Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    রেমিট্যান্স ঋণ পরিশোধের ব্যয় লাঘব করতে পারে

    অক্টোবর ১২, ২০২৪ ৭:০৪ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ঋণ পরিশোধের ব্যয় পৌঁছাবে সর্বোচ্চ ৫৩০ কোটি ডলারে। সেক্ষেত্রে রেমিট্যান্স ঋণ পরিশোধের ব্যয় কিছুটা লাঘব করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তাদের মতে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশকে বৈদেশিক ঋণের সুদ বাবদ পরিশোধ করতে হবে ১৯০ কোটি ডলার। ওই সময়ে ঋণের আসল পরিশোধ করতে হবে ৩৪০ কোটি ডলার।

    সুদ ও আসল-সহ বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ঐতিহাসিকভাবে সর্বোচ্চ ৫৩০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে, অবশ্য পরের বছরেই তা কমতে শুরু করবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি নথি অনুযায়ী, দেশে আসা তিন মাসের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স আর্থিক এই বোঝা কিছুটা লাঘব করতে পারে।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তাদের মতে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশকে বৈদেশিক ঋণের সুদ বাবদ পরিশোধ করতে হবে ১৯০ কোটি ডলার। ওই সময়ে ঋণের আসল পরিশোধ করতে হবে ৩৪০ কোটি ডলার।

    ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত, বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের পরিমাণ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে; যার মধ্যে সুদ ১৭০ কোটি এবং আসল দিতে হবে ৩৩০ কোটি ডলার। ইআরডি কর্মকর্তাদের মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশকে ৪৫০ কোটি ডলারের বেশি পরিশোধ করতে হবে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই নথিতে বলা হয়েছে, '২০২৬-২৭ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছালেও, পরের অর্থবছর থেকে তা পর্যায়ক্রমে কমে আসবে।'

    সাম্প্রতিক কয়েক মাসে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমণ বেড়েছে, আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে ৪৬৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ যেসব ঋণ নিয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করে সুদ ও আসল পরিশোধের প্রবণতা আরো তিন বছর বাড়তে থাকবে। এরপরে অর্থবছর ২০২৭-২৮ থেকে যা কমতে থাকবে।

    এতে আরো বলা হয়, তিন মাসের রেমিট্যান্সের সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে বাংলাদেশ পরিশোধের সর্বোচ্চ সময়েও – ওই বছরের সম্পূর্ণ দায় পরিশোধ করতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    অনেক বছর ধরে বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পে ঋণ নিয়ে অর্থ ব্যয় করায়, এবং সেগুলো পরিশোধের সময় পর্যায়ক্রমে শুরু হওয়ায় – বাড়ছে বাংলাদেশের বাহ্যিক (বৈদেশিক) ঋণ পরিশোধের অঙ্ক।

    কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফের) পর্যালোচনা অনুযায়ী, ঋণ নিয়ে সংকটে পড়ার স্বল্প ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ, এবং দেনা বনাম জিডিপি অনুপাতে, বাহ্যিক উৎস থেকে আরো ঋণ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

    গত ৩০ জুনে সমাপ্ত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ প্রায় ২৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৩৩৬ কোটি ডলারে। এসময় ২০০ কোটি ডলার আসল এবং ১৩৪ কোটি ডলার সুদ দিতে হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইআরডির প্রাক্কলিত বাহ্যিক ঋণ পরিশোধের প্রোফাইল অনুযায়ী, সবচেয়ে বড় অংকের বৈদেশিক ঋণ (সুদসহ আসল) পরিশোধ করতে হবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে। ওই অর্থবছরে মোট বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের পরিমাণ (সুদসহ আসল) হবে প্রায় ৫৩০ কোটি ডলার (২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত ঋণের হিসাব অনুসারে)।

    চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ যেসব ঋণ গ্রহণ করছে – সেগুলোর সুদ যোগ করলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সুদ পরিশোধ করতে হবে ২০০ কোটি ডলার। তবে এসময় আসল পরিশোধের পরিমাণ বাড়বে না, কারণ প্রতিটি বৈদেশিক ঋণে অন্তত তিন থেকে ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের খরচ বেড়ে সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছালেও — পরের অর্থবছর থেকে তা পর্যায়ক্রমে কমবে।

    আর সব ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশ বাহ্যিক এবং সামগ্রিক ঋণ সঙ্কটের কম ঝুঁকিতে রয়েছে বলে আইএমএফের বর্তমান পর্যালোচনায় বলা হয়েছে। জুন ২০২৪ সালের আইএমএফ প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, ঋণ সংকটের ঝুঁকি কম রয়েছে। বাংলাদেশ তার বৈদেশিক ঋণ সীমার অনেক নিচে রয়েছে এবং তা পরিশোধের পর্যাপ্ত ক্ষমতা সরকারের রয়েছে বলেই যা ইঙ্গিত করছে।

    কর্মকর্তারা বলেছেন, বৈদেশিক সহায়তা আকৃষ্ট করতে এবং এ ধরনের সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে যথেষ্ট ভালো করেছে বাংলাদেশ। বৈদেশিক ঋণ বিচক্ষণতা ও টেকসইভাবে ব্যবস্থাপনার সক্ষমতারও প্রশংসা করেছে উন্নয়ন সহযোগীরা। একইসঙ্গে, আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক দ্বারা পরিচালিত ঋণ স্থায়িত্ব বিশ্লেষণে বাংলাদেশকে বৈদেশিক এবং সামগ্রিক ঋণ সংকটের কম ঝুঁকিতে থাকার মূল্যায়ন করা হয়েছে।

    ইআরডির আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈদেশিক ঋণ অভূতপূর্বভাবে বাড়া সত্ত্বেও সরকারের অনুসৃত বিচক্ষণ ঋণ নীতির কারণে বাংলাদেশ 'অখেলাপি পক্ষ' (নন-ডিফল্টিং পার্টি) হিসেবে সুনামের সাথে স্বাচ্ছন্দ্যে তার ঋণ পরিশোধ করছে। আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহৃত সূচকগুলোর বিবেচনায়– বাংলাদেশ একটি স্বস্তিদায়ক ঋণ টেকসইতার অবস্থা ধরে রাখতে পেরেছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত, সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ছিল জিডিপির ১৫.৫৯ শতাংশ, যার সীমা হলো ৪০ শতাংশ, অর্থাৎ এপর্যন্ত নেওয়া সম্ভব। ঋণ পরিশোধে এটি একটি শক্তিশালী অবস্থানকে নির্দেশ করে। এছাড়া, ২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের দায় ছিল রফতানি করা পণ্য ও সেবার ৫.৮১ শতাংশ, যার সীমা হলো ১৫ শতাংশ। এটিও বাংলাদেশের তারল্যের দৃঢ় অবস্থানকে তুলে ধরে।

    করোনা মহামারি থেকে দ্রুতই পুনরুদ্ধার হয় বাংলাদেশের অর্থনীতির, কিন্তু তারপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু নতুন সব প্রতিকূলতা নিয়ে হাজির হয়। বিশ্ববাজারে পণ্যদ্রব্যের চড়া দামের কারণে বাহ্যিক চাপ বেড়েছে, বৈশ্বিক আর্থিকখাতের সংকুলানমূলক নীতির ফলে সুদহার বাড়ায় বৈদেশিক অর্থায়ন লাভের খরচও বেড়েছে।

    প্রতিবেদনটি বলছে, এই পরিস্থিতিতে, ইউক্রেন যুদ্ধের বিরূপ অভিঘাত মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার সংশ্লিষ্ট প্রকল্প ও কর্মসূচি অর্থায়নে— সরকার নিয়মিত ঋণের অধীনে, বাজেট ও প্রকল্প সহায়তা হিসেবে অতিরিক্ত অর্থ নিয়েছে।

    বাংলাদেশ নিম্ন মধ্য-আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ায় – বেশিরভাগ উন্নয়ন অংশীদার ইতোমধ্যে তাদের ঋণের ম্যাচুউরিটি ও গ্রেস পিরিয়ড কমিয়ে অথবা সুদের হার বাড়িয়ে আর্থিক শর্তাবলী সামঞ্জস্য করায়— রেয়াতি বা সহজ শর্তে বৈদেশিক সহায়তা লাভের সুযোগ আগের বছরের চেয়ে কমেছে।

    অন্যদিকে কিছু বড় ও জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে বিনিয়োগের চাহিদা মেটানোর জন্য অরেয়াতি শর্তে দ্বিপাক্ষিক উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ বেড়েছে।

    ইআরডির তথ্যমতে, বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ায় – গত ১৫ বছরে বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ২৪২.৫৬ শতাংশ বেড়েছে। একইসময়ে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ বেড়েছে ২৮৩.৪২ শতাংশ।

    ২০০৯ সালে সরকার সুদ ও আসল-সহ ৮৭ কোটি ৫৫ লাখ ডলার ঋণ পরিশোধ করে, গত ১৫ বছরে যা বেড়ে ৩৩৫ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

    ইআরডির তথ্যানুসারে, ১৫ বছরে আসল পরিশোধ বেড়েছে ১৯৩ শতাংশ এবং সুদ পরিশোধ বেড়েছে ৬০৯ শতাংশ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে সরকার উন্নয়ন সহযোগীদের প্রকৃতপক্ষে পরিশোধ করেছে প্রায় ৬৮ কোটি ডলার (৬৮৫.৭৪ মিলিয়ন), যা গত অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়ায় ২০০ কোটি ডলারে (২.০০৯ বিলিয়ন)। অন্যদিকে, সুদ পরিশোধ ২০০৯-১০ অর্থবছরের প্রায় ১৯ কোটি ডলার (১৮৯.৮৪ মিলিয়ন) থেকে বেড়ে গত অর্থবছরে হয়েছে ১৩৪ কোটি ডলার (১.৩৪৭ বিলিয়ন)। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/ দুপুর, ১২ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.