Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ বেড়েই চলেছে

    নভেম্বর ৮, ২০২৩ ৪:২৯ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ বেড়েই চলেছে। গত কয়েক বছরে দ্রæত বেড়েছে এ ঋণের পরিমাণ। এতে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতেও দ্রæত বাড়ছে বিদেশি ঋণ। সরকারি-বেসরকারি উভয় খাতেই বিদেশি ঋণ নেয়ার প্রবণতা বাড়ায় সুদ ও আসল উভয় পরিশোধের চাপও বাড়ছে।
    বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে (এলডিসি) বাংলাদেশের সরকারি ও সরকারের (সভরেন) গ্যারান্টিযুক্ত বিদেশি ঋণ সবচেয়ে বেশি। এলডিসিভুক্ত ৪৬ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের কাছাকাছি কেউ নেই। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আঙ্কটাডের ‘দ্য লিস্ট ডেভেলপড কান্ট্রিজ রিপোর্ট ২০২৩’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল বিশ্বব্যাপী প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।
    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ বর্তমানে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় আছে। জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট (সিডিপি) ২০২১ সালে বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণের সুপারিশ করে। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে পুরোপুরি বের হয়ে যাবে। একই বছর লাওস ও নেপাল এলডিসি থেকে বের হবে।
    প্রতি বছর এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর অর্থনীতির সার্বিক অবস্থা মূল্যায়ন করে আঙ্কটাড। গতকাল এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে এলডিসিভুক্ত ৪৬টি দেশের ২০২১ সাল শেষে সরকারি ও সভরেন গ্যারান্টিযুক্ত বিদেশি ঋণের চিত্র এবং এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে।
    প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ২০২১ সাল শেষে বাংলাদেশের সরকারি ও সভরেন গ্যারান্টিযুক্ত বিদেশি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ৪২৫ বিলিয়ন ডলার, ২০২০ সাল শেষে যা ছিল ৫৪ দশমিক ৭৮৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরে বাংলাদেশের সরকারি ও সভরেন গ্যারান্টিযুক্ত বিদেশি ঋণ বেড়েছে সাত দশমিক ৬৩৮ বিলিয়ন ডলার বা ১৩ দশমকি ৯৪ শতাংশ। সরকারি ও সভরেন গ্যারান্টিযুক্ত বিদেশি ঋণ বাড়ার হার ২০২১ সালেই ছিল সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১৯ সালে বাংলাদেশের সরকারি ও সভরেন গ্যারান্টিযুক্ত বিদেশি ঋণ ছিল ৪৬ দশমিক ৩৭৬ বিলিয়ন ডলার।
    এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সরকারি ও সভরেন গ্যারান্টিযুক্ত বিদেশি ঋণ অ্যাঙ্গোলার। দেশটির ঋণের পরিমাণ ৪৬ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ইথিওপিয়ার এ ঋণের পরিমাণ ২৮ দশমিক ১৭১ বিলিয়ন ডলার। চতুর্থ অবস্থানে থাকা তানজানিয়ার সরকারি ও সভরেন গ্যারান্টিযুক্ত বিদেশি ঋণ ১৮ দশমিক ৯১৭ বিলিয়ন ডলার ও পঞ্চম অবস্থানে থাকা সুদানের ১৫ দশমিক ৩০৫ বিলিয়ন ডলার। এলডিসিভুক্ত অন্য দেশগুলোর এ ধরনের ঋণ আরও কম।
    আঙ্কটাডের তথ্যমতে, জিডিপির তুলনায়ও বাংলাদেশের সরকারি ও সভরেন গ্যারান্টিযুক্ত বিদেশি ঋণ সর্বোচ্চ। ২০২১ সালে বাংলাদেশের এ ধরনের ঋণ দাঁড়িয়েছে জিডিপির ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ। অ্যাঙ্গোলার সরকারি ও সভরেন গ্যারান্টিযুক্ত বিদেশি ঋণ জিডিপির ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ, ইথিওপিয়ার আট দশমিক ৪ শতাংশ, তানজানিয়ার পাঁচ দশমিক ৬ শতাংশ ও সুদানের পাঁচ শতাংশ। এলডিসিভুক্ত অন্য দেশগুলোর এ ধরনের ঋণ জিডিপির পাঁচ শতাংশেরও কম।
    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের দুই-তৃতীয়াংশ সরকারি ও সভরেন গ্যারান্টিযুক্ত বিদেশি ঋণই বহুপাক্ষিক উৎস থেকে নেয়া। তবে এলডিসিভুক্ত কয়েকটি দেশের জন্য বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে। বিশেষত ২০১৯-২০২১ সাল পর্যন্ত কয়েকটি দেশের সরকারি ব্যয়ের গড়ে ১০ শতাংশের বেশি গেছে বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধে। এদের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল অ্যাঙ্গোলার ৩৩ শতাংশ ও বাংলাদেশে ২২ শতাংশ।
    এদিকে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ পরিশোধের (ডেট সার্ভিসিং) চাপও বাড়ছে। ২০২০ সালে ডেট সার্ভিসিংয়ের পরিমাণ ছিল দুই দশমিক ০১৪ বিলিয়ন ডলার। ২০২১ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই দশমিক ৭৭২ বিলিয়ন ডলার।
    উল্লেখ্য, ২০১০ সালে বাংলাদেশের সরকারি ও সভরেন গ্যারান্টিযুক্ত বিদেশি ঋণ ছিল ২১ দশমিক ১৪৬ বিলিয়ন ডলার। ২০১১ সালে তা বেড়ে হয় ২২ দশমিক ২১৮ বিলিয়ন ডলার, ২০১২ সালে ২৪ দশমিক ১৯৭ বিলিয়ন ডলার, ২০১৩ সালে ২৫ দশমিক ০৩৪ বিলিয়ন ডলার, ২০১৪ সালে ২৬ দশমিক ৫৩৮ বিলিয়ন ডলার, ২০১৫ সালে ২৭ দশমিক ০৯৪ বিলিয়ন ডলার, ২০১৬ সালে ২৯ দশমিক ০৮০ বিলিয়ন ডলার, ২০১৭ সালে ৩৫ দশমিক ২৫৬ বিলিয়ন ডলার এবং ২০১৮ সালে ৪১ দশমিক ২৮৫ বিলিয়ন ডলার।
    অকা/ব্যাংখা/ সকাল/০৮ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ বেড়েই চলেছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.