Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সরকারের ব্যাংক ঋণের পরিমাণ কমেছে

    সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩ ৪:৩০ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    নতুন অর্থবছরের শুরুতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন এখনও পুরোদমে শুরু না হওয়ায় আগস্ট মাসে ব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ কমেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সরকার গত বছরের আগস্টে ব্যাংকিং খাত থেকে ৩,৫১০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল, যা এই বছরের আগস্টে ছিল ৫৪০ কোটি টাকা। অর্থাৎ সরকার গত বছরের একই মাসের তুলনায় এবারের আগস্টে ৮৫% কম ঋণ নিয়েছে।

    ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্ট) সরকার ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে ব্যাংকিং খাতে ৩,২৮৩ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগস্টের শেষে ব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩.৯০ লাখ কোটি টাকা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্ট মাসে সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মূলত ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে ১৩,২৭৪ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ১২,৭৩৩ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। এর অর্থ হতে পারে এই যে, সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করছে।

    নতুন অর্থবছরে সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বেড়েছে। জুলাই ও আগস্ট মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ১৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বেসরকারি খাতে অর্থের যোগান কমে যাওয়ায় বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকারি ঋণ বৃদ্ধি মূল্যস্ফীতিকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, "সরকার মূলত ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে ঋণ নিচ্ছে। বেসরকারি খাতে ঋণ দেওয়ার পরিবর্তে, ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে কারণ এতে আরও ভাল রিটার্ন এবং সিকিউরিটি আছে।"

    তিনি আরও বলেন, আমদানি লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খোলার হার কমে যাওয়ায় বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা আগের তুলনায় কমেছে।

    অন্য একটি ব্যাংকের এমডি বলেছেন, "ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগের একটি কারণ হল উচ্চ সুদহার। এখন আমরা বিলের বিপরীতে ৮-৯% সুদ পাচ্ছি। বেসরকারি খাতের ঋণের বেলায় সুদের হার ১০% এর কিছু বেশি হলেও, এক্ষেত্রে কিছু ঝুঁকি আছে। কিন্তু সরকারকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন ঝুঁকি নেই।"

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, "সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে বেসরকারি খাতের জন্য উপলব্ধ তহবিলের পরিমাণ কমে যায়। এমনিতেই আমাদের অর্থনীতি তারল্য সংকট এবং আমানত কমে যাওয়াসহ নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সরকার এখন ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নিচ্ছে। কিন্তু এটা খুব একটা ভালো সিদ্ধান্ত নয়।"

    সাবেক গভর্নর বলেন, "নির্বাচনের আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বিতরণের চাপ এড়াতে এবং নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগ করছে। অবশ্যই এভাবে ঋণ দেওয়া ব্যাংকের জন্য উপকারী। কিন্তু, ব্যাংকের প্রধান কাজ বেসরকারি খাতে ঋণের ব্যবস্থা করা। তা না করে তারা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সরকারকে ঋণ দিচ্ছে।"

    তিনি আরও বলেন, ব্যাংকগুলো বেসরকারি খাতে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু গ্রাহকের পক্ষপাতী।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করলে অর্থনীতিতে অর্থ সরবরাহ কমে যায়। রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির কারণে প্রতিদিন অনেক টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে যাচ্ছে।

    গত অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে ১৩.৫৮ বিলিয়ন ডলার বিক্রির ফলে বাজার থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে ১.১৪ লাখ কোটি টাকা জমা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জুলাই ও আগস্ট মাসে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিক্রি করেছে যা অর্থনীতি থেকে ২২ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছে, জানান তিনি।

    গত জুলাই ও আগস্টে কেনা নতুন ট্রেজারি বিল ও বন্ডের জন্য প্রায় ৫ হাজার ২০০ কোটি টাকা ছাপতে হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক একে নেট ডিভলভমেন্ট বলে। এর আগে, গত জুনে শেষ হওয়া ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় ৭৮,১৪০ কোটি টাকা মুদ্রিত হয়েছিল।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, যখন নতুন টাকা ছাপিয়ে বাজারে ছাড়া হয়, তখন তা মুদ্রাস্ফীতিকে আরো উস্কে দেয়। গত বছর প্রচুর টাকা ছাপার কারণে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। সরকারের এই ঋণ কমানো মূল্যস্ফীতিকে খুব একটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।

    ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া চলতি অর্থবছরের মুদ্রানীতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশে রাখার লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছে।

    আগস্টে প্রধান খাদ্যদ্রব্যগুলোর বৈশ্বিক মূল্য দুই বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছালেও, বাংলাদেশে এই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১২.৫৪%, যা ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতির হার জুলাইতে ছিল ৯.৬৯%, তা আগস্টে এসে সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৯২% এ এসে দাঁড়িয়েছে।

    বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার এ সরকারি পদক্ষেপ মূল্যস্ফীতি কমাতে খুব একটা কার্যকর হবে না উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, "বেসরকারি খাতে ঋণ কমলে উৎপাদন কমে যাবে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে না। সরকারের নেওয়া ঋণ উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় করা হয় না। এতে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে।"

    ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে ১,৩২,৩৯৫ কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

    ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে ১,০৬,৩৩৪ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল কিন্তু ব্যয় বৃদ্ধির কারণে এ অর্থবছরে ১,১৯,২৭৫ কোটি টাকা ঋণ নিতে হয়েছিল।

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    সরকারের ব্যাংক ঋণের পরিমাণ কমেছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.