অর্থকাগজ প্রতিবেদন>

বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও এর প্রভাব পড়েনি বিবিএসের পরিসংখ্যানে। উল্টো সংস্থাটি দাবি করেছে, জুলাই মাসে দেশের মূল্যস্ফীতির হার কমেছে।

মঙ্গলবার কনজুমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই) প্রতিবেদনে বিবিএস জানিয়েছে, গেল জুন মাসে যেখানে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ, সেখানে জুলাইয়ে এ হার কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে। এ ছাড়া খাদ্য পণ্যে জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা জুনে ছিল ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ।

আর খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রাম ও শহর সবখানেই কমেছে মূল্যস্ফীতি। তবে সামান্য বেড়েছে মজুরি হার।

বিবিএসের হিসাব বলছে, জুলাই মাসে শ্রমিকের মজুরি হার সামান্য বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২২ শতাংশ, যা জুনে ছিল ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ। এ ছাড়া কৃষি খাতে মজুরি হার বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ, যা জুনে ছিল ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। শিল্প খাতে মজুরি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ১১ শতাংশ। এ ছাড়া সেবা খাতে মজুরি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ, যা জুনে ছিল ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

বিবিএসের প্রতিবেদনে মূলস্ফীতি কমলেও বাজারে গিয়ে পণ্য ক্রয়ে হিমশিম খাচ্ছেন ভোক্তারা। তাদের দাবি, একদিকে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে, অন্যদিকে বেড়েছে চাল-ডাল ও শাকসবজিসহ সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম। এ অবস্থায় বিবিএসের মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

মঙ্গলবার পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি এসডিজি সন্মেলনে বলেছেন, বিবিএসের তথ্য-উপাত্তের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হলো কোনো তথ্য ম্যানিপুলেশন করা যাবে না। মাঠপর্যায় থেকে প্রকৃত যে তথ্য পাওয়া যাবে তা-ই প্রকাশ করতে হবে। তবে হালনাগাদ তথ্য পেতে আমরা জিডিপির ভিত্তি বছর এবং মূল্যস্ফীতির ভিত্তি বছর পরিবর্তনে কাজ করছি। এটা সময় সাপেক্ষ।

সর্বশেষ হালনাগাদ 2 hours আগে

Leave A Reply

Exit mobile version