Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে ঋণ সংকটে টিকে থাকার লড়াই

    সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫ ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ7
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি এখন রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। একসময় সরকারি অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত এই ব্যাংকগুলো ক্রমে আস্থাহীনতা, লোকসান ও খেলাপি ঋণের ফাঁদে জর্জরিত হয়ে পড়ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন শেষে চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মোট খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা, যা মাত্র ছয় মাসে বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ। উদ্বেগজনক বিষয় হলো—এই খেলাপি ঋণের ৯০ শতাংশেরও বেশি ‘ক্ষতি’ ঋণ হিসেবে চিহ্নিত, যা আর পুনরুদ্ধারের কোনো সম্ভাবনা নেই।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর এই সংকট হঠাৎ তৈরি হয়নি। বছরের পর বছর রাজনৈতিক প্রভাব, অদক্ষ ব্যবস্থাপনা, দুর্বল কর্পোরেট গভর্নেন্স ও অস্বচ্ছ ঋণ বিতরণ প্রক্রিয়ার কারণে এ অবস্থা তৈরি হয়েছে। মূলধন ঘাটতি, ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে পর্যাপ্ত প্রভিশন না রাখা, লোকসান বৃদ্ধি এবং নতুন বিনিয়োগে অনীহা ব্যাংকগুলোকে আরও দুর্বল করে তুলছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় বেসরকারি ব্যাংকের সংস্কার পরিকল্পনা নিলেও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর আর্থিক ভিত্তি এতটাই নাজুক যে, কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়া এগুলোকে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এখনই কঠোর সংস্কার, পুনর্গঠন বা প্রয়োজনে একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত না নিলে এই ব্যাংকগুলো অর্থনীতির সহায়ক নয়, বরং বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।

    রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদের মতে, গত ১৫ বছরে ব্যাংকগুলোতে যে লুটপাট হয়েছে, তার প্রভাব কাটিয়ে উঠতে এক-দুই বছর যথেষ্ট নয়। তার ভাষায়, খেলাপি ঋণ আসলে আরও আগেই দেখানো উচিত ছিল, কিন্তু তা না করায় এখন পরিস্থিতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, টিকে থাকার জন্য ব্যাংকগুলোকে ডিপোজিট সংগ্রহ ও নতুন ঋণ দেওয়ার বাইরে গিয়ে রিকভারির দিকে মনোযোগী হতে হবে।

    চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে জনতা ব্যাংক। ২০২৫ সালের জুন শেষে ব্যাংকটির মোট ঋণের ৭৬ শতাংশই খেলাপি—পরিমাণে ৭২,১০৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৯৩ শতাংশ ‘খারাপ’ বা ‘ক্ষতি’ ঋণ হিসেবে চিহ্নিত, যা পুনরুদ্ধারের প্রায় অযোগ্য। ব্যাংকটির মূলধন পর্যাপ্ততার হার –৩.২৫ শতাংশে নেমে গেছে, যেখানে ন্যূনতম প্রয়োজন ১২.৫ শতাংশ। যদিও লোকসান কিছুটা কমেছে—প্রথম ছয় মাসে নেট ক্ষতি হয়েছে ২,০৭১ কোটি টাকা, যা আগের ছয় মাসে ছিল ৩,৭০ কোটি টাকা।

    রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সোনালী ব্যাংক কিছুটা ভালো অবস্থানে রয়েছে। ২০২৫ সালের জুন শেষে এর মোট ঋণের ২০ শতাংশ খেলাপি, যা আগের বছরের ডিসেম্বরে ছিল ১৮.২০ শতাংশ। ইতিবাচক দিক হলো, ব্যাংকটি মূলধন সংরক্ষণে সক্ষম হয়েছে। জুন শেষে এর মূলধন পর্যাপ্ততার হার দাঁড়িয়েছে ১০.১০ শতাংশ, যা ন্যূনতম ১০ শতাংশের শর্ত পূরণ করে। এ ছাড়া, প্রথম ছয় মাসে সোনালী ব্যাংক ৫৯১ কোটি টাকা নেট মুনাফা করেছে।

    অগ্রণী ব্যাংকের পরিস্থিতি মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়। ২০২৫ সালের জুন শেষে এর খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৩২,২৫৭ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৪০.৫ শতাংশ। এর মধ্যে ৮৭ শতাংশ ‘খারাপ’ ঋণ হিসেবে চিহ্নিত। ব্যাংকটির মূলধন পর্যাপ্ততার হার মাত্র ১.৯৭ শতাংশ, যা বাধ্যতামূলক ১২.৫ শতাংশের তুলনায় বিপজ্জনকভাবে কম। যদিও ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটি ১১৪ কোটি টাকা নেট মুনাফা করেছে, ২০২৪ সালের শেষ ছয় মাসে এ খাতে ৯৩৬ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছিল।

    রূপালী ব্যাংকের পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। ২০২৫ সালের জুন শেষে ব্যাংকটির মোট খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ২২,১৭৯ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৪৪ শতাংশ। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এ হার ছিল ৪১.৫ শতাংশ। এর মধ্যে ৯১ শতাংশই ‘খারাপ’ ঋণ হিসেবে ধরা হয়েছে। ব্যাংকটির মূলধন পর্যাপ্ততার হার মাত্র ২.৮৬ শতাংশ, যেখানে প্রয়োজন ১২.৫ শতাংশ। বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটি নেট মুনাফা করেছে মাত্র ৮.৩৪ কোটি টাকা, যা ২০২৪ সালের শেষ ছয় মাসে ছিল ৬৪.৪৯ কোটি টাকা।

    অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর বর্তমান সংকট আর কেবল মুনাফার ঘাটতির সমস্যা নয়, বরং টিকে থাকার প্রশ্ন। খেলাপি ঋণের প্রকৃত অবস্থা প্রকাশ, কঠোর ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত কর্পোরেট গভর্নেন্স ও প্রয়োজনে একীভূতকরণের মতো পদক্ষেপ এখন জরুরি। নচেৎ দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো অর্থনীতির চালিকা শক্তি না হয়ে বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল/১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 10 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ, স্বস্তির ইঙ্গিত অর্থনীতিতে

    দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.৮৫ বিলিয়ন ডলার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    বিশ্বকাপে মেসির অনন্য রেকর্ড, স্মরণীয় ১৫ মিনিট

    অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

    গুগলের ৫টি গোপন সার্চ কৌশল

    স্যামসাংয়ের নতুন ৫জি স্মার্টফোন

    ছেলের আত্মহত্যা: ওপেনএআইর বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

    বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল

    প্রযুক্তি নিয়ে প্রচলিত ২৪টি ভুল ধারণা, যেগুলো সত্য নয়

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    শাহজালালে ১৮ কেজি স্বর্ণ জব্দ; নজরদারিতে বিমানের ৪ কর্মকর্তা

    বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক হলেন লোটন একরাম

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল
    উত্তরবঙ্গে হচ্ছে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল

    কাজল মাখা চোঁখের ভাঁজে তিল কণ্যা সঙ্গীতশিল্পী রোক্সার রহমানের জন্মদিন

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    প্রথমবারের মতো নারীর নেতৃত্বে মার্কিন শেয়ারবাজার

    মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ, স্বস্তির ইঙ্গিত অর্থনীতিতে

    দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.৮৫ বিলিয়ন ডলার

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর আনিছুর রহমান

    গ্রাহক মহাসমাবেশের ঘোষণা
    ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.