Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংকগুলোতে সরকারের আমানতের স্থিতি কমেছে

    জুন ২৫, ২০২৪ ৪:২৬ পূর্বাহ্ণ5
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে ব্যাংকগুলোতে সরকারের আমানতের স্থিতি কমে গেছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের গত মার্চ পর্যন্ত এই ছয় মাসে ব্যাংকে সরকারের আমানত কমেছে ৫ হাজার ৫৪৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোতে মোট আমানতের সরকারের অংশও কমে যাচ্ছে। এতে ব্যাংকগুলোর আমানত প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে সরকারের রাজস্ব আয় কমে যাওয়া ও খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে এমনটি হয়েছে। তবে আগে সার্বিকভাবে আমানত কমলেও এখন বাড়তে শুরু করেছে। এর মধ্যে বেসরকারি খাতের আমানত বাড়ছে। 

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, আগে প্রতিবছরই ব্যাংকগুলোতে সরকারের আমানত বাড়ছিল। অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেওয়ায় ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে সরকারের আমানত কমে যায়। ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে আমানত বাড়লেও আবার ২০২৪ সালের মার্চে তা কমে যায়।

    বৈশ্বিক মন্দা ও ডলার সংকটের কারণে আমদানি কমেছে। ফলে আমদানি খাতে রাজস্ব আয়ও কমেছে। দেশের ভেতরেও অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য কমেছে। ফলে এ খাত থেকেও রাজস্ব আয় কমেছে। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব আয় হচ্ছে না। অন্যদিকে মন্দার কারণে বিভিন্ন খাতে সরকারের চলতি ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এতে সরকার আর্থিক সংকটে পড়ে। এ সংকট মোকাবিলায় সরকার ব্যাংকে থাকা আমানতের অর্থ খরচ করতে থাকে। অন্যদিকে রাজস্ব আয় ও বৈদেশিক অনুদান কমার কারণে সরকারের কোষাগারে অর্থ জমার পরিমাণ কমে যায়। ফলে সরকারের ব্যাংকে থাকা আমানত কমতে থাকে। এর মধ্যে সরকার ঋণ করে কিছু আমানত বাড়ালেও তা স্থায়ী হচ্ছে না।

    এদিকে ব্যাংকে সরকারের আমানত কমার পাশাপাশি ব্যাংক খাতে মোট আমানতে সরকারের অংশ কমে যাচ্ছে। বেড়ে যাচ্ছে বেসরকারি খাতের অংশ।

    গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বরে ব্যাংকে সরকারি খাতের আমানত কমেছে ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা। গত বছরের ডিসেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের মার্চে আমানত কমেছে ৫ হাজার ৫৩৩ কোটি ৬৫ লাখ কোটি টাকা। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত এই ছয় মাসে ব্যাংকে সরকারের আমানত কমেছে ৫ হাজার ৫৪৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

    প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে ব্যাংকে সরকারের আমানত ছিল ২ লাখ ৫২ হাজার কোটি টাকা। যা মোট আমানতের ১৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। ওই সময়ে আমানত বেড়েছিল ৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ। মোট আমানত বেড়েছিল ৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ। অর্থাৎ সরকারি খাতের আমানত বেড়েছিল বেশি। রেকর্ড রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক অনুদান আসায় সরকারের হিসাবে আমানত বেড়েছিল।

    ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ব্যাংকে সরকারের আমানত ছিল ২ লাখ ৬৭ কোটি টাকা। যা মোট আমানতের ১৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ওই বছর আমানত বেড়েছিল ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ। মোট আমানত বেড়েছিল ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ২০২০ সালে করোনার সংক্রমণের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওই বছরে সরকারের রাজস্ব আয় কমেছিল। যে কারণে আমানতও কমে গিয়েছিল।  
     
    ২০২২ সালের ডিসেম্বরে  ব্যাংকে সরকারের আমানত ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকা। যা ছিল মোট আমানতের ১৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ। ওই সময়ে সরকারি আমানত কমলেও মোট বেড়েছিল ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে সরকারের ব্যয় বেড়েছিল ও আয় কমেছিল। এ কারণে আমানত প্রবাহ কমেছিল।

    ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সরকারের আমানত জমা ছিল ২ লাখ ৯৮ হাজার কোটি টাকা। যা ছিল মোট আমানতের ১৭ দশমিক ০২ শতাংশ। ওই বছরে সরকারি আমানত বেড়েছিল ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ। মোট আমানত বেড়েছিল ২ দশমিক ২৫ শতাংশ। সরকারি আমানতের চেয়ে বেসরকারি খাতের আমানত বেশি বেড়েছিল।

    ২০২৪ সালের মার্চে ব্যাংকে সরকারের আমানত কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকায়। যা ছিল মোট আমানতের ১৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ওই সময়ে আমানত কমেছে ১ দশমিক ৬৮ শতাংশ। মোট আমানত বেড়েছিল দশমিক ৭৫ শতাংশ। গত বছরের জুলাই-মার্চের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে আমানতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫ দশমিক ২৭ শতাংশ। কিন্তু সরকারি আমানত কমেছে।

    এদিকে আলোচ্য বিষয় হলো প্রতিবছরই লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব আয়ে ঘাটতি ছিল। অথচ এর বিপরীতে সরকারের খরচ বেড়েছে। ফলে ব্যাংকে সরকারের আমানত কমেছে। ●

    অকা/ব্যাংখা/সৈই/সকাল/২৫ জুন, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ, স্বস্তির ইঙ্গিত অর্থনীতিতে

    দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.৮৫ বিলিয়ন ডলার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    বিশ্বকাপে মেসির অনন্য রেকর্ড, স্মরণীয় ১৫ মিনিট

    অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

    গুগলের ৫টি গোপন সার্চ কৌশল

    স্যামসাংয়ের নতুন ৫জি স্মার্টফোন

    ছেলের আত্মহত্যা: ওপেনএআইর বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

    বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল

    প্রযুক্তি নিয়ে প্রচলিত ২৪টি ভুল ধারণা, যেগুলো সত্য নয়

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    শাহজালালে ১৮ কেজি স্বর্ণ জব্দ; নজরদারিতে বিমানের ৪ কর্মকর্তা

    বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক হলেন লোটন একরাম

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল
    উত্তরবঙ্গে হচ্ছে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল

    কাজল মাখা চোঁখের ভাঁজে তিল কণ্যা সঙ্গীতশিল্পী রোক্সার রহমানের জন্মদিন

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    প্রথমবারের মতো নারীর নেতৃত্বে মার্কিন শেয়ারবাজার

    মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ, স্বস্তির ইঙ্গিত অর্থনীতিতে

    দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.৮৫ বিলিয়ন ডলার

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর আনিছুর রহমান

    গ্রাহক মহাসমাবেশের ঘোষণা
    ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.