Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শুক্রবার, ২১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৬ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সঞ্চয়পত্রের তিন খাতে সংস্কার

    নভেম্বর ৪, ২০২৪ ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণUpdated:নভেম্বর ৪, ২০২৪ ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বিদেশ থেকে ডলার সংগ্রহের লক্ষ্যে সঞ্চয়পত্রের তিন খাতে সংস্কার এনেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এর মধ্যে ‘ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড’ ও ‘ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড’ কেনার ক্ষেত্রে কোনো ঊর্ধ্বসীমা থাকছে না। আগে এ দুটি বন্ডে ৫০ হাজার ডলারের বেশি বিনিয়োগ করতে পারতেন না প্রবাসীরা। এছাড়া বিদেশি মালিকানাধীন শিপিং বা এয়ারওয়েজ কোম্পানির বিদেশস্থ অফিসে কর্মরত অনাবাসিক বাংলাদেশিরা এখন থেকে নিজ নামে ‘ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড’ কিনতে পারবেন। এ সুবিধা আগে ছিল না।

    একইভাবে রেমিট্যান্স দিয়ে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে সর্বোচ্চ দুবার এবং ‘ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড’ ও ‘ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড’-এ সর্বোচ্চ চারবার পুনর্বিনিয়োগের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে তিনটি বন্ডেই একবার করে বিনিয়োগ করা যাবে।

    রোববার অর্থ বিভাগের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সেখানে বলা হয়, পেনশনার সঞ্চয়পত্রে বিদ্যমান তিন মাস অন্তর মুনাফার বিপরীতে প্রতিমাসে মুনাফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনর্বিনিয়োগও হবে এখন থেকে। পহেলা ডিসেম্বর থেকে এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে এসব সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিন আটকে ছিল অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে (আইআরডি)। তবে উল্লিখিত সিদ্ধান্তগুলো কার্যকর হলে ডলার সংকট কাটাতে সহায়তা হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    এ ব্যাপারে অর্থ বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ জানান, ইউএস ডলার প্রিমিয়ার বন্ড এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডে ডলার পুনর্বিনিয়োগের সুবিধা দেওয়া হয়নি। এ আইনটি থাকা ঠিক নয়। আমি মনে করি, ডলারের যে বন্ডগুলো আছে, সেখানে পুনর্বিনিয়োগ থাকা উচিত। বন্ডে ডলার পুনরায় বিনিয়োগ সুবিধা না থাকায় গ্রাহক ইচ্ছা করলে ডলার ফেরত নিতে পারবেন। এতে ডলার চলে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। কারণ, আইনগত গ্রাহক ডলার পুনরায় বিদেশে নিয়ে যেতে পারবেন। ফলে অনেকে এ কাজটি করছে। সেটি বন্ধ করতে বন্ডে ডলার পুনরায় বিনিয়োগের বিধানটি রাখা বা সুযোগ দেওয়া উচিত।

    এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এখন থেকে প্রতি তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র, পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডে যে টাকা বিনিয়োগ করা হবে, শুধু সে টাকাই মেয়াদ শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনর্বিনিয়োগ হবে।

    তবে ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক মেয়াদি হিসাবের ক্ষেত্রে মুনাফাসহ মূল টাকা পুনরায় বিনিয়োগ করা যাবে। আর জাতীয় সঞ্চয় স্কিমে স্বয়ংক্রিয় পুনর্বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পুনরায় বিনিয়োগের তারিখ থেকে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা প্রযোজ্য হবে।

    সেখানে আরও বলা হয়, ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডে বিনিয়োগ এবং পুনর্বিনিয়োগের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কেউ পুনরায় বিনিয়োগ করতে চাইলে সেক্ষেত্রে নতুন করে রেমিট্যান্স এনে সম্পূর্ণ নতুনভাবে বিনিয়োগ করতে হবে।

    এদিকে বিদেশি মালিকানাধীন শিপিং বা এয়ারওয়েজ কোম্পানির বিদেশস্থ অফিসে চাকরির অনিবাসিক বাংলাদেশি মেরিনার, পাইলট ও ক্রেবিন ক্রুদের সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগর নতুন সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আগে ডলার দিয়ে এসব অনাবাসিক পেশাজীবী সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারতেন না। এখন থেকে উল্লিখিতরা নিজ নামে বাংলাদেশের কোনো তফশিল ব্যাংকের অথরাইজড ডিলার (এডি) শাখায় বৈদেশিক মুদ্রায় (এফসি) হিসাব থাকলে ওই হিসাবে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স দ্বারা ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে বিনিয়োগ করার সুযোগ পাবেন।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, সঞ্চয়পত্র খাতে প্রস্তাবগুলো ইতিবাচক দৃষ্টিতে বিবেচনা করা হয়েছে। এরই মধ্যে দেশের অর্থনীতি, সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন প্রাপ্যতা, সঞ্চয়পত্র ক্রেতার সংখ্যা-সবই বেড়েছে। কিন্তু এ খাতের বিধিবিধান নিয়মগুলো পরিবর্তন করা হয়নি, যদিও অনেক আগের প্রণয়ন করা। এখন যুগোপযোগী করা হচ্ছে।

    পেনশন সঞ্চয়পত্রের মাসিক মুনাফা সুবিধার পাশাপাশি এর সিলিং পুনর্বিচেনা করা দরকার বলে মনে করছেন অনেকে। কারণ, পেনশন সঞ্চয়পত্র কেনার সিলিং যখন নির্ধারণ করা হয়, ওই সময় সরকারি চাকরিজীবীদের বেতনভাতার অঙ্ক কম ছিল। এরপর ২০০৯ ও ২০১৫ সালে চাকরিজীবীদের দুটি পে-স্কেল দিয়েছে সরকার। এখন একজন দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা অবসরে গেলে আনুতোষিক ৫০ লাখ টাকার ওপরে পাচ্ছেন। এর সঙ্গে ভবিষ্যতহবিল যোগ করলে তা এক কোটি টাকার বেশি হচ্ছে। কিন্তু পেনশন সঞ্চয়পত্র কেনার সিলিং কম থাকায় অবসরে যাওয়া চাকরিজীবীরা পেনশনের পুরো টাকা দিয়ে ইচ্ছা থাকলেও এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারছেন না।

    এছাড়া একজন চাকরিজীবী অবসরে গেলে তার বেতন ৬৫ শতাংশ কমে যায়। যিনি ৩০ হাজার টাকা বেতন পেয়েছেন, পেনশনে গেলে পরের মাস থেকে পাবেন ১৩ হাজার ৫০০ টাকা। তার ঘাটতি মেটানোর কোনো সুযোগ থাকে না। অথচ এ সময়ে তার খরচও কমছে না। যদিও বিনিয়োগের জন্য শেয়ারবাজার বা ব্যাংক আছে। কিন্তু পুঁজিবাজারের ঝুঁকি নিয়ে অনেকে বিনিয়োগ করতে সাহস পান না। ব্যাংকে আমানতের সুদ কম থাকায় সেখানেও বিনিয়োগ করেন না। আয়ের ঘাটতি মেটাতে পেনশনের টাকা দিয়ে একমাত্র সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করেন বেশি। কারণ, এ খাতটিকে তারা নিরাপদ মনে করেন।

    উল্লেখ্য, বর্তমান পেনশন সঞ্চয়পত্র একক নামে সর্বোচ্চ ৫০ (পঞ্চাশ) লাখ টাকা পর্যন্ত কেনা যায়। তবে সে অর্থের পরিমাণ আনুতোষিক ও সর্বশেষ ভবিষ্যতহবিলের তুলনায় প্রাপ্ত অর্থের বেশি নয়। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/ সকাল, ৪ নভেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কাতারের এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    কাতারের এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা

    ইইউ বাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.