Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    শুক্রবার, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংক খাতে অতিরিক্ত তারল্য ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা

    অক্টোবর ৭, ২০২৪ ৬:২৬ পূর্বাহ্ণ14
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    চলতি বছরের আগস্ট শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী দেশের সরকারি-বেসরকারি ৪৬ ব্যাংকে অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে, যার পরিমাণ এক লাখ ৯০ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা। অথচ সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন স্থানে প্রচার করা হচ্ছে দেশে বড় ধরনের তারল্য সংকট চলছে!

    এদিকে, অনেক দুর্বল ব্যাংক থেকে টাকা তুলে ভালো ব্যাংকে জমা রাখছেন গ্রাহকরা। এতে কিছু ব্যাংক নগদ টাকা বা তারল্য সংকটে পড়ে আমানতকারীর চাহিদা মতো টাকা দিতে পারছে না। অন্যদিকে বহু ব্যাংকে অতিরিক্ত তারল্য পড়ে আছে।

    ব্যাংকখাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনিয়ম-অব্যবস্থাপনার কারণে হাতেগোনা কয়েকটি ব্যাংক তারল্য সংকটে পড়েছে। তারা গ্রাহকের অর্থ ফেরত দিতে পারছে না। তবে এর বাইরে বেশিরভাগ ব্যাংকেই অতিরিক্ত অর্থ পড়ে আছে। ভালো ব্যাংকগুলোতে প্রতিদিনই আমানত বাড়ছে। বাজারে তারল্যের কোনো সংকট নেই। এখন দুর্বল কিছু ব্যাংকের অর্থ সহায়তা দরকার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গ্যারান্টিতে অর্থ দেওয়া হচ্ছে, খুব শিগগিরই এসব দুর্বল ব্যাংকের তারল্য সমস্যাও কেটে যাবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, নানা অনিয়মের কারণে কিছু ব্যাংক সমস্যায় পড়েছে। তাদের অর্থ সহায়তা দরকার। এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থ দিচ্ছে না, কারণ মূল্যস্ফীতি অনেক বেশি। বাজারে টাকা দিলে এটা আরও বেড়ে যাবে। তাই দুর্বল বা সমস্যায় পড়া ব্যাংকগুলোকে সবল ব্যাংক থেকে ধার দিতে বলা হয়েছে। কারণ সবল ব্যাংকগুলোতে তারল্যের অভাব নেই। তারা অনেক টাকা অতিরিক্ত জমা করে রেখেছে। এখানে ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা দরকার, যেন ধার দিয়ে সমস্যায় না পড়ে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক গ্যারান্টার হচ্ছে, ধার পরিশোধের নিশ্চয়তা দিচ্ছে।

    এ বিষয়ে ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আলী রেজা ইফতেখার বলেন, দেশের বেশিরভাগ ব্যাংকেই তারল্য সমস্যা নেই। বেসরকারি প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ ব্যাংকেই অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে। ভালো ব্যাংকে আমানত বাড়ছে। হাতেগোনা কয়েকটি ব্যাংক সমস্যায় আছে, তারা তারল্য সহায়তার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করেছে। অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে এমন ১৪টি ব্যাংক তাদের অর্থ সহযোগিতা করছে। যার গ্যারান্টি দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আশা করছি সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোর সমস্যা কিছু দিনের মধ্যেই সমাধান হয়ে যাবে।

    আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশ ব্যাংক ও একটি গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় আটটি ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। এগুলো হলো– ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক। এ ছাড়া বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংকেরও নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল তারা। এই আটটি ব্যাংকের মধ্যে দুই-একটি ছাড়া বাকিগুলো বর্তমানে তারল্য সংকটে ভুগছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী গ্রাহকদের জমা টাকার সুরক্ষার জন্য ব্যাংকগুলোকে আমানতের একটি অংশ অর্থ বিধিবদ্ধ জমা (এসএলআর) হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রাখতে হয়। আর তা সংরক্ষণ করতে হয় সরকারের ট্রেজারি বিল-বন্ড কেনার মাধ্যমে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোকে তাদের কাছে থাকা গ্রাহকের মোট আমানতের বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নগদ ৪ শতাংশ সিআরআর (ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও) হিসেবে রাখতে হয়। এ ছাড়া আমানতের সাড়ে ৫ শতাংশ রাখতে হয় বিধিবদ্ধ জমা (এসএলআর) হিসেবে। অন্যদিকে প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোকে মোট আমানতের বিপরীতে নগদে ৪ শতাংশ টাকা ও আমানতের ১৩ শতাংশ পরিমাণ বিল ও বন্ড বিধিবদ্ধ জমা (এসএলআর) হিসেবে রাখতে হয়। এ দুটি ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরিমানার মুখে পড়তে হয় ব্যাংকগুলোকে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, শরিয়াহভিত্তিক চারটি ব্যাংক ও প্রচলিত ধারার ৪২টি ব্যাংক তার সহজে বিনিময়যোগ্য সম্পদ বা এসএলআর হিসেবে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি অর্থ সংরক্ষণ করে রেখেছে। এর মধ্যে এসএলআর সংরক্ষণে শীর্ষে আছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক। তাদের অতিরিক্ত জমা ৪৯ হাজার ৪৪ কোটি টাকা। এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত আরও চারটি ব্যাংকে অতিরিক্ত এসএলআর জমা আছে। ব্যাংকগুলো হলো– অগ্রণী, রূপালী, জনতা ও বিডিবিএল।

    এসএলআর সংরক্ষণে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে বিদেশি মালিকানাধীন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। তাদের অতিরিক্ত জমা ১৬ হাজার ১৬৯ কোটি টাকা। ব্যাংক এশিয়ার অতিরিক্ত এসএলআর সংরক্ষণ আছে ৮ হাজার ৬১৯ কোটি, পূবালী ব্যাংকের ৮ হাজার ৫৩৪ কোটি ও ব্র্যাক ব্যাংকের ৮ হাজার ২৪৪ কোটি টাকা। এ ছাড়া ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত এসএলআর সংরক্ষণ আছে আরও ৭টি ব্যাংকের।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হোসনে আরা শিখা বলেন, ব্যাংকগুলোতে তারল্যের অভাব নেই। অধিকাংশ ব্যাংকে অর্থ পড়ে আছে। কয়েকটি ব্যাংক সমস্যায় পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্যারান্টিতে ইতোমধ্যে তাদের অর্থ সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে।

    তিনি জানান, গত সপ্তাহে দুর্বল চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে ৯৪৫ কোটি টাকা ধার হিসেবে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। দুর্বল অন্য ব্যাংকগুলোও সহায়তা পাবে। আশা করছি এতে করে আমানতকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে। সমস্যায় পড়া ব্যাংকগুলোর সংকট কেটে যাবে।

    এদিকে, আর্থিক অনিয়মে দুর্বল হ‌য়ে পড়া বেসরকারি চার বাণিজ্যিক ব্যাংককে ৯৪৫ কোটি টাকা ধার হিসেবে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে সবল পাঁচ ব্যাংক। অর্থ সহায়তা পাওয়া ব্যাংকগুলো হলো– ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তায় এ ধার দিয়েছে অতিরিক্ত তারল্য থাকা সবল পাঁচ ব্যাংক। সেগুলো হলো– সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, ডাচ্‌-বাংলা ও বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল, ৭ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
    সুইস ব্যাংকে যে কারণে টাকা রাখছে বাংলাদেশিরা

    রিজার্ভ চুরি: যেকোন সময় গ্রেপ্তার ড. আতিউরসহ ১০ জন

    উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে জ্বালানি : বিডা চেয়ারম্যান

    রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত

    বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

    রাশিয়া থেকে ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
    সুইস ব্যাংকে যে কারণে টাকা রাখছে বাংলাদেশিরা

    স্বপ্নবিলাসী বাজেট দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী

    রিজার্ভ চুরি: যেকোন সময় গ্রেপ্তার ড. আতিউরসহ ১০ জন

    উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে জ্বালানি : বিডা চেয়ারম্যান

    কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

    আইডিআরএর চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন মীর নাদিয়া নিভিন

    রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত

    বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

    ভরিতে ৯ হাজার টাকা কমল সোনার দাম

    এমবাপ্পে কোথায় থামবে, কে জানে!

    উজবেক শিবির ভেঙে দিল কলম্বিয়া

    মাঠে সমান লড়াই, বাণিজ্যে এগিয়ে ব্রাজিল

    রূপান্তর ও অবসায়নের পথ উন্মুক্ত
    মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডে আইনি জট কাটল

    ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক আউটফিল্ডার রোনালদো

    রাশিয়া থেকে ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

    দেশের প্রথম মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল হচ্ছে আনোয়ারায়

    স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

    উত্তরা থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মিজান নিখোঁজ

    ভর্তুকির চাপে তেলের দাম কমছে না দেশে

    একনজরে লিওনেল মেসির যত রেকর্ড

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.