অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীমা খাতের আরও উন্নয়নের জন্য এবং বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে জাতীয় বীমা দিবস-২০২৩ 'র উদ্বোধন করেছেন।
তিনি ১ মার্চ সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দিবসটির উদ্বোধন করেন।
অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
‘আমার জীবন আমার সম্পদ বীমা করলে থাকবে নিরাপদ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ, আইডিআরএ’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) সভাপতি শেখ কবির হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বীমা খাতের ওপর একটি ভিডিও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় বীমা দিবস-২০২৩ উপলক্ষ্যে বীমা খাতের ওপর আইডিআরএ আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় এবং বীমা খাতে অবদানের জন্য ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার ও সম্মাননা জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী ক্রেষ্ট ও প্রশংসাপত্র বিতরণ করেন।
১৯৬০ সালের ১ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন। সে ক্ষণ অনুযায়ী সরকার ২০২০ সালের ১ মার্চ থেকে জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে উদযাপন হয়ে আসছে।
স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে সরকার গত বছর জাতীয় বীমা দিবসকে ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে জাতির পিতার বীমা পেশায় সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমি বীমা পরিবারের একজন।’ বীমা হচ্ছে সকল কাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বীমার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এর ব্যাপক প্রচার ও প্রসার জরুরি। তিনি বলেন, মটর বীমায় থার্ড পার্টির বিষয়টি এখনও ওঠে যায়নি। অগ্নি বীমায় দাবী আদায়ের বাস্তবতা তুলে ধরে বলেন, যাচাই বাছাই ছাড়া অন্যায্য মোটা অংক সাধারণ বীমা কর্পোরেশনসহ কোম্পানির কাছ থেকে তুলে নেওয়া গোটা শিল্পের জন্য ক্ষতিকর। দেশের বীমার উন্নয়নে সরকারের কার্যক্রমগুলো তুলে ধরে তিনি সকল জনগণের মাঝে বীমা সচেতনতার সবার প্রতি আহবান জানান। ●
অকা/প্রম/দুপুর, ১ মার্চ, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ
সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে
