অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
মুরগির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বাজারগুলোতে দেখা গেছে, সোনালি কক মুরগি কেজিতে ৫০ টাকা কমে ২৭০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড কেজিতে ৪০ টাকা কমে ২৫০ টাকা, লাল লেয়ার মুরগি কেজিতে ২০ টাকা কমে ২৮০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৭০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ৩০ টাকা কমে ১৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি কেজিতে ২০ টাকা কমে ৬৩০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন ২২০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের হালি ৯০ টাকা।
বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৭৮০ টাকা। গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং খাসির মাংসের কেজি এক হাজার ১৫০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।
অন্যদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে মাছের বাজার কিছুটা চড়া রয়েছে। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে ইলিশের দাম কিছুটা বেড়েছে। আকার ও ওজনভেদে ইলিশের কেজি এক হাজার ২০০ টাকা থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত।
চাষের শিংয়ের কেজি (আকারভেদে) ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, রুইয়ের দাম কেজিতে বেড়ে (আকারভেদে) ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, দেশি মাগুর ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা, মৃগেল ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২৩০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাতল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, কই ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, মলা ৬০০ টাকা, বাতাসি টেংরা এক হাজার ৩০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৫০০ টাকা, পাঁচমিশালি ২২০ টাকা, রূপচাঁদা এক হাজার ২০০ টাকা, বাইম এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকা, দেশি কই এক হাজার ২০০ টাকা, শোল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, আইড় ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বেলে ৮০০ টাকা এবং কাইক্ক্যা ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সপ্তাহ ব্যবধানে বাজারে শাক-সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সব ধরনের মুরগির দাম কমলেও মাছের বাজার কিছুটা চড়া রয়েছে। ১১ এপ্রিল রাজধানীর বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে এসব চিত্র।
গ্রীষ্মকালীন সবজি বেগুন প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৯০ থেকে টাকা, পটল ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ধুন্দল ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, কচুর লতির কেজি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সজনের কেজি ১৪০ টাকা, ঝিঙে ৭০ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা এবং কাঁচা আম ৬০ টাকা কমে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
বাজারে শিমের কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা। ফুলকপি প্রতিটি ৬০ টাকা পিস, বাঁধা কপি ৫০ টাকা, লাউ ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাকা টমেটো প্রকারভেদে ৩০ থেকে ৫০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, শসার কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
লেবুর হালি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ধনে পাতার কেজি ১৪০ টাকা, কাঁচা কলার হালি ৪০ টাকা। চাল কুমড়া প্রতিটি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্যাপসিকাম ১২০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
লাল শাকের আঁটি ১০ টাকা, লাউ শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পালং শাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, কলমি শাক ৩ আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও ডাঁটা শাকের দুই আঁটি ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে আলু ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা এবং ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
আদার কেজি ১২০ থেকে ২৮০ টাকা, দেশি রসুন ১০০ টাকা, ইন্ডিয়ান রসুন ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১৪০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, খেসারির ডাল ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এসব বাজারে মিনিকেট চাল প্রকারভেদে ৮৫ থেকে ৯৮ টাকা, নাজিরশাইল ৮৮ থেকে ৯২ টাকা, স্বর্ণা ৫৮ টাকা এবং ২৮ চাল ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ●
অকা/আখা/ফর/বিকাল/১১ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ
সর্বশেষ হালনাগাদ 11 months আগে

