Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংকখাতে আমানত বাড়ছে

    ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪ ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি সুদহার বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি কাজে দিচ্ছে এমন আভাস মিলছে, কারণ আবারো ব্যাংকমুখী হতে শুরু করেছে তহবিলের প্রবাহ। এই প্রবণতা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের সহায়ক হবে, যা গত বছরের মার্চ থেকে ৯ শতাংশের উপরে অবস্থান করেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা। আগের বছরের ১৪ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকার তুলনায় যা বেশিই হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ব্যাংক খাতে আমানত প্রবৃদ্ধির হার বেড়ে পৌঁছায় ১১ দশমিক ০৪ শতাংশে। এই হার গত ২৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে করোনা মহামারির বৈশ্বিক লকডাউন ও সেকারণে হওয়া অর্থনৈতিক গতিমন্থরতার প্রভাবে আমানত প্রবৃদ্ধির হার ১১ দশমিক ২৬ শতাংশে পৌঁছেছিল।

    নাম না প্রকাশের শর্তে, বেসরকারি একটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, "স্মার্ট রেট অনুযায়ী সুদহার বাড়ানো হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মাসের জন্য ব্যাংকের বিনিয়োগে (ঋণে) সর্বোচ্চ সুদহার ১২ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেধে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরমধ্যে তারল্য সংকটে থাকা ইসলামী ব্যাংক আরও প্রতিযোগিতামূলক হারে, সর্বোচ্চ ১১ থেকে ১২ শতাংশ সুদে আমানত নিচ্ছে। আমানতে প্রবৃদ্ধির যা অন্যতম প্রধান কারণ।"

    তিনি বলেন, অনেক ইসলামী ব্যাংকই ব্যাপক তারল্য সংকটে রয়েছে, ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে বাধ্যতামূলক জমা সঞ্চিতির অনুপাত – নগদ জমা সংরক্ষণ (ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও বা সিআরআর) ও বিধিবদ্ধ জমা অনুপাত (স্ট্যাটুটরি লিকুইডিটি রেশিও বা এসএলআর) রাখা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে উচ্চ সুদহার দিয়ে এসব ব্যাংককে আমানত আকৃষ্ট করতে হচ্ছে।

    সুদহার বাড়ানোর সুফল পাচ্ছেন সঞ্চয়কারীরাও। এর আগে এক বছরের বেশি সময় ধরে আমানতের সুদহার ছিল মূল্যস্ফীতি হারের চেয়ে নিম্ন।

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, "আমানতের হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে পিছিয়ে পড়লেও– অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে আমানতকারীরা সঞ্চয় করাকেই বেঁছে নিয়েছেন। তাছাড়া, ব্যালেন্স শিট দৃঢ় করতে ব্যাংকগুলোও সাধারণত বছরের শেষদিকে এসে আমানত বৃদ্ধির লক্ষ্যে জোরেশোরে প্রচারণা চালায়।"

    ২০২০ সালের এপ্রিলে ঋণের সুদহারে এক অংকের যে সীমা বেধে দেওয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাহারের পরেই আমানতে সুদহার বাড়তে শুরু করে। গত বছরের জুনে তা ৭ দশমিক ৫ শতাংশ থাকলেও– ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ হয়। তবে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ হওয়ার পরেও প্রধান প্রধান ব্যাংকগুলো আমানতে সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সুদ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যসূত্রে এমনটাই জানা গেছে।

    গবেষণা প্রতিষ্ঠান– পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ঋণের সুদহারে সীমা তুলে নেওয়ার কারণে গ্রাহকের আমানতের সুদহার বাড়ছে। আমাদের অর্থনীতির জন্য এটি একটা পজেটিভ দিক।

    তিনি বলেন, "পলিসি রেট (নীতি সুদহার) বৃদ্ধির কারণে সকল ধরণের সুদহারে তাঁর কিছুটা প্রতিফলন তৈরি হয়েছে। যদিও এখনো মুল্যস্ফীতি রেটের তুলনায় আমানতের রেট কম। আমানতের রেট আরও বাড়াতে হলে লেন্ডিং রেট (ঋণের সুদহার) আরও বাড়তে হবে।"

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, নতুন চালু করা সঙ্কুলানমূলক মুদ্রানীতির প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে, মানুষের তহবিল ব্যাংকে নিয়ে আসা। যা মূল্যস্ফীতি মোকাবিলার সহায়ক হয়।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের 'মেজর ইকোনমিক ইন্ডিকেটরস' শীর্ষক মাসিক প্রকাশনায়– সঞ্চয় এবং মেয়াদি আমানত বৃদ্ধির কৃতিত্ব দিয়েছে আমানতের সুদহার বাড়া এবং ব্যাংকের বাইরে থাকা টাকার পরিমাণ কমে আসাকে। এসব বিষয়কে সেখানে মূল অনুঘটক বলে উল্লেখ করা হয়।

    মেজবাউল হক বলেন, "আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে মূল্যস্ফীতি কমানো। এক্ষেত্রে বেসরকারি খাতে অবশ্যই প্রভাব পড়বে, কারণ আমরা চাচ্ছি ঋণের প্রবৃদ্ধিকে কমিয়ে– অর্থের জোগান কমিয়ে আনতে। যখন মুল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে তখন পুনরায় প্রাইভেট সেক্টরে বিনিয়োগ বাড়বে।"

    ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ব্যাংক ঋণের সুদহার সীমা তুলে নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্মার্ট রেট ঘোষণা করেছে। সেপ্টেম্বরে সুদহারের ব্যবধানের (স্প্রেড) সীমাও তুলে নেওয়া হয়।

    সুদহারের ব্যবধান হলো– ব্যাংকগুলো বেসরকারি গ্রাহকদের যে সুদে ঋণ দেয়, তা থেকে বাণিজ্যিক বা অন্যান্য ব্যাংক ডিমান্ড, মেয়াদি, বা সঞ্চয়ী আমানতের বিপরীতে আমানতকারীকে যে হারে সুদ দেয়– তা বাদ দিলে যা পাওয়া যায়, সেই পার্থক্য।

    ব্যাংকাররা বলছেন, এসব পদক্ষেপের কারণে ব্যাংকগুলো এখন উচ্চ সুদহারে আমানত নিতে পারছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে গ্রাহকের ঋণের রেট পরিবর্তন হচ্ছে ছয়মাসের ট্রেজারি-বিল বন্ডের গড় রেটের (স্মার্ট) ওপর ভিত্তি করে। এরসঙ্গে আরও ব্যাংকগুলো ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ মার্জিন যোগ করে গ্রাহকে ঋণ দিতে পারে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির জন্য ঋণের সর্বোচ্চ রেট হবে ১২.৪৩ শতাংশ।

    তিনি বলেন, যখন ঋণ-আমানতের সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড) ৪ শতাংশ রাখার সীমা ছিল। কিন্তু এখন ব্যাংকগুলো চাইলে ১ শতাংশের কমও স্প্রেড রাখতে পারে। যেকারণে ব্যাংকগুলো আমানতের জন্য উচ্চ সুদহার দিতে পারছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, গতবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে ব্যাংকের বাইরে থাকা টাকার পরিমান কমেছে ৩৭ হাজার ৫৩ কোটি টাকা।

    এই বছরের জানুয়ারিতে, চলতি অর্থবছরের শেষ ছয় মাসের জন্য মুদ্রানীতির ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। মূল্যস্ফীতির হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে যেখানে বাজারে অর্থের জোগান কমানোর পদক্ষেপ ছিল।

    অর্থের সরবরাহ আরও আঁটসাঁট করা হলে– তখন আমানতের সুদহার আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে সঞ্চয়ের ওপর ভালো সুদ পেয়ে আমানতকারীরাও লাভবান হবেন।

    চলতি অর্থবছরের জন্য বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ১১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ঋণের প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশেরও কম হয়েছিল।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, ২০২৩ এর জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে ভোক্তা ঋণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে নেতিবাচক শূন্য দশমিক ৬৮ শতাংশ। সে তুলনায়, আগের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

    দেশের অর্থনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যে মানুষ ভবিষ্যতের কথা ভেবে খরচ কমিয়ে সঞ্চয়ে আগ্রহী হচ্ছে– এমন চিত্রই উঠে এছে মোটরযান, মোবাইল, পোশাক, জুতা, সিমেন্ট, সিরামিকস ইত্যাদি পণ্যের বিক্রি কমার তথ্যে। যেকারণে ভোক্তা ঋণের চাহিদাও কমেছে।

    তবে আমানত বাড়লেও, ব্যাংকগুলো এখনও গভীর তারল্য সংকটের মধ্যে আছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তারা দৈনিক ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ধার করছে।

    সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সুদহার বাড়ানোর পরে – এক ব্যাংকের অন্য ব্যাংক থেকে এক দিনের জন্য সুদে টাকা ধারের হার – অর্থাৎ গড় কল মানি রেট দাঁড়িয়েছে ৯.৬০ শতাংশে। এটি ১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২৮ জানুয়ারি কল মানিতে ৩ হাজার ২৫১ কোটি টাকা ধার নেয় ব্যাংকগুলো। এই চাহিদার ফলে কল মানি বাজারে গড় সুদহার পৌঁছায় ৯.৬০ শতাংশে। ২০১৩ সালের পর যা সবচেয়ে বেশি।

    অকা/ব্যাংখা/সকাল/১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    ব্যাংকখাতে আমানত বাড়ছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.