Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তুলে ঘরে রাখার প্রবণতা বেড়েছে

    ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৪ ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তুলে ঘরে রাখার প্রবণতা আবার বেড়েছে। গত ডিসেম্বরে গ্রাহকেরা ব্যাংক থেকে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। এসব টাকা ওই মাসে আর ব্যাংকে ফেরত আসেনি। ফলে এই টাকা রয়ে গেছে মানুষের হাতে। গত ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকব্যবস্থার বাইরে থাকা টাকার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাসভিত্তিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

    ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের আগে ডিসেম্বরে নগদ টাকার লেনদেন বেড়ে যায়। এ ছাড়া উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে অনেক মানুষ সঞ্চয় ভাঙাচ্ছেন। আবার বছরের শেষে অনেকে দেশ–বিদেশ ঘুরতে যান তাতেও নগদ টাকা বেশি খরচ হয়। আবার বিয়েশাদিসহ নানা অনুষ্ঠানও থাকে। সব মিলিয়ে তাই ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তোলা বেড়ে গেছে। এসব অর্থ কিছুদিন পর আবার বিভিন্ন হাত ঘুরে ব্যাংকে ফিরে আসবে।

    এদিকে গত জুলাইয়ে ব্যাংকঋণের সুদহারের নির্দিষ্ট সীমা তুলে নেওয়া হয়। এরপর থেকে ব্যাংকগুলো আমানতেরও সুদহার বাড়াতে শুরু করে। কিন্তু সুদ বাড়িয়েও কাঙ্ক্ষিত আমানত পাচ্ছে না ব্যাংকগুলো। কোনো কোনো ব্যাংক যে পরিমাণ নতুন আমানত পাচ্ছে, তার চেয়ে বেশি আমানত তুলে ফেলছেন গ্রাহকেরা। আবার ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা দিয়ে ডলার কেনার কারণেও ব্যাংক খাতে টাকার টান পড়েছে। পাশাপাশি সরকারি ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে ব্যাংকগুলো। ফলে তারল্যসংকটে পড়েছে বেশির ভাগ ব্যাংক। এ সংকটে সবচেয়ে পড়েছে প্রচলিত ধারার দুটি ও শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংক।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ গতকাল বলেন, ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষ ব্যাংক থেকে টাকা তুলে খরচ করছে। সামনে মূল্যস্ফীতি কমবে, এমন সম্ভাবনাও দেখছে না। আবার অনেকে অনিশ্চয়তার কারণে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে। কারণ, কিছু ব্যাংকের অবস্থা খারাপ হয়েছে। কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের টাকা ফেরত দিচ্ছে পারছে না। এ অবস্থায় অনেকে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে জমি-ফ্ল্যাটেও বিনিয়োগ করছে। এমন পরিস্থিতি অর্থনীতির জন্য ভালো লক্ষণ নয়।’

    সালেহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ব্যাংক খাতের পরিস্থিতির উন্নতি করতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে শক্ত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নিয়মকানুন পরিপালনে কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। তাতে ব্যাংকের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে, ধীরে ধীরে পুরো খাত ঠিক হয়ে আসবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে ব্যাংক খাতে ছাপানো টাকার পরিমাণ (রিজার্ভ মানি) ছিল ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। নভেম্বর মাসে যা ছিল ৩ লাখ ৪০ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসেই ছাপানো টাকার পরিমাণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা। ছাপানো টাকার বড় অংশ থাকে মানুষের হাতে ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের ভল্টে। বাকি অংশ বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে জমা থাকে।

    গত ডিসেম্বরে মানুষের হাতে নগদ টাকার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকের ভল্টে থাকা টাকার পরিমাণ কমে গেছে। ডিসেম্বরে ২৪ হাজার ৭৯০ কোটি টাকা ছিল বাণিজ্যিক ব্যাংকের ভল্টে। গত নভেম্বরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ভল্টে ছিল ২৬ হাজার ৬৯ কোটি টাকা। ডিসেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে ছিল ৯২ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা, নভেম্বরে যার পরিমাণ ছিল ৬৫ হাজার ৮৫৯ কোটি টাকা। ডিসেম্বরে ব্যাংকের বাইরে মানুষের হাতে ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা, নভেম্বরে যা ছিল ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা।

    বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘মূলত নির্বাচনের কারণে ব্যাংকব্যবস্থার বাইরে টাকার পরিমাণ বেড়েছে। প্রার্থীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই টাকা খরচ করেছেন, যা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এই টাকা আবার ঘুরে ব্যাংকে আসবে। পাশাপাশি উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণেও মানুষ সঞ্চয় ভাঙিয়ে দৈনন্দিন খরচ মেটাচ্ছেন। আবার ব্যাংক খাতে অব্যবস্থাপনার কারণেও কেউ কেউ টাকা তুলে নিচ্ছেন। এখন ব্যাংকগুলো আমানতের সুদ বাড়িয়ে দেওয়ায় এসব টাকা দ্রুতই ব্যাংকে ফিরে আসবে।’

    গত জুলাইয়ে আমানত–ঋণের ৬-৯ সুদহার তুলে নিয়ে নতুন নিয়ম চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন প্রতি ছয় মাসের ট্রেজারি বিলের গড় সুদহারের ভিত্তিতে ‘স্মার্ট’ সুদহার নির্ধারণ করে দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। স্মার্ট সুদ হারের সঙ্গে বাড়তি ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ সুদ যোগ করে ব্যাংকগুলো ঋণের সুদহার নির্ধারণ করে। তাতে বর্তমানে ব্যাংকঋণের সুদহার বেড়ে হয়েছে ১২ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

    ঋণের সুদ বৃদ্ধির ফলে বেড়েছে আমানতের সুদহারও। কোনো কোনো ব্যাংক ৯ শতাংশের বেশি সুদে আমানত সংগ্রহ করছে। গত ডিসেম্বরে ব্যাংকগুলোতে আমানত বেড়েছে ১৩ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা। যে পরিমাণ আমানত এসেছে, তার চেয়ে ঋণ বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। ডিসেম্বরে ব্যাংকের ঋণ বেড়েছে ২৭ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত নভেম্বরে ব্যাংক খাতে আমানত ছিল ১৬ লাখ ৪০ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা। ডিসেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ লাখ ৫৪ হাজার ২৮৭ কোটি টাকায়। অন্যদিকে নভেম্বরে ব্যাংকঋণ ছিল ১৫ লাখ ৬৪ হাজার ৬২১ কোটি টাকা, যা ডিসেম্বরে বেড়ে হয় ১৫ লাখ ৯২ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। এর ফলে ব্যাংকগুলোতে তারল্যসংকট তৈরি হয়।

    আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম সারওয়ার বলেন, ‘ডিসেম্বরে বেশির ভাগ ঋণ পরিশোধের সময় নির্ধারণ করা থাকে। এই সময়ে অনেকে আমানত ভেঙে ঋণ পরিশোধ করে। এ জন্য আমানত তেমন বাড়েনি। এদিকে নির্বাচনের কারণে নগদ টাকার ব্যবহার অনেক বেড়ে গিয়েছিল। ব্যাংকের বাইরে টাকা বেড়ে যাওয়ার এটা একটা কারণ হতে পারে। তবে এসব টাকা আবার ব্যাংকে ফিরে আসবে।’

    মানুষ ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেওয়ার পর যা আর ব্যাংকে জমা হয় না, তা-ই ব্যাংকের বাইরে থাকা টাকা হিসেবে পরিচিত। এই টাকা মানুষ হয় দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে, নয়তো বেশি লাভের আশায় ব্যাংকের বাইরে বিভিন্ন সমিতি, জমি, ফ্ল্যাটে বিনিয়োগ করেন। আবার কেউ কেউ টাকা তুলে ঘরেও রেখে দেন।

    অকা/ব্যাংখা/সকাল/২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তুলে ঘরে রাখার প্রবণতা বেড়েছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.