চৌধুরী মো. শাহেদ

দেশের বীমা কোম্পানিতে যোগ্য মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার অভাব বিবেচনায় সিইও নিয়োগ দেয়ার জন্য বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এর গঠিত পুলে তেমন একটা সাড়া মিলেনি। বীমা খাতের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান আইডিআরএ’র শর্ত পূরণ করে আবেদন করেছেন চাকরি প্রত্যাশী মাত্র ৫ জন নির্বাহী কর্মকর্তা। এরা হলেন- অজিত চন্দ্র আইচ, পিপলু বিশ্বাস, এস. এম. জিয়াউল হক, মিজানুর রহমান শিপন ও আবদুল মান্নান। এ তালিকার মধ্যে প্রথম ৩ জন পূর্ণাঙ্গ মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন অনেকদিন। খবর বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এর নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রের।

প্রধান নির্বাহী হিসেবে অজিত চন্দ্র আইচ সোনালী লাইফ ও প্রগ্রেসিভ লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এ কাজ করেছেন। পিপলু বিশ্বাস চতুর্থ প্রজন্মের বীমা কোম্পানি ডায়মন্ড লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ছিলেন। এস. এম. জিয়াউল হক চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মিজানুর রহমান শিপন, এস. এম. জিয়াউল হক ও আবদুল মান্নানের বীমা পেশা শুরু হয় আলিকো-মেটলাইফ এ কাজের মাধ্যমে।

বীমা কোম্পানিতে চাকরিপ্রার্থী আবেদনকারী ৫ জনের মধ্যে ৪ জনের অভিজ্ঞতা বর্ণাঢ্য।  এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিজ্ঞ ও বয়োজ্যেষ্ঠ বীমা নির্বাহী অজিত চন্দ্র আইচ। অজিত চন্দ্র আইচ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত সনাতন পরিবারে ১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৬ সালে অর্থনীতিতে এম.কম ডিগ্রি অর্জন করেন। কর্মজীবনে তিনি চ্যালেঞ্জিং পেশা হিসেবে বীমাকে বেছে নেন। আনোয়ারায় জন্ম নেয়া বীমা জগতের সম্রাট নামে খ্যাত জাফরুল্লাহ চৌধুরীর হাত ধরে জীবন বীমা কর্পোরেশনের উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে পেশা জীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৮৯ সালে তিনি দেশের প্রথম বেসরকারি বীমা কোম্পানি ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগদান করেন। সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা সৃষ্টি করায় পরপর তিনবার তিনি ন্যাশনাল লাইফে শীর্ষস্থানীয় এ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। ১৯৯৩ সালে সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগদান করেন। সে সময় তিনি একক বীমার প্রকল্পের পাশাপাশি সন্ধানী ডিপিএস ও গ্রামীণ ডিপিএস নামের দুটি প্রকল্প চালু করে ব্যাপক সাড়া ফেলেন। প্রায় ২৩ বছর সন্ধানী লাইফ এ কর্মরত থাকার পর অজিত চন্দ্র ২০১৩ সালে নতুন অনুমোদনপ্রাপ্ত সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। বেশ কবছর সোনালী লাইফে কাজ করার পর যোগ দেন প্রগ্রেসিভ লাইফে। প্রগ্রেসিভ লাইফের পর কিছুদিন তিনি সোনালী লাইফের পরামর্শক ছিলেন। বীমা শিল্পের ওপর প্রশিক্ষণ নিতে অজিত চন্দ্র আইচ জাপান, মালয়েশিয়া, ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণ করেছেন।

পিপলু বিশ্বাসের ১৯৬৭ সালের ২৭ জুলাই চট্টগ্রাম রাউজান থানার গহিরা গ্রামে জন্ম। তাঁর জীবন বীমা পেশা শুরু ১৯৮৯ সালে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এ মাঠকর্মী হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে। ৫ বছর এখানে কাজ করার পর ১৯৯৩ সালে যোগ দেন সন্ধানী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এ এভিপি হিসেবে। সুদীর্ঘ ১৪ বছর  কোম্পানিটিতে গুরুত্ব পদগুলোতে কাজ করার পর ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর জ্যেষ্ঠ পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পান প্রগ্রেসিভ লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এ। ২০১৪ সালে সিইও’র পরের পদে উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে প্রগ্রেসিভ লাইফে পদোন্নতি পান তিনি।  এ পদে ৩ বছর কাজ সম্পাদন করার পর  ২০১৭ সালের ৭ মার্চ পিপলু বিশ্বাস চতুর্থ প্রজন্মের বীমা কোম্পানি ডায়মন্ড লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এখানে একই পদে ৮ বছর অর্থাৎ চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি অবধি তিনি ডায়মন্ড লাইফে কর্মরত ছিলেন।

১৯৬৯ সালের ২০ ডিসেম্বর জন্মলাভকারী নন লাইফ ও লাইফে কাজ করা বীমা নির্বাহী মিজানুর রহমান শিপনের শিক্ষা জীবনও বেশ সাফল্যময়। বীমা পেশার শুরুটা রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এ অবলিখন বিভাগে উপ ব্যবস্থাপক পদে।  ৬ বছর ১০ মাস রিলায়েন্সে কাজ করার একটি ক্রেডিট রের্টিং কোম্পানিতে জ্যেষ্ঠ আর্থিক বিশ্লেষক পদে ১ বছর ১১ মাস কাজ শেষে যোগ ফের যুক্ত হন রিলায়েন্সে বিপনন ও অবলিখন বিভাগের প্রধান হিসেবে। এরপর ২০০৫ সালে বড় পদে সংশ্লিষ্ট হন মার্কিন কোম্পানি আলিকো-মেটলাইফ এ। ২০২২ সাল অবধি আলিকো-মেটলাইফ এ গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নিয়োগ পান প্রগ্রেসিভ লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এ। এখানে তিনি সিইও’র পরের পদে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োগ পান।  দায়িত্বশীল এ পদে এক বছর কাজ করেন।

চতুর্থ প্রজন্মের বেসরকারি জীবন বীমা কোম্পানি স্বদেশ লাইফ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এ অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে থেকে ভারপ্রাপ্ত সিইও’র দায়িত্ব পালন করেছেন বীমা কর্মকর্তা আবদুল মান্নান। ১৯৭০ সালের ১ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ গোচাপাড়া থানার বনগাঁও গ্রামে জন্ম তাঁর।  ২৭ বছরের পেশাগত জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন আলিকো-মেটলাইফ এ। কর্ম জীবনের শুরুটাও এখান থেকেই। আলিকো-মেটলাইফ এ।গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন মোট ১৬ বছর। কাজ করেছেন গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এও। সিলেট ক্যাডেট কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হবার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজী বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি ভালো ফলাফল নিয়ে। আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট পরিচালিত চতুর্থ প্রজন্মের বেসরকারি জীবন বীমা কোম্পানি আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এ সিইও’র পরের পদ উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান বাণিজ্য কর্মকর্তা পদে কর্ম সম্পাদন করেন সাড়ে ৪ বছর।  এছাড়াও এ কোম্পানিতে তিনি এক বছর ভারপ্রাপ্ত সিইও’র দায়িত্বও পালন করেন।

চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর সদ্য সাবেক মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা সুদর্শন এস. এম. জিয়াউল হকের জন্ম ১৯৭৮ সালের ১০ আগষ্ট।  বেশ সাফল্যের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক প্রশাসন বিভাগে বিএসএস (অনার্স) ও এমএসএস ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিনান্সে এমবিএ সম্পন্ন করেন তিনি। ২০০১ সালে আলিকো-মেটলাইফ এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর বীমা পেশায় আগমন। ১৫ বছর এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পর প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এ যোগ দেন।  এখানে কাজ করেন তিনি মোট ৪ বছর।  ২০১৯ সালে সিইও হিসেবে নিয়োগ পান চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এ।  চলতি বছরের এপ্রিল মাস অবধি কোম্পনিটিতে দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।

জানা গেছে, সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে বর্তমান আইডিআরএ চেয়ারম্যান ড. এম. আসলাম আলমের নেতৃত্বে সম্প্রতি বেসরকারি খাতের লাইফ ও নন-লাইফ বীমা কোম্পানিতে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ দেয়ার জন্য পুল বা তালিকা গঠন করে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। পুলে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য গত ৪ জুনের মধ্যে যোগ্যতাসম্পন্ন আগ্রহী ব্যক্তিদের নির্ধারিত চেকলিস্ট অনুযায়ী দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। ১৬ মে গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়। কিন্তু আবেদনের সময়সীমায় প্রার্থীদের কাছ থেকে তেমন একটা সাড়া মেলেনি।

বিজ্ঞপ্তিতে পুলভূক্ত হওয়া মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগ লাভের নিশ্চয়তা প্রদান করে না বলে উল্লেখ করে বীমা খাতের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান আইডিআরএ। কর্তৃপক্ষ যেকোন সময়ে আবেদন প্রক্রিয়া বাতিল এবং উপরোক্ত শর্তাদির সংযোজন, বিয়োজন ও পরিমার্জনের অধিকার সংরক্ষণ করে এ কথাও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, দেশের বীমা কোম্পানিগুলো আস্থার সংকট অনেক দিন ধরে। বীমা কোম্পানিতে যোগ্য ও শিক্ষিত পেশাদার মুখ্য নির্বাহীর অভাবও এর অন্যতম প্রধান কারণ। বীমা খাতের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ভূয়া শিক্ষা সনদধারী, দুর্নীতিবাজ ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহীরা কাজ করে যাচ্ছেন দিনের পর দিন এমন অভিযোগ অনেক দিনের।  ১৫ বছর ধরে মিডিয়ায় এ বিষয়ে অনেক সংবাদ প্রকাশ হলে আমলে নেয়নি নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান আইডিআরএ। ভারপ্রাপ্তদের দিয়ে বীমা কোম্পানি পরিচালনা করা কেন প্রশ্নের উত্তরে দায়িত্বশীল আইডিআরএ কর্মকর্তারা মিডিয়াকে বলেছেন যোগ্য এমডি পাওয়া যায় না।

আইন লংঘন করে চলতি দায়িত্ব পালনকারী দেশের ৫টি বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অতি সম্প্রতি। ৫টি বীমা কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাগণ হলেন- চতুর্থ প্রজন্মের গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর শেখ রাকিবুল করিম, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর রফিকুল ইসলাম, মার্কেন্টাল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর এস. কে. আব্দুর রশিদ, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর মোশাররফ হোসেন এসিআইআই এবং রূপালী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া। 

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর এর (এনএসআই) স্মারক নম্বর–০৩.১২.২৬৬৬.৫৪২.২৩.০০১.২৫-৫৩৪ সূত্র উল্লেখ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (অর্থ মন্ত্রণালয়) এর সচিবকে প্রেরিত সম্প্রতি এক চিঠিতে এ নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এর পরিচালক-১২ র. হ. ম. আলাওল কবির।  সে চিঠির সূত্র ধরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণের জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে বীমা খাতের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষকে (আইডিআরএ) জানানো হয়।

বলা হয়, গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর শেখ রাকিবুল করিম ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ২২ মে অবধি ৪ বছর ৪ মাস ২১ দিন, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর রফিকুল ইসলাম ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ২২ মে অবধি ৮ মাস ১৭ দিন, মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর এস. কে. আব্দুর রশিদ ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ২২ মে অবধি ১০ মাস ২১ দিন, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর মোশাররফ হোসেন এসিআইআই গত ১০ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ২২ মে অবধি ৭ মাস ১০ দিন এবং রূপালী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া ২০২৩ সালের ২ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২২ মে অবধি ২ বছর ৪ মাস ১৭ দিন বীমা আইন লংঘন করে নিয়ম বর্হিভূতভাবে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে চলতি দায়িত্ব পালন রে আসছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, এ অনিয়মের বিপরীতে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এখন অবধি কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

অকা/বীখা/বিপ্রি/দুপুর/১৩ জুলাই,২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

 

সর্বশেষ হালনাগাদ 7 months আগে

Leave A Reply

Exit mobile version