারী বা ভবিষ্যতে ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকা অঞ্চলটির শিক্ষার্থী, কর্মী ও পরিবারগুলোর ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

সর্বশেষ হালনাগাদ 9 hours আগে

Leave A Reply

Exit mobile version