Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ধার বাড়ায় মূল্যস্ফীতি আরও চড়া হওয়ার আশঙ্কা

    জুন ৩০, ২০২৪ ৫:১৭ পূর্বাহ্ণUpdated:জুন ৩০, ২০২৪ ৫:১৭ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ধার বাড়ায় মূল্যস্ফীতি আরও চড়া হওয়ার আশঙ্কা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ব্যাংকখাত থেকে সরকার নিট (প্রকৃত) ধার করেছে ৬৬ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা। তবে এসময়ে ব্যাংক থেকে অর্থ ধারের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার মাত্র প্রায় ৪০ শতাংশ নেয় সরকার। বেসরকারি খাতে ঋণের সহজলভ্যতা তখনো পর্যন্ত ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা না দেওয়ায়- এটা হয়তো ব্যবসায়ী ও ব্যাংকারদের সন্তুষ্ট করতে পারত। 

    তবে মাত্র কিছুদিনের ব্যবধানেই বদলে যায় পরিস্থিতি, যখন চলতি জুনের প্রথম ১৩ দিনেই ব্যাংকগুলো থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ধার করে সরকার। আগের ১১ মাসে নেওয়া ধারের চেয়ে যা অর্ধেকের বেশি। এরমধ্যে আবার ১৫ হাজার কোটি টাকাই দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন সরাসরি সরকারের ট্রেজারি বিল ও বন্ড কিনছে না, ফলে এখানে নতুন করে ডিভলভমেন্ট বাড়ছে না। বরং বাংলাদেশ ব্যাংক অ্যাডভান্স ও ওভারড্রাফটের মাধ্যমে সরকারকে ধার দিচ্ছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকারের টাকা ধারের তিনটি উপায়ের একটি হচ্ছে ওয়েজ অ্যান্ড মিনস অ্যাডভান্স। অন্য দুটি হচ্ছে– ওভার ড্রাফট ও ডিভলভমেন্ট। 

    সরকারের রাজস্ব ও ব্যয়ের স্বল্পমেয়াদি ঘাটতি পূরণের জন্য নেওয়া সাময়িক ঋণ হচ্ছে ওয়েজ অ্যান্ড মিনস অ্যাডভান্স। অন্যদিকে ওয়েজ অ্যান্ড মিনস অ্যাডভান্সের সীমা যখন ছাড়িয়ে  যায়– তখন উচ্চ সুদে জরুরী তহবিল দিতে ওভার ড্রাফট ব্যবহার করা হয়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের  তাৎক্ষণিক আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে এসব উপায় গুরুত্বপূর্ণ হলেও– এগুলো ব্যবহার করার ফলে উল্লেখযোগ্য বেশকিছু প্রভাব তৈরি হয়। 

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সরকারকে অর্থ ধার দেওয়ার এই পদ্ধতির সমালোচনা করে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর এটিকে কার্যত টাকা ছাপানো বলে মন্তব্য করেন। 

    তাঁর মতে, ডিভলভমেন্ট, 'ওয়েজ অ্যান্ড মিনস অ্যাডভান্স বা ওভার ড্রাফট যেভাবেই সরকারকে টাকা ধার দিক না কেন – কেন্দ্রীয় ব্যাংককে টাকা ছাপিয়েই এসব ধার দিতে হয়। এগুলোর ম্যাক্রো-ইমপ্যাক্ট (সামগ্রিক প্রভাব) একই।'

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকার টাকা ছাপিয়ে লোন নিলে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি আর থাকবে না মন্তব্য করে এ অর্থনীতিবিদ বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই ধার মূল্যস্ফীতিকে কমতে বাধা দেবে। আমরা এখন যে মূল্যস্ফীতি দেখছি, সেখানে গত অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারকে টাকা ছাপিয়ে ধার দেওয়ার একটা বড় প্রভাব রয়েছে। মূল্যস্ফীতি তখনই কমবে যখন সত্যিকারের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি নেওয়া হবে। শুধু শুধু সংকোচনমূলক বললেই হবে না।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, ব্যাংক খাত থেকে ধার করার ধারবাহিকতা অব্যাহত থাকলে লেন্ডিং রেট (বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোর অর্থ ধারে সুদের হার) আরও বাড়তে পারে। এতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো আরও চাপের মধ্যে পড়বে। 

    মূল্যস্ফীতি কমাতে সংকোচনমূলক মুদ্রনীতিকে কেবল ঘোষণায় সীমাবদ্ধ না রেখে– এটির বাস্তব প্রয়োগ দরকার বলেও মন্তব্য করেন আহসান মনসুর।  

    এবিষয়ে একই রকম দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী। তাঁর মতে, সরকারকে ধার দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে পদ্ধতি বা উপায়ই ব্যবহার করুক না কেন, তাতে অর্থনীতিতে তারল্য চলে আসে, ফলে সেটা সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির পরিপন্থী হয়ে ওঠে। 

    "ফলে স্বাভাবিকভাবেই মূল্যস্ফীতির ওপর এর কিছু প্রভাব পড়ে। মূল্যস্ফীতিকে চালিত করার পেছনে অন্যান্য আরও অনুঘটকও কাজ করে, তাই মূল্যস্ফীতির কতটুকুর জন্য এই তারল্য কাজ করছে সেটা বলা কঠিন।"

    মুজেরী আরও বলেন, বেশিরভাগ ব্যাংক তারল্য সংকট ও আমানত সংগ্রহে দুর্বল অবস্থায় থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বাধ্য হয়ে সরকারকে অর্থ ধার দিতে হচ্ছে। 

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ১১ মাসে ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে ৮১ হাজার ৭০২ কোটি টাকা ধার করে ১৪ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে সরকার। এতে নেট বা প্রকৃত ধারের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৬ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ২৭ শতাংশ কম। 

    তবে সংশোধিত বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, জুনে ৮৯ হাজার ২১১ কোটি টাকা ধার করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। 

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে,  চলতি অর্থবছরের মে পর্যন্ত ব্যাংকখাত থেকে সরকারের ঋণ নেওয়া তুলনামূলকভাবে কম ছিল, তবে জুনের শুরু থেকে তা অনেকটা বেড়েছে। 

    এপর্যন্ত ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ধার ১ লাখ কোটি টাকা পার করেছে। কেবলমাত্র জুন মাসের প্রথম ১৩ দিনেই ব্যাংকখাত থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বেশি ধার বাড়িয়েছে সরকার। এরমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে অন্তত ১৫ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হয়।

    ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী, ব্যাংকখাত থেকে ধার করার লক্ষ্যমাত্রা ২৩ হাজার ৫৪০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা  করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক নীতিনির্ধারণী কর্মকর্তা জানিয়েছেন,  মে মাস শেষের ব্যালেন্স অনুযায়ী সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধার কিছুটা পরিশোধ করেছে। তবে জুন মাসের শুরু থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার বাড়তে শুরু করেছে। পরিশোধ করা টাকা তুলে নেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নতুন ধারও নিচ্ছে সরকার।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আরেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ধার দেওয়ার জন্য নতুন করে টাকা ছাপানো হচ্ছে না। 

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংকগুলো বেশি সুদের হার দাবি করায় সরকারকে ব্যাংক খাত থেকে ধার দেওয়ার অন্যতম মাধ্যম– ট্রেজারি বিল ও বন্ডের একটা অংশ অবিক্রিত থাকছে। 

    যেমন ১০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে গত ২৩ জুন তিন বছর থেকে এক বছর ম্যাচুরিটির ট্রেজারি বিল নিলামে তোলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, তবে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো আরও উচ্চ সুদ দাবি করায়, শেষপর্যন্ত নিলাম থেকে সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। 

    চলতি অর্থবছরের শুরুর দিকে ট্রেজারি বিলের সুদের হার ছিল সর্বোচ্চ ৮.৬০ শতাংশ, এখন সেটি বেড়ে ১২ শতাংশ হয়েছে।  ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার ছিল ৯.১০ শতাংশ, যেটি এখন বেড়ে হয়েছে ১২.৭৫ শতাংশ। 

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন ওই কর্মকর্তা বলেন, সুদ ব্যয়ের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সুদের হার বর্তমান রেটের চেয়ে বেশি দিতে চাচ্ছে না। একারণে নিলামে তোলা ট্রেজারি বিল ও বন্ড পুরোপুরি বিক্রি করা যাচ্ছে না। 

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও একুশে পদকজয়ী অর্থনীতিবিদ মইনুল ইসলাম বলেন, এক মাসেই যদি সরকার ব্যাংক খাত থেকে এতো বেশি ধার করে তাহলে 'ক্রাউডিং আউট' হবে। অর্থাৎ, বেসরকারি খাত ব্যাংক থেকে পর্যাপ্ত ঋণ পাবে না। এটা জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কমিয়ে দেবে। 

    আগামী অর্থবছরে সরকারকে কর-জিডিপি অনুপাত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বাড়াতে হবে মন্তব্য করে এ অর্থনীতিবিদ বলেন, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কর সংগ্রহ করতে পারলে সরকারের ব্যাংকখাত থেকে অতিরিক্ত ধার নেওয়ার চাপ কমতে পারে। ●

    অকা/ব্যাংখা/সৈই/সকাল/৩০ জুন, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

     

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.