Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৫৬৮ কোটি ডলার বেড়েছে

    ডিসেম্বর ৪, ২০২৪ ৪:৩৪ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    এক বছরের ব্যবধানে দেশের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি বেড়েছে ৫৬৮ কোটি ডলার। ওই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বিপরীতে মোট বৈদেশিক ঋণের স্থিতির অনুপাত কমেছে। ফলে বৈদেশিক ঋণের বিপরীতে ঝুঁকির প্রবণতা কিছুটা কমেছে। তবে জিডিপির বিপরীতে বৈদেশিক ঋণের অনুপাত আগের চেয়ে বেড়েছে। তবে এ অনুপাত এখনো ঝুঁকিমুক্ত রয়েছে। আলোচ্য সময়ে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বেড়েছে, কমেছে স্বল্পমেয়াদি ঋণ। বেসরকারি খাতের ঋণের স্থিতি কমলেও বেড়েছে সরকারি খাতের ঋণের স্থিতি। এদিকে ঋণ পরিশোধের চাপও কমে আসছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। সরাসির বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) ও বৈদেশিক ঋণবিষয়ক এ প্রতিবেদনটি প্রতি ছয় মাস পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রকাশ করে।

    প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, জুন পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি বেড়ে ১০ হাজার ৩৭৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সরকারি খাতের ঋণ ৮ হাজার ৩২১ কোটি ডলার এবং বেসরকারি খাতে ২ হাজার ৫৭ কোটি ডলার। গত বছরের জুনে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ছিল ৯ হাজার ৮১১ কোটি ডলার। এর মধ্যে সরকারি খাতে ৭ হাজার ৫৮৫ কোটি এবং বেসরকারি খাতে ২ হাজার ২২৬ কোটি ডলার। গত এক বছরের তুলনায় দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ৫৬৮ কোটি ডলার বা ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ বেড়েছে ৯ দশমিক ২ এবং স্বল্পমেয়াদী ঋণ কমেছে ১১ দশমিক ৫ শতাংশ। মোট ঋণের ৮০ দশমিক ২ শতাংশ সরকারি খাতে এবং বেসরকারি খাতে ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ।

    আলোচ্য ঋণের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ৮ হাজার ৯৬০ কোটি ডলার। এর মধ্যে সরকারি খাতে ৮ হাজার ৪২ কোটি এবং বেসরকারি খাতে ৯১৭ কোটি ডলার। স্বল্পমেয়াদি ঋণ ১ হাজার ৪১৯ কোটি ডলার। এর মধ্যে সরকারি খাতে ২৭৯ কোটি এবং বেসরকারি খাতে ১ হাজার ১৪০ কোটি ডলার। সরকারি খাতে স্বল্পমেয়াদি ঋণ কম, দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বেশি। এটিকে ইতিবাচক হিসাবে দেখা হয়। বেসরকারি খাতে স্বল্পমেয়াদি ঋণ বেশি এবং দীর্ঘমেয়াদি ঋণ কম। এটিকে নেতিবাচক হিসাবে দেখা হয়। কারণ, স্বল্পমেয়াদি ঋণ অর্থনীতিতে ঝুঁকির সৃষ্টি করে।

    মোট বৈদেশিক ঋণের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হয়েছে চীন থেকে ৩১৩ কোটি ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে যুক্তরাজ্য থেকে ১১০ কোটি ডলার, তৃতীয় অবস্থানে নেদারল্যান্ডস থেকে ৯২ কোটি ডলার। এছাড়া হংকং থেকে ৭৯ কোটি, সিঙ্গাপুর থেকে ৫৭ কোটি, জার্মানি থেকে ৫০ কোটি ডলার ঋণ নেওয়া হয়েছে। ঋণের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হয়েছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ৫১০ কোটি, উৎপাদন খাতে ২০৮ কোটি এবং বাণিজ্য খাতে ১০৯ কোটি ডলার।

    গত অর্থবছরে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ শোধ করা হয়েছে ২৩০ কোটি এবং স্বল্পমেয়াদি ঋণ শোধ করা হয়েছে ২৬০ কোটি ডলার। গত বছরের জুনের তুলনায় দীর্ঘমেয়াদী ঋণ পরিশোধ কিছুটা বেড়েছে। তবে স্বল্পমেয়াদি ঋণ পরিশোধ কিছুটা কমেছে। কারণ, গত সরকারের আমলে ডলার সংকটের কারণে ব্যাপকভাবে স্বল্পমেয়াদি ঋণ পরিশোধ স্থগিত করা হয়েছে। যে কারণে এখন স্বল্পমেয়াদি ঋণ বেশি পরিশোধ করা হচ্ছে।

    প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, গত বছরের জুনে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বিপরীতে মোট বৈদেশিক ঋণের অনুপাত ছিল ২৫ শতাংশ। গত জুনে তা কমে ২১ শতাংশে নেমেছে। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে রিজার্ভ বেড়েছে এবং ঋণ কমেছে। ফলে ঝুঁকিও কিছুটা কমেছে।

    তবে দেশের মোট জিডিপির বিপরীতে বৈদেশিক ঋণের অনুপাত বেড়েছে। গত বছরের জুনে জিডিপির বিপরীতে ঋণের অনুপাত ছিল ২১ দশমিক ৬ শতাংশ। গত জুনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থাৎ জিডিপির তুলনায় ঋণ বেশি বেড়েছে। তবে জিডিপির অনুপাতে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ এখনো যথেষ্ট কম। জিডিপির ৫০ শতাংশের মতো বৈদেশিক ঋণকে ঝুঁকিমুক্ত ধরা হয়। এর বেশি হলে তা ঝুঁকিপূর্ণ।

    প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, তিন অর্থবছর ধরে দেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) কমছে। বৈশ্বিক মন্দা ও দেশে ডলার সংকটের কারণে এতে মন্দাভাব দেখা দিয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে এফডিআই এসেছিল ১৭২ কোটি ১১ লাখ ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে তা কমে ১৬০ কোটি ৯৮ লাখ ডলারে নামে। গত অর্থবছরে তা আরও কমে ১৪৬ কোটি ৮২ লাখ ডলারে নামে। গত এক বছরের ব্যবধানে বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে ১৪ কোটি ১৬ লাখ ডলার বা ৮ দশমিক ৮০ শতাংশ।

    গত অর্থবছরে নিট পুঁজি হিসাবে বিনিয়োগ এসেছে ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। দেশে কার্যরত বিদেশি কোম্পানিগুলো মুনাফা থেকে পুনরায় বিনিয়োগ করেছে ৬১ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানির ঋণ হিসাবে নিয়ে বিনিয়োগ করেছে ১৮ কোটি ৫৭ কোটি ডলার। ওই তিনটি উৎস থেকে বিনিয়োগ করা পুঁজিকে এফডিআই হিসাবে গণ্য করা হয়।

    দুই বছর ধরে নিট পুঁজি হিসাবে বিনিয়োগ আনার প্রবণতা কমছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে নিট পুঁজি এসেছিল ১১৩ কোটি ৫৯ লাখ ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে কমে এসেছিল ৭০ কোটি ৯৯ লাখ ডলার। গত অর্থবছরে আরও কমে এসেছে ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে পুঁজি হিসাবে বিনিয়োগ আসার প্রবণতা কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ। মুনাফা থেকে বিনিয়োগ কমেছে প্রায় ২২ শতাংশ। তবে ঋণ থেকে বিনিয়োগ বেড়েছে ৬৬ দশমিক ১৯ শতাংশ।

    বৈদেশিক মন্দার কারণে কোম্পানিগুলোর মুনাফা কমায় আয় থেকে বিনিয়োগ কমেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে মুনাফা থেকে বিনিয়োগ হয়েছিল ৭৮ কোটি ৮১ লাখ ডলার। গত বছরে বিনিয়োগ হয়েছে ৬১ কোটি ৪৯ লাখ ডলার।

    ২০২২-২৩ অর্থবছরে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ হয়েছিল ১১ কোটি ১৮ লাখ ডলার। গত অর্থবছরে হয়েছে ১৮ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। এ খাতে ঋণ বেড়েছে।

    গত অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে যুক্তরাজ্য থেকে ২৯৯ কোটি ডলার। সিঙ্গাপুর থেকে ১৭৪ কোটি, কোরিয়া থেকে ১৫৬ কোটি, চীন থেকে ১৩৮ কোটি, নেদারল্যান্ডস থেকে ১২৭ কোটি, হংকং থেকে ১২৬ কোটি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০২ কোটি, ভারত থেকে ৮০ কোটি, মালয়েশিয়া থেকে ৭৮ কোটি এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ কোটি ডলার।

    এদিকে বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে বিদেশে পুঁজি যাওয়ার প্রবণতা কমেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশের উদ্যোক্তারা বৈধভাবে বিদেশে বিনিয়োগ নিয়েছিলেন ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরে নতুন বিনিয়োগ যায়নি। বরং আগের চেয়ে ১২ লাখ ২০ হাজার ডলার কমেছে। ফলে গত এক বছরের ব্যবধানে বিনিয়োগ কমেছে ১০৭ দশমিক ২০ শতাংশ। তবে গত অর্থবছরে নিট পুঁজি হিসাবে বিনিয়োগ গেছে ১ কোটি ৯৮ লাখ ডলার, মুনাফা থেকে পুনরায় বিনিয়োগ হয়েছে ১ কোটি ১৪ লাখ ডলার। আন্তঃকোম্পানির বা এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানির ঋণ কমেছে ৩ কোটি ২৪ লাখ ডলার। ●
    অকা/প্র/ই/ সকাল, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.