তারেক আবেদীন

চিকিৎসা পেশা থেকে আসা প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (চ. দা.) কিশোর বিশ্বাস বলেছেন, দেশে একদিন স্বাস্থ্য বীমায় রোল মডেল হবে প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স। তিনি প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করে আসছেন।  অর্থকাগজ অনলাইনে সংস্করণের সঙ্গে একান্ত আলাপে এ মত ব্যক্ত করেন তিনি।

স্বাস্থ্য বীমা নিয়ে এই তরুণ বীমা নির্বাহীর আগ্রহ প্রবল।  তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বীমা চালু হয়েছে।  দেশের প্রেক্ষাপটে আরো বেশি স্বাস্থ্য বীমা প্রয়োজন।  হঠাৎ বিপদে পড়লে মানুষকে হাসপাতাল যেতে হয়।  চিকিৎসা নিতে হয়।  তাই বীমা হতে পারে দুঃসময়ে জনগণের সবচেয়ে বড় বন্ধু।  

তিনি বলেন, বীমা খাতের আকার দিনদিন বড় হচ্ছে।  নতুন নতুন কোম্পানী আসছে।  বাড়ছে প্রতিযোগিতা।  এর মধ্যে কিছু কোম্পানীর নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কারণে গোটা বীমা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।  নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে জড়িতদের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই, বীমা খাত আরো পরিচ্ছন্ন হবে।

ডা. কিশোর বিশ্বাস কোম্পানীগুলোর সঙ্গে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আইডিআরএ আমাদের অভিভাবক।  নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বন্ধুসুলভ।  প্রতিষ্ঠানটির নির্দেশনা মেনে বীমা কার্যক্রম আইনসম্মতভাবে পরিচালনা করা হলে গোটা খাতে সুশাসন নিশ্চিত হবে।

বীমা বিষয়ে বড় অভিজ্ঞ বীমা ব্যক্তিত্ব  ও হিসাববিদ ড. মোশারফ হোসেনকে আমরা অভিভাবক হিসেবে পেয়েছি। যার জন্য বীমা খাতকে মানুষ সম্মানের চোখে দেখে।  বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষে জনবলের যথেষ্ট কমতি থাকার পরও চেয়ারম্যান মহোদয়ের মত একজন যোগ্য ব্যক্তির নেতৃত্বে পরিচালিত হয়ে আসছে দেশের গোটা বীমা খাত।  এর সুফল ইতোমধ্যে পেতে শুরু করছি আমরা।

বীমায় নতুন পলিসির চেয়ে তা রক্ষা করা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ড. কিশোর।  পলিসি তামাদি বড় সমস্যা। তামাদি পলিসি রোধ করতে চায় প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।  তামাদি পলিসি সম্পর্কে তিনি বলেন, দু পক্ষের কারণেই বীমা তামাদি হয়। কোম্পানিগুলো নতুন পলিসি আনেন এজেন্টদের মাধ্যমে। এজেন্টদের প্রথম বছরের প্রিমিয়াম আয় বেশি থাকে। পলিসি করিয়ে এক কোম্পানির এজেন্ট অন্য কোম্পানিতে চলে যায়।  তখন তারা নতুন কোম্পানিতে গিয়ে আবার প্রথম বছরের প্রিমিয়াম আয় করতে চান।  বীমা ব্যবসায়কে তারা প্রথম বর্ষের কাজ মনে করে।  আসলে তা নয়।  পলিসি নবায়ন করাও বড় কাজ।  এ ক্ষেত্রে দায় রেখে এজেন্টদের এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানিতে চলে যাওয়ার ওপর নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানকে কঠোর হতে হবে। তামাদি হওয়ার কুফল বা ক্ষতির বিষয়টি গ্রাহকদের সামনে বেশী করে নিয়ে আসতে হবে। তাছাড়া সময়োপযোগী বীমা পণ্য বিপনন নিশ্চিত করাও প্রয়োজন।

#

সর্বশেষ হালনাগাদ 5 years আগে

Leave A Reply

Exit mobile version