অর্থকাগজ ডেস্ক
অবশেষে সই হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে প্রাথমিক চুক্তি। আর এরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর হুমকির কারণে এ ধারা বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। চুক্তির পর আবারও দাম কমতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সকালে এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগের অবস্থানে ফিরে এসেছে।
স্থানীয় সময় সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আগামী আগস্টে সরবরাহের জন্য ব্রেন্ট ফিউচারের দাম ব্যারেল প্রতি ৭৮ দশমিক ০৭ ডলার ছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন হামলার আগের তুলনায় এখন তেলের দম ৭ শতাংশ বেশি রয়েছে।
টানা কয়েকদিন কমার পর বুধবার হঠাৎ ব্রেন্ট অয়েলের বেড়ে গিয়েছিল। এদিন ব্যারেলপ্রতি ৮১ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ট্রাম্পের এক হুমকির পর বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। ইরান সঠিক আচরণ না করলে তিনি আবারও বোমা হামলার হুমকি দিয়েছিলেন।
চুক্তির পর শেয়রবাজারও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। জাপানের প্রধান সূচক নিকেই ২২৫ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি উভয়ই সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে। এ দুটি সূচক যথাক্রমে ২ শতাংশ ও ১ দশমিক ৭ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। তাইওয়ানের শেয়ারবাজার সূচক তায়েক্সও এক দশমিক তিন শতাংশ বেড়েছে।
মার্কিন স্টক ফিউচারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গিয়েছে। আজ এসএন্ডপি ৫০০ এবং প্রযুক্তি-নির্ভর নাসডাক কম্পোজিট উভয়ে বেড়েছে। এ দুটি যথাক্রমে প্রায় ০ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার প্রস্তাবিত স্থায়ী শান্তি চুক্তির প্রথম ধাপ হিসেবে ইসলামাবাদ মেমোর্যান্ডম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (ইসলামাবাদ এমওইউ) স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ইরান ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে এ তথ্য।
সর্বশেষ হালনাগাদ 54 minutes আগে

