Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    শুক্রবার, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে

    অক্টোবর ২৭, ২০২৪ ৪:৩৭ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধের পরিমাণ গত তিন বছরে প্রায় তিনগুণ বেড়ে আকাশচুম্বী হয়েছে। পাশাপাশি দেশে বৈদেশিক ঋণপ্রবাহ কমে গিয়েছে। একই সময়ে ঋণের আসল পরিশোধের পরিমাণও বেড়েছে, যদিও এ বৃদ্ধি ৩২ শতাংশে সীমিত ছিল।

    এ ঋণ-চাপের বড় কারণ হিসেবে দেশের ঋণ গ্রহণের নীতিতে পরিবর্তনকে চিহ্নিত করা হচ্ছে। আগের মতো সহজলভ্য না থাকায় স্বল্প সুদের রেয়াতি ঋণ থেকে সরে এসে বাংলাদেশ এখন বাজারভিত্তিক ঋণের ওপর বেশি নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছে। রেয়াতি ঋণের সুদের হার সাধারণত ২ শতাংশ বা তার কম থাকে।

    বিশেষ করে, সিকিউরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেট (সোফর)-ভিত্তিক ঋণের সুদ আড়াই বছর আগে ১ শতাংশের নিচে থাকলেও বর্তমানে তা সাড়ে ৫ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। ফলে দেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের পরিমাণ নতুন ঋণগ্রহণের চেয়ে বেশি হয়েছে। জুলাই–সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটি ৮৪৬ মিলিয়ন ডলার নতুন ঋণ নিলেও সুদাসলে পরিশোধ করতে হয়েছে ১.১৩ বিলিয়ন ডলার।

    ২০২১–২২ অর্থবছরে দেশের সুদ পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৪৯১ মিলিয়ন ডলার, যা ২০২৩–২৪ অর্থবছরে এসে দাঁড়ায় প্রায় ১.৩৫ বিলিয়ন ডলারে। একই সময়ে ঋণের আসল পরিশোধ ১.৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশিতে পৌঁছে। ফলে দুবছর আগের ৮.১৫ বিলিয়ন ডলার নিট ঋণপ্রবাহ ২০২৩–২৪ অর্থবছরে নেমে দাঁড়িয়েছে ৬.৫ বিলিয়ন ডলারে।

    বাজারভিত্তিক ঋণের ওপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরশীলতার কারণে ঋণ পরিষেবা খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে বাজারভিত্তিক ঋণ দাঁড়ায় বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণের ২৮.১ শতাংশ, যা ২০১৯–২০ অর্থবছরে ছিল মাত্র ১৫.৮ শতাংশ।

    বাংলাদেশ এর উন্নয়ন অংশীদারদের কাছ থেকে মূলত দুই ধরনের ঋণ নেয়: নির্ধারিত সুদহারযুক্ত ঋণ এবং বাজারভিত্তিক ফ্লোটিং রেট [পরিবর্তনশীল] ঋণ। এর মধ্যে দ্বিতীয়টি সোফর এবং ইউরোবর (ইউরো ইন্টারব্যাংক অফারড রেট)-এর সঙ্গে ওঠানামা করে।

    তিন বছর আগে সোফর ছিল ১ শতাংশের নিচে, তাই বাজারভিত্তিক ঋণের প্রভাব সীমিত ছিল। কিন্তু ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের পর এ হার বেড়ে সাড়ে ৫ শতাংশে পৌঁছায়। যদিও সম্প্রতি এটি ৪ দশমিক ৮ শতাংশে নেমেছে। বাংলাদেশকে এখন সোফর-ভিত্তিক ঋণের জন্য ৬ থেকে ৭ শতাংশ সুদ দিতে হচ্ছে।

    ইউরোবর-ও গত তিন বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২১ সালের গোড়ার দিকে এটি ঋণাত্মক শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ থেকে ২০২৪ সালের মাঝামাঝিতে ৩ শতাংশের বেশি হয়েছে।

    ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণের মূল পরিশোধ বার্ষিক ১৫ শতাংশ হারে বাড়লেও ২০২৩–২৪ অর্থবছরে সুদ পরিশোধ বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরে ছিল আরও বেশি — ৮৮ দশমিক ৭১ শতাংশ।

    ইআরডি কর্মকর্তারা জানান, উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে রেয়াতি ঋণ কমে আসার ফলে ঋণ পরিষেবার ব্যয় বাড়ছে।

    বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক মনজুর হোসেন বলেন, 'শুধু ঋণ প্রবাহ বাড়ছে বা কমছে তা বিবেচ্য নয়, বরং ভবিষ্যতের ঋণ অর্থায়নে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। আমরা যে ধরনের ঋণ নিচ্ছি, তার সুদের হারগুলো যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।'

    তিনি দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে আরও বলেন, ঋণের অর্থ দুর্নীতি ও অপচয় রোধ করে সঠিক প্রকল্পে বিনিয়োগে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, বাজারভিত্তিক সুদহারের ভিত্তিতে বাংলাদেশ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে সবচেয়ে বেশি ঋণ গ্রহণ করে। গত অর্থবছরে এডিবিকে সুদ বাবদ ৫১৮.৭৪ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে।

    ২০২৩–২৪ অর্থবছরে এডিবির সঙ্গে মোট ঋণচুক্তির পরিমাণ ছিল ২.৯৪ বিলিয়ন ডলার, যার প্রায় অর্ধেক — ৪৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ — ছিল বাজারভিত্তিক সুদে।

    অন্যদিকে বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে গত অর্থবছরে পাওয়া ৯০ মিলিয়ন ডলার ঋণও বাজারভিত্তিক সুদহারে নেওয়া হয়েছিল।

    এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) থেকে বাংলাদেশের নেওয়া ঋণের সবই বাজারভিত্তিক সুদে হওয়ায় গত অর্থবছরে উচ্চ সুদহারের কারণে এআইআইবি থেকে কোনো প্রকল্প-ঋণ নেওয়া হয়নি। তবে রিজার্ভের সহায়ক হিসেবে বাজেট সহায়তা চুক্তির আওতায় এআইআইবি থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশ।

    ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের পরিমাণ উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত ঋণকে ছাড়িয়ে গেছে।

    জুলাই–সেপ্টেম্বরে সুদ ও মূল পরিশোধের পর বৈদেশিক সাহায্যের নিট প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ২৭৯ মিলিয়ন ডলারে।

    গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের জুলাই–সেপ্টেম্বরে বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে মূল পরিশোধ বেড়ে ৬৮৫.৫ মিলিয়ন ডলার এবং সুদ পরিশোধ বেড়ে ৪৪১ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪৯২ মিলিয়ন ও ৩৭৮.৪৬ মিলিয়ন ডলার।

    ইআরডি এবং সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২০ সালে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের ২৬ শতাংশ বাজারভিত্তিক সুদে ছিল, যা ২০৪১ সালে ৮২ শতাংশের বেশি হবে।

    সরকারি দাতাদের কাছ থেকে পাওয়া রেয়াত সুবিধার ঋণ হ্রাস পাওয়ায় ঋণ পরিষেবা খরচও ক্রমশ বাড়াবে বলে ইআরডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

    সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ)-এর রেয়াতি ঋণ এবং এডিবি-র অর্ডিনারি ক্যাপিটাল রিসোর্সেস (ওসিআর)-এর ঋণ সমন্বয় করে ঋণ নিচ্ছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাংক ও এডিবি-র পর অন্যান্য বহুপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগীরাও আগামী বছরগুলোতে বাংলাদেশে ছাড় দেওয়া ঋণের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমিয়ে আনবে। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/ সকাল, ২৭ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
    সুইস ব্যাংকে যে কারণে টাকা রাখছে বাংলাদেশিরা

    রিজার্ভ চুরি: যেকোন সময় গ্রেপ্তার ড. আতিউরসহ ১০ জন

    উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে জ্বালানি : বিডা চেয়ারম্যান

    রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত

    বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

    রাশিয়া থেকে ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
    সুইস ব্যাংকে যে কারণে টাকা রাখছে বাংলাদেশিরা

    স্বপ্নবিলাসী বাজেট দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী

    রিজার্ভ চুরি: যেকোন সময় গ্রেপ্তার ড. আতিউরসহ ১০ জন

    উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে জ্বালানি : বিডা চেয়ারম্যান

    কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

    আইডিআরএর চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন মীর নাদিয়া নিভিন

    রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত

    বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

    ভরিতে ৯ হাজার টাকা কমল সোনার দাম

    এমবাপ্পে কোথায় থামবে, কে জানে!

    উজবেক শিবির ভেঙে দিল কলম্বিয়া

    মাঠে সমান লড়াই, বাণিজ্যে এগিয়ে ব্রাজিল

    রূপান্তর ও অবসায়নের পথ উন্মুক্ত
    মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডে আইনি জট কাটল

    ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক আউটফিল্ডার রোনালদো

    রাশিয়া থেকে ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

    দেশের প্রথম মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল হচ্ছে আনোয়ারায়

    স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

    উত্তরা থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মিজান নিখোঁজ

    ভর্তুকির চাপে তেলের দাম কমছে না দেশে

    একনজরে লিওনেল মেসির যত রেকর্ড

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.