Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ফেরত আসতে পারে ৩৮ হাজার কোটি টাকা
    শীর্ষ ১০০ খেলাপি মামলায় নজরদারি

    সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৫ ৮:১১ অপরাহ্ণUpdated:সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৫ ৮:১১ অপরাহ্ণ9
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের শীর্ষ ঋণ খেলাপিদের কাছ থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের টাকা ফেরাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য শীর্ষ ১০০টি খেলাপি ঋণের মামলা বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সবচেয়ে বেশি অর্থ জড়িত—এমন ১০টি করে মামলার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এসব মামলায় আটকে থাকা ঋণের পরিমাণ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বেশি।

    অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে অর্থ উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর রোডম্যাপ তৈরির চিন্তাভাবনা চলছে। এ লক্ষ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি) সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইওদের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি চার দফায় বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে খেলাপি ঋণ সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা প্রায় সাড়ে ছয় হাজার। এর মধ্যে সাড়ে চার হাজারের বেশি মামলা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা। দীর্ঘসূত্রতা, আইনি জটিলতা এবং উচ্চ আদালতে বারবার রিট করায় এসব মামলা বছরের পর বছর ঝুলে আছে।

    এফআইডির সচিব নাজমা মোবারেক জানিয়েছেন, মামলাগুলো কেন নিষ্পত্তি হচ্ছে না এবং কীভাবে দ্রুত সমাধান পাওয়া সম্ভব—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি মনে করেন, খেলাপিদের রিট করার আগে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা দেওয়ার বিধান রাখা হলে উচ্চ আদালতে রিটের প্রবণতা কমে আসবে এবং অগ্রিম কিছু অর্থও আদায় সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, ব্যাংকগুলো মামলা করলেও সেগুলো মাসের পর মাস শুনানির অপেক্ষায় থাকে। মামলায় গতি আনতে সরকারের আইনানুগ এখতিয়ার ব্যবহার করা হবে।

    সূত্র জানায়, শীর্ষ ১০০ ঋণখেলাপির মামলার মধ্যে জনতা ব্যাংকের ১০টি মামলায় খেলাপি ঋণের অঙ্ক ১৫,১৫১ কোটি টাকা, সোনালী ব্যাংকের ৫,৬৭৬ কোটি, অগ্রণী ব্যাংকের ৩,৯৮০ কোটি, রূপালী ব্যাংকের ৩,৭৪৮ কোটি, সাধারণ বীমা করপোরেশনের ৩,৭১৯ কোটি, বেসিক ব্যাংকের ২,৪০০ কোটি এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ১,৫৭৫ কোটি টাকা। এছাড়া বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ৮৭৬ কোটি, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ৮৬০ কোটি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ২৯৪ কোটি এবং বিএসইসির ৮৪ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ মামলা রয়েছে।

    পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, একটি মামলার বিপরীতে সর্বোচ্চ আটটি পর্যন্ত রিট করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে চার থেকে পাঁচটি রিট করা হয়েছে। আবার অনেক মামলাই আদালতের শুনানির তালিকায় খুব নিচে থাকায় দ্রুত নিষ্পত্তি হচ্ছে না।

    এফআইডির যুগ্মসচিব ফরিদা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, বিভিন্ন ব্যাংক মামলাগুলো নিষ্পত্তিতে যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে কি না এবং কোথায় সহায়তা প্রয়োজন তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে মামলাগুলোর শুনানি তালিকা সামনের দিকে আনার চেষ্টা করা হবে।

    সরকারের এ উদ্যোগ প্রসঙ্গে বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. কামরুজ্জামান খান বলেন, “এফআইডি ব্যাংক খাতের কর্তৃপক্ষ। তারা সিদ্ধান্ত দিলে ব্যাংকগুলোর জন্য কাজ সহজ হয়, কারণ নিজ উদ্যোগে পদক্ষেপ নিতে গেলে অনুমতি নিতে হয়। এখন সে অনুমতির প্রয়োজন হবে না। শীর্ষ ১০টি মামলা নিয়ে মনিটরিংয়ের উদ্যোগ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।”

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শীর্ষ খেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মাহিন এন্টারপ্রাইজ (খেলাপি ঋণ ১,২৫১ কোটি টাকা), এফএমসি ডকইয়ার্ড লি. (১,১৭৫ কোটি টাকা), গ্লাক্সি সুয়েটার অ্যান্ড ইয়ার্ন ডায়িং লি. (১,১৪৬ কোটি টাকা), রিমেক্স ফুটওয়্যার লি. (১,০৮৪ কোটি টাকা), প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লি. (১,০৭১ কোটি টাকা) এবং মেরিন ভেজিটেবল অয়েল লি. (১,০৫৭ কোটি টাকা)।

    অর্থ মন্ত্রণালয় আশা করছে, বিশেষ মনিটরিং ও কার্যকর রোডম্যাপের মাধ্যমে এসব মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হবে, যার ফলে আটকে থাকা কয়েক দশক পুরনো ঋণের একটি বড় অংশ ফেরত আনা যাবে। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল/৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 11 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.