Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ১৫ বছরে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ২৪২.৫৬ শতাংশ

    আগস্ট ২৪, ২০২৪ ৩:৩০ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বৈদেশিক ঋণ ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ২৪২.৫৬ শতাংশ। ঋণ বেড়ে যাওয়ায় বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণও ২৮৩.৪৩ শতাংশ বেড়েছে।

    সম্প্রতি ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকার, তার গত ১৫ বছরের শাসনামলে প্রতিমাসে গড়ে ৪০৩ মিলিয়ন ডলার বিদেশি ঋণ নিয়েছে; এতে করে প্রতিমাসে বিদেশি ঋণদাতাদের কাছে ৪,৮৪২ কোটি টাকা ঋণী হয়েছে বাংলাদেশ। প্রতিদিনের হিসাবে এই ঋণের পরিমাণ ১৬১ কোটি টাকারও বেশি।

    বৈদেশিক ঋণ ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ২৪২.৫৬ শতাংশ। ঋণ বেড়ে যাওয়ায় বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণও ২৮৩.৪৩ শতাংশ বেড়েছে।

    ২০০৯ সালে যখন প্রথমবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে, ওই বছর সরকার আসল ও সুদ বাবদ ঋণ পরিশোধ করেছিল ৮৭৫.৫৮০ মিলিয়ন ডলার, যা ১৫ বছরে বেড়ে হয়েছে ৩.৩৫৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    ইআরডি তথ্য অনুযায়ী, ১৫ বছরে আসল পরিশোধ বেড়েছে ১৯৩ শতাংশ, আর সুদ পরিশোধ বেড়েছে ৬০৯ শতাংশ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে সরকার, উন্নয়ন সহযোগীদের আসল বাবদ পরিশোধ করেছে ৬৮৫.৭৪০ মিলিয়ন ডলার, আর গত অর্থবছরে আসল পরিশোধ করতে হয়েছে ২.০০৯ বিলিয়ন ডলার।

    অন্যদিকে, ২০০৯-১০ অর্থবছরে সরকারের বৈদেশিক ঋণের সুদ বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ১৮৯.৮৪০ মিলিয়ন ডলার। এবং গত অর্থবছরে সুদ পরিশোধ করতে হয়েছে ১.৩৪৭ বিলিয়ন ডলার।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, ক্ষমতা আসার পর থেকে অনেক বড় ব্যয়ের মেগা প্রকল্পের জন্য ঋণ নিয়েছে সরকার। এরমধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, মেট্রোরেল এমআরটি–৬, পদ্মা রেল সংযোগ, কর্ণফুলী টানেল, হযরত শাহজালার বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিলানসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ শেষ হয়েছে বা বাস্তবায়ন কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ কারণে বড় প্রকল্পে উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থছাড়ও বেড়েছে।

    বৈদেশিক ঋণের অর্থছাড় বৃদ্ধি পাওয়ায় ঋণ দায় বাড়ছে। মেগা প্রকল্প ছাড়াও কোভিড পরিস্থিতি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতেও সরকার বাজেট সহায়তা নিয়েছে। গত ৫ বছরে সরকার বাজেট সহায়তা ঋণ নিয়েছে ৮.৪৮ বিলিয়ন ডলার। উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণ ও বাজেট সহায়তা ঋণের প্রভাবে বৈদেশিক ঋণের দায় বা বকেয়া বেড়েছে বলে জানায় ইআরডির কর্মকর্তারা। ঋণের দায় বেড়ে যাওয়ার কারণে সুদ ও আসল পরিশোধও ক্রমান্বয়ে বেড়েছে।

    ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯-১০ অর্থবছরে সরকারেরর বৈদেশিক ঋণের দায় ছিল ২০.৩৩৬ বিলিয়ন ডলার। গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সরকারের বৈদেশিক ঋণের দায় ৬৯.৬৬৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

    ইআরডির কর্মকর্তারা জানান, বড় ব্যয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থছাড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রেস পিরিয়ডও শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে আসল পরিশোধ বেড়েছে।

    সুদহার বেড়ে যাওয়ার জন্য বাজার-ভিত্তিক ঋণের বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করছে ইআরডি। কারণ গত বছর থেকে সিকিওরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিয়াল রেট (সোফার) বৃদ্ধি পেয়েছে। রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এবং ডলারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সোফার সুদহার বেড়েছে।

    ইআরডির কর্মকর্তারা আরো জানান, ইউক্রেন–রাশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতে সিকিওরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিয়াল রেট বেড়ে গিয়ে বর্তমানে এই রেট এখন ৫ শতাংশের বেশি— যা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও ১ শতাংশের কম ছিল।

    অন্যদিকে, বাংলাদেশের বাজার-ভিত্তিক ঋণ ক্রমগত বাড়ছে। এ কারণে বাংলাদেশকে এখন সুদ বাবদ বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে।

    ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ঋণের জন্য সবচেয়ে বেশি সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক থেকে যে ঋণ পাওয়া যায়, তার প্রায় ৭৫ শতাংশই বাজার-ভিত্তিক ঋণ। এছাড়া এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) থেকে বাজার-ভিত্তিক সুদে ঋণ নেওয়া হয়। একইসঙ্গে, বিশ্বব্যাংক থেকে স্বল্প পরিসরে বাজার-ভিত্তিক ঋণ নেয় বাংলাদেশ।

    বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, "গত কয়েক বছরে আমরা অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি বৈদেশিক ঋণ নিয়ে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়— রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, সরকারের প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলারের ঋণের মধ্যে ১২ বিলিয়ন ডলার ঋণের রূপপুর প্রকল্পও রয়েছে।"

    তিনি বলেন, "এখন অনেক কিছুই উঠে আসছে। জানা গেছে, সোভিয়েত যুগের প্রযুক্তি, আবার এ প্রকল্পে ৫ বিলিয়ন ডলার দুর্নীতির কথাও এখন শোনা যাচ্ছে। এর আগে, এই প্রকল্পে বালিশকাণ্ডের মতো দুর্নীতির কথাও বের হয়ে এসেছে। এ ধরনের মন্দ প্রকল্পগুলো আমাদের ঋণের দায় বাড়বে।"

    তিনি আরও বলেন, "এখন বৈদেশিক ঋণগুলোকে অনেক দিয়ে মূল্যায়ন করতে হবে। বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে বলেই শেষ করতে হবে, তার মানে হয় না। যা খরচ হয়ে গেছে, তাতো আমাদের পরিশোধ করতেই হবে। কারণ ঋণ নিয়েছে রাষ্ট্র। কিন্তু কুশাসনের এবং অনিয়মের সঙ্গে যারা যুক্ত তাদেরও কাছ থেকেই এই অর্থ আদায় করা দরকার।"

    তিনি বলেন, "এখন বৈদেশিক ঋণের প্রকল্প নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও কৌশলী হতে হবে। অর্থনীতিতে উপযোগীতা আছে, এমন প্রকল্পই বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে বাস্তবায়ন জন্য নিতে হবে। যেমন –ঢাকা –চট্টগ্রাম ৬ লেনের প্রকল্প। এই প্রকল্পের নকশা যদি সঠিকভাবে করা যায়, এই প্রকল্প অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।"

    বিশেজ্ঞদের মতে, গত ১৫ বছরের যে পরিমাণ ঋণের জন্য উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে, তারমধ্যে ৪৪.৬৯ বিলিয়ন ডলার পাইপলাইনে আছে। প্রকল্প বাস্তবায়য়নের সঙ্গে সঙ্গে এইসব ঋণ ছাড়া হবে। সেইসঙ্গে পরিশোধও বাড়বে। আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ৫ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    রাজস্ব আদায় এবং বৈদেশিক মুদ্রার যোগান যদি না বাড়ে, তাহলে ঋণ পরিশোধের চাপে অর্থনীতিতে দুর্দশা নেমে আসতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    এদিকে, বিদেশ থেকে ঋণ নিয়ে যে অবকাঠামো নির্মাণ হচ্ছে, তার ব্যয় বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বেশি বলেও অভিযোগ রয়েছে। গত সোমবার পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদও বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

    উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের অনেক প্রকল্প আছে, ইউনিট প্রতি ব্যয় বিশ্বের আরেক দেশের চেয়ে বেশি। সড়কসহ অন্যান্য অবকাঠামো প্রকল্পে এটি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    প্রকৌশলী ড. শামসুল হক বলেন, "আগের সরকার বিদেশি ঋণ নিয়ে অনেক অবকাঠামো তৈরি করেছে, যেগুলোর নির্মাণ ব্যয় বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে বেশি। যেমন– মেট্রোরেল। জাপানের অর্থায়নের ইন্দোনেশিয়াও মেট্রো তৈরি করেছে। কিন্তু আমাদের দেশে জাপানের অর্থায়নের মেট্রোরেলের নির্মাণ ব্যয় অনেক বেশি।"

    তিনি বলেন, "আমাদের প্রতিবেশী অনেক দেশই আমাদের চেয়ে কম খরচে এ ধরনের অবকাঠোমো নির্মাণ করেছে। আমাদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছে ঠিকাদাররা। ফলে যে ঋণের অর্থ দিয়ে আমরা যেখানে একটি অবকাঠামো নির্মাণ করছি, সেখানে একই পরিমাণ বিদেশি ঋণ দিয়ে অনেক দেশ একই ধরনের দুটি অবকাঠামো নির্মাণ করেছে।"

    বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারকে এ বিষয়ে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। ●

    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল, ২৪ আগস্ট, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

     

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.