অর্থকাগজ ডেস্ক>
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ১৯৬৬ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই লড়াই।
লিওনেল মেসির নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য আর্জেন্টিনার। পরিসংখ্যান, বর্তমান ফর্ম ও দলীয় ভারসাম্য বিবেচনায় কয়েকটি কারণ আলবিসেলেস্তেদের এগিয়ে রাখছে।
১. দুর্দান্ত ছন্দে লিওনেল মেসি
৩৬ বছর বয়সেও বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফুটবল খেলছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। চলতি আসরে আট গোল করে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। গোল করার পাশাপাশি আক্রমণ তৈরি, সতীর্থদের সুযোগ সৃষ্টি এবং ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন তিনি। মেসি নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারলে ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগকে কঠিন পরীক্ষায় পড়তে হবে।
২. আক্রমণভাগে একাধিক ম্যাচজয়ী ফুটবলার
শুধু মেসির ওপর নির্ভরশীল নয় আর্জেন্টিনা। হুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্টিনেজসহ একাধিক ফরোয়ার্ড গোল করার ধারায় ফিরেছেন। কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের কার্যকর পারফরম্যান্স সেটিই প্রমাণ করেছে। এছাড়া টুর্নামেন্টে দলের সাতজন ভিন্ন খেলোয়াড় গোল করেছেন, যা আক্রমণে বৈচিত্র্য এনে দিয়েছে।
৩. সেমিফাইনালে শতভাগ সাফল্যের ইতিহাস
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার রেকর্ড ঈর্ষণীয়। এর আগে পাঁচবার শেষ চারে উঠে প্রতিবারই তারা ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। বড় ম্যাচের চাপ সামলে জয়ের অভিজ্ঞতা দলটির আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেবে।
৪. ইংল্যান্ডের নির্ভরতা দুই তারকার ওপর
টমাস টুখেলের দল শক্তিশালী হলেও আক্রমণে হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহামের ওপর তাদের নির্ভরতা স্পষ্ট। চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের অধিকাংশ গোল এসেছে এই দুই ফুটবলারের কাছ থেকে। আর্জেন্টিনার রক্ষণ যদি তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে, তাহলে ইংল্যান্ডের আক্রমণের ধার অনেকটাই কমে যেতে পারে।
৫. কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতা
এই বিশ্বকাপে একাধিকবার প্রতিকূল পরিস্থিতি সামলে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও জয়, আর কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ১২০ মিনিটের লড়াই শেষে সাফল্য—দুই ম্যাচই দলটির মানসিক দৃঢ়তা ও লড়াকু মনোভাবের প্রমাণ। সেমিফাইনালের মতো চাপের ম্যাচে এই অভিজ্ঞতা বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
সর্বশেষ হালনাগাদ 3 hours আগে

