Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শুক্রবার, ২১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৬ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোয় খেলাপি ঋণ বেড়েছে

    নভেম্বর ১০, ২০২৪ ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে দেশের ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোয় খেলাপি ঋণ বেপরোয়া গতিতে বেড়েছে। আর্থিক খাতে সুশাসন না থাকায় ব্যাপকভাবে বড় বড় জাল-জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। এর মাধ্যমে বিতরণ করা ঋণের প্রায় সবই খেলাপি হয়ে গেছে। যে কারণে মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়েছে খেলাপি ঋণ। ২০০৯ সালের শুরু থেকে গত জুন পর্যন্ত ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানিতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ৫২০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক খাতে বেড়েছে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫১৯ কোটি টাকা। ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোয় বেড়েছে ২৪ হাজার ১ কোটি টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে খেলাপি ঋণের এমন চিত্র পাওয়া গেছে। ব্যাংকাররা মনে করেন, খেলাপি বৃদ্ধির প্রকৃত অবস্থা এই চিত্রের চেয়েও বেশি ভয়াবহ। কারণ খেলাপির প্রকৃত চিত্র এতে ফুটে ওঠেনি। অনেকে ঋণখেলাপি হওয়ার যোগ্য হলেও তা খেলাপি করা হয়নি। নিয়মের বেড়াজালে প্রলেপ দিয়ে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এখন সেগুলো প্রকাশ পাচ্ছে। সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসে ২০০৯ সালের শুরুতে। তারা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা ক্ষমতায় ছিল। ওই সময়ে আর্থিক খাতের খেলাপি ঋণে আওয়ামী লীগ সরকারের দায় রয়েছে। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে এবং ২০০৯ সালের শুরুতে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। গত জুনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫১৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ সাড়ে ৮ গুণ বেড়েছে।

    ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোয় ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে বা ২০০৯ সালের শুরুতে খেলাপি ঋণ ছিল ৭১০ কোটি টাকা। জুনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৭১১ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২৪ হাজার ১ কোটি টাকা বা প্রায় ৩৫ গুণ।

    বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৫ বছরে ব্যাংক খাতে ২৪টি বড় ধরনের ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর বড় অংশই খেলাপি হয়ে পড়েছে।

    সরকার পতনের পর জালিয়াতির তথ্য বেশি করে প্রকাশিত হচ্ছে। এতে আগামী দিনে খেলাপি ঋণ আরও বেপরোয়া গতিতে বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের শাসনামলের পুরো সময়টিতেই ঋণখেলাপিরা ছিল অপ্রতিরোধ্য। তাদের পক্ষে কাজ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। ফলে খেলাপিরা ঋণ শোধ না করেই একের পর এক ছাড়ের সুবিধা নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও খেলাপিদের একের পর এক ছাড় দিয়ে পুরস্কৃত করেছে। কিন্তু ব্যাংক খাতের নিয়ন্ত্রক হলেও সংস্থাটি ব্যাংক খাতকে ছেড়ে দিয়েছিল লুটপাটকারীদের হাতে। যে কারণে ব্যাংকগুলো এখন তীব্র তারল্য সংকটে ভুগছে। কিছু ব্যাংক গ্রাহকদের টাকা দিতে পারছে না।

    সূত্র জানায়, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংক খাতের লুটপাটের চিত্র আরও প্রকাশ হতে থাকে। আগে জানা গিয়েছিল ইসলামী ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপ ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এখন জানা যাচ্ছে ৭৫ হাজার কোটি টাকা নিয়েছে। এসব ঋণের মধ্যে ২৮ হাজার কোটি টাকা খেলাপির পথে রয়েছে। অন্যান্য ব্যাংকেও খেলাপি ঋণ বাড়বে। ন্যাশনাল ব্যাংক সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা খেলাপি করেছে। সোশ্যাল ইসলামী, ইউনিয়ন, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকসহ অনেক ব্যাংকেই খেলাপি ঋণ বেড়ে যাবে। তখন প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণও বাড়বে।

    অর্ধনীতিবিদরা মনে করেন, রাইটঅফ, খেলাপির যোগ্য ঋণকে খেলাপি না করা, আদালতের নির্দেশে ঋণ খেলাপি না করাসহ নানা কারণে অনেক ঋণ নিয়মিত রয়েছে। এসব মিলে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ এখন ৫ লাখ কোটি টাকার বেশি হবে।

    ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ব্যাংক খাতে খেলাপি স্থিতিশীল ছিল। ২০১২ সালে খেলাপি ঋণ দ্বিগুণ বেড়ে ৪২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। ২০১১ সালে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা। ওই এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়ে যায় ২০ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। ওই বছরেই হালমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় ঋণ খেলাপি হতে থাকে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম হঠাৎ করে কমে যাওয়ার কারণেও অনেকে খেলাপি হয়ে পড়েন। ফার্মার্স ব্যাংকেও জালিয়াতির কারণে খেলাপি ঋণ বেড়ে যায়। এর প্রভাবে মোট খেলাপি ঋণ বেড়ে যায়।

    ২০১৩ সালে খেলাপি ঋণ কিছুটা কমে ৪০ হাজার কোটি টাকার ঘরে নেমে এলেও ২০১৪ সালে আবার বেড়ে এই প্রথমবার অর্ধলক্ষ কোটি টাকা অতিক্রম করে। ওই বছরে খেলাপি ঋণ দাঁড়ায় ৫০ হাজার ১৬০ কোটি টাকা। ওই সময়ে বেসিক ব্যাংকে জালিয়াতির কারণে খেলাপি ঋণ বাড়তে থাকে। এরপর থেকে খেলাপি ঋণ বাড়তেই থাকে। কারণ, ওই সময় থেকে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকে জালিয়াতির ঋণ খেলাপি হতে থাকে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে সার্বিক খেলাপি ঋণের স্থিতিতে। ২০১৫ সালে সামান্য বাড়ে। ২০১৬ সালে বেড়ে ৬২ হাজার ১৭০ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। জালিয়াতির প্রভাবে পরের তিন বছর খেলাপি ঋণ বেড়েছে। ২০১৯ সালে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছিলেন, ব্যাংকে আর খেলাপি ঋণ বাড়বে না, কমবে। তিনি হিসাবের মারপ্যাঁচের মাধ্যমে খেলাপি কমাতে পারেননি। ২০২০ সালে সামান্য কমে ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকায় নামে। এর আগে ২০১৯ সালে খেলাপি ছিল ৯৪ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা।

    ২০২১ সালের ডিসেম্বরে প্রথম খেলাপি ঋণ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। ওই বছরে খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ৩ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা। এরপর আর লাখের নিচে নামেনি খেলাপি ঋণ। ২০২৩ সালে তা বেড়ে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। গত জুনে তা আরও বেড়ে ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকায় দাঁড়ায়।

    নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোয়ও খেলাপি ঋণ বেড়েছে বেশি হারে। ২০০৮ সালে খেলাপি ঋণ ছিল ৭১০ কোটি টাকা, যা ওই সময়ে মোট ঋণের ৬.৭ শতাংশ। ২০১০ সালে তা বেড়ে ১ হাজার ৫০ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। ২০১২ সালে খেলাপি ঋণ আরও বেড়ে ১ হাজার ৪৬০ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। আওয়ামী লীগ সরকারের শুরুতেই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় জালিয়াতির ঘটনা ঘটতে থাকে। যে কারণে সার্বিকভাবে খেলাপির পরিমাণ বেড়ে যায়। ২০১৪ সালে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকায়। ২০১৫ সালে তা এক লাফে বেড়ে ৪ হাজার ১ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। জালিয়াতির মাধ্যমে বের করে নেওয়া ঋণের অর্থ ফেরত না আসায় সেগুলো খেলাপি হতে থাকে। এতে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি পেতে থাকে। ২০১৭ সালে তা বেড়ে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। ওই সময়ে পি কে হালদারের জালিয়াতির ঋণ খেলাপি হতে থাকে। তিনি চারটি ফাইন্যান্স কোম্পানিতে জালিয়াতি করে সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছেন। এর প্রভাবে ২০১৮ সালে খেলাপি ঋণ আরও বেড়ে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়ায়। ২০২০ সালে প্রথম খেলাপি ঋণ ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। ২০২১ সালে ছাড়ায় ১৩ হাজার কোটি টাকা। ২০২২ সালে খেলাপি ঋণ বেড়ে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা হয়। ২০২৩ সালে আরও বেড়ে সাড়ে ২১ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করে। গত জুনে তা আরও বেড়ে ২৪ হাজার ৭১১ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/ সকাল, ১০ নভেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইইউ বাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    কাতারের এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা

    ইইউ বাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.