Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    কী হবে আবারও নীতি সুদ বাড়লে

    জানুয়ারি ২০, ২০২৫ ৪:৪৪ অপরাহ্ণ11
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    গত বছর অতিবৃষ্টিজনিত খাদ্য মূল্যস্ফীতির খড়্গ থেকে মানুষ স্বস্তি পেয়েছে। শীতকালীন সবজির দাম অনেকটাই সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছে। এখন জনমনে নতুন শঙ্কা আসন্ন পবিত্র রমজান মাস নিয়ে। রমজান মাসে নিয়ম করে প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বেড়ে যায়, আমাদের স্মরণকালের ইতিহাস তা-ই বলে। ফলে এবারও সেই শঙ্কা থাকা অমূলক কিছু নয়। সেই সঙ্গে ফাল্গুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হচ্ছে রমজান। বাকি অর্ধেক পড়বে চৈত্র মাসে। এই সময় এমনিতেই বাজারে সবজি ও মাছের সরবরাহ কমে যায়। প্রাকৃতিক নিয়মেই তা হয়। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে রোজা। প্রায় তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। সেই সঙ্গে আছে এখনকার বিশেষ রাজনৈতিক বাস্তবতা। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে সাধারণত অর্থনীতির অধোগতি দেখা যায়। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও নীতি সুদহার বাড়ালে পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে বলেই শঙ্কা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, অর্থ বছরের প্রথম চার মাসের শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬৬। এই হার গত সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। শুধু তা-ই নয়, এ সময় শিল্পের প্রয়োজনীয় মধ্যবর্তী পণ্য ও মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানিও কমেছে। এ ছাড়া ২০২৩ সালের জুলাই-নভেম্বরের তুলনায় ২০২৪ সালের একই সময়ে ভোগ্যপণ্য আমদানির ‘এলসি সেটেলমেন্ট’ কমেছে ১৩ শতাংশ। অর্থাৎ ঋণপত্রের নিষ্পত্তি হয়েছে কম।

    ভোগ্যপণ্যের আমদানি কমলে বাজারে জোগান কমে দাম বেড়ে যায়, এটাই অর্থনীতির চিরাচরিত নিয়ম। অন্যদিকে মূলধনি ও মধ্যবর্তী পণ্যের আমদানি কমলে অর্থনীতির ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ ও সমতা কমে যায়। এ সবকিছুর প্রভাব পড়ে প্রবৃদ্ধির ওপর। বিশ্বব্যাংকের মতে, চলতি অর্থবছরে যা ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামবে। সেটা হলে তা হবে দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধি, কেবল কোভিড-১৯-এর ২০২০-২১ অর্থ বছর বাদে।

    নীতি সুদহার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হচ্ছে না, বরং এর প্রভাবে বাজারে সব ধরনের ঋণের সুদহার বেড়ে গেছে। বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদাও তলানিতে নেমে এসেছে, অর্থনীতিতে যার দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এখন একধরনের স্ট্যাগফেশন (নিম্ন প্রবৃদ্ধি+ উচ্চ মূল্যস্ফীতি+ উচ্চ বেকারত্ব) চলছে অর্থনীতিতে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী মুদ্রানীতিতে কী পদপে নেবে, সেটাই দেখার বিষয়।

    উন্নত বিশ্বে সুদহার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হলেও আমাদের দেশে সম্ভব নয়। যেসব দেশের ৯০ শতাংশই ভোক্তাঋণ, সেখানে তা সম্ভব হতে পারে। তারা বাড়ি, গাড়িসহ নানা কাজে ঋণ নেন। ফলে সেসব দেশে সুদহার বাড়িয়ে ভোগব্যয় কমানো যায়। কিন্তু আমাদের দেশে ৮৫ শতাংশ ঋণই ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য নেওয়া হয়। এখানে সুদহার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, সরকারি তথ্যেই যার প্রমাণ পাওয়া যায়। উল্টো বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি তলানিতে ঠেকেছে, অর্থাৎ দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না। জিডিপি প্রবৃদ্ধিও কমে সর্বনিম্ন অবস্থায় নেমেছে। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ১৫ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসায়ীদের পে ব্যবসা করা প্রায় অসম্ভব।

    এ বিষয়ে ব্যবসায়ী নেতা ও শাশা ডেনিমসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস মাহমুদ বলেন, বর্তমানে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা তলানিতে, এত খারাপ অবস্থা তিনি এর আগে দেখেননি। ছোট থেকে শুরু করে বড় সব শ্রেণির ব্যবসায়ী নগদ প্রবাহের ঘাটতিতে আছেন। সামনে রোজা ও দুটি ঈদ, কর্মীদের বোনাস দিতে হবে, তার সঙ্গে খেলাপি ঋণের নতুন নিয়ম সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে আবারও নীতি সুদহার বাড়ানো হলে রীতিমতো বিপর্যয় হতে পারে। নীতি সুদ বৃদ্ধি করে এখন পর্যন্ত লাভ হয়নি উল্লেখ করে শামস মাহমুদের অভিযোগ, নীতি সুদ বৃদ্ধির কী প্রভাব পড়বে, তা খতিয়ে দেখা হয়নি। ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার সময়ও খতিয়ে দেখা হয়, সেই ঋণ ফেরত আসার সম্ভাবনা কতটুকু। কিন্তু নীতি সুদ বৃদ্ধির মতো গুরুতর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তা করা হয় না। এ ছাড়া ভ্যাট বৃদ্ধি ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের সমালোচনা করেন তিনি।

    বাস্তবতা হলো, নীতি সুদহার বাড়িয়ে বাজারে ডিমের সরবরাহ বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়। ডিমের সরবরাহ না বাড়লে দামও কমবে না। ভোগপণ্য আমদানির বাজারে আরও প্রতিষ্ঠান নিয়ে আসতে হবে; তা না হলে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে না। এই ভরা মৌসুমে চালের দাম বেড়েছে। খোদ বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেছেন, সাময়িক মজুতদারি হয়েছে, কিন্তু এরপরও দাম কমছে না। সরকার এখন আমদানি বৃদ্ধি করে চালের দাম কমানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু কথা হচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও নীতি সুদহার বাড়ালে আমদানি ব্যয় আরও বেড়ে যাবে। ডলারের বিনিময় হারও কিছুদিন স্থিতিশীল থাকার পর সম্প্রতি বাড়তে শুরু করেছে।

    এদিকে গভর্নর আহসান মনসুর ঢাকা চেম্বারের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে এক বৈঠকে বলেছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এতে শিগগিরই বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে কোনো ধরনের মার্জিন ছাড়াই ঋণপত্র খুলতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মুদ্রানীতি প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সেলিম রায়হান বলেন, নীতি সুদহার বাড়িয়ে এখন পর্যন্ত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। মূল্যস্ফীতির মূল কারণ নিরূপণ না করে এভাবে নীতি সুদ বাড়িয়ে লাভ হয়নি। চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির মূল কারণ চাহিদাজনিত নয়, বরং সরবরাহজনিত।

    নীতি সুদ বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্যাট বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এতে নীতি সুদ বৃদ্ধির ফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে মনে করেন সেলিম রায়হান। তাঁর মতে, মুদ্রানীতি, রাজস্ব নীতি ও বাজার ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ের মাধ্যমে এগোতে হবে। তা না করে কেবল নীতি সুদ বাড়ানো হলে বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে; এর জেরে প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিকভাবে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় প্রভাব পড়বে। ●

    অকা/আখা/ফর/রাত/২০ জানুয়ারি, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সমুদ্র অর্থনীতিকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ

    ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে ধস
    লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৫০ কোটি টাকারও বেশি কম আদায়

    এফডিআইয়ে আফ্রিকার কাছেও পিছিয়ে বাংলাদেশ

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    ৪৩ খাতে রফতানি প্রণোদনা অপরিবর্তিত

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    একীভূত পাঁচ ব্যাংক
    ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন গ্রাহকরা

    লোহিত সাগরে জাহাজে শুল্ক বসাবে হুথি বিদ্রোহীরা

    লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার

    বাংলাদেশে শিগগিরই চালু হচ্ছে পেপ্যাল ও পেওনিয়ার

    সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন

    রাষ্ট্রপতি হোন দলমতের ঊর্ধ্বে, জনগণের আস্থার প্রতীক

    বাড়ছে নারী নির্যাতনের ভয়াবহতা

    চাঁদাবাজি: চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার

    নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান পেলো বাপেক্স

    শিল্পে গ্যাস–সংকট নিরসনে উদ্যোগের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

    নদী-খাল পুনঃখননে দীর্ঘমেয়াদি পিপিপি মডেলের আহ্বান ডিসিসিআইর

    জিপিএইচ ইস্পাতকে ৫ কোটি জরিমানা

    মহেশখালীতে হচ্ছে চীনের নতুন এলএনজি টার্মিনাল

    শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ৮ বীমা কোম্পানির, শীর্ষে সিটি ইন্স্যুরেন্স

    এক ক্লিকেই করদাতার সব তথ্য
    এনবিআরকে নতুন রোডম্যাপ দিল আইএমএফ

    মুনাফা বেড়েছে রবি আজিয়াটা পিএলসির

    রূপপুরের অর্থ পরিশোধে বিকল্প লেনদেন রুপিতে চায় রাশিয়া

    বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের নগদ আদায় প্রায় ৭৬৯ কোটি টাকা

    প্রথমার্ধে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.