Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শুক্রবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ২৯ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আইপিও খরায় স্থবির দেশের শেয়ার বাজার

    মার্চ ৩০, ২০২৬ ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ16
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের শেয়ার বাজারে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরেই স্থবির অবস্থায় রয়েছে। নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও বাজারে নতুন কোম্পানির আগমন ত্বরান্বিত হয়নি; বরং পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এই স্থবিরতা আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আইপিও অনুমোদনের পর একটি কোম্পানির কার্যত তালিকাভুক্ত হয়ে লেনদেন শুরু করতে প্রায় এক বছর বা তারও বেশি সময় লেগে যায়—যা বাজারের গতিশীলতা কমিয়ে দিচ্ছে।

    উপলব্ধ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে সর্বশেষ পাঁচটি কোম্পানি শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছিল। এগুলো হলো—সিকদার ইনস্যুরেন্স, এনআরবি ব্যাংক, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, বেস্ট হোল্ডিং এবং টেকনো ড্রাগ। এর মধ্যে টেকনো ড্রাগ ওই বছরের জুলাই মাসে সর্বশেষ তালিকাভুক্ত হয়। এরপর প্রায় দুই বছর অতিক্রান্ত হলেও নতুন কোনো কোম্পানির অন্তর্ভুক্তি ঘটেনি, যা বাজারে নতুন বিনিয়োগের সুযোগকে সংকুচিত করেছে।

    আইপিও প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুততর করার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করেছিল। পাশাপাশি বহুজাতিক ও সরকারি কোম্পানিকে শেয়ার বাজারে আনার উদ্যোগও নেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবায়নের পর্যায়ে গিয়ে এসব উদ্যোগ নানা প্রশাসনিক জটিলতা, নীতিগত অসামঞ্জস্য এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরগতির কারণে কার্যকর হয়নি। ফলে প্রত্যাশা থাকলেও ফলাফল দৃশ্যমান হয়নি।

    বর্তমানে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলেও শেয়ার বাজার উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কোনো কাঠামোগত সংস্কার এখনো চোখে পড়ছে না। অন্য খাতে সংস্কারের আলোচনা থাকলেও শেয়ার বাজারে কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি রয়েছে। এমনকি সমালোচনার মুখে থাকা নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকেও দৃশ্যমান সংস্কার উদ্যোগের অভাব নিয়ে বাজারে অসন্তোষ রয়েছে।

    বর্তমান বিধিমালা অনুযায়ী, আইপিও আবেদনের জন্য কোম্পানির প্রসপেক্টাসে সংযুক্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ১২০ দিনের বেশি পুরোনো হতে পারবে না। পাশাপাশি শুধুমাত্র অর্ধবার্ষিক বা প্রান্তিক নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন দিয়ে আবেদন করার সুযোগ নেই। এই শর্তগুলো অনেক সম্ভাবনাময় কোম্পানির জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে যেসব কোম্পানি দ্রুত আইপিওতে আসতে চায়।

    আয়কর নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাব বছর শেষ হয় ৩১ ডিসেম্বর এবং অন্যান্য কোম্পানির ক্ষেত্রে ৩০ জুন। এই সময়সূচি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আইপিও আবেদন করতে হয়। কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ কোম্পানিই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারে না, ফলে তারা আইপিও সুযোগ থেকে পিছিয়ে পড়ে।

    আইপিওতে আসার জন্য সর্বশেষ অর্থবছরে মুনাফা থাকা এবং কোনো সঞ্চিত লোকসান না থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বর্তমান অর্থনৈতিক চাপে অনেক কোম্পানির পক্ষে এই শর্ত পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে সম্ভাব্য অনেক কোম্পানি আইপিও পরিকল্পনা থেকে সরে আসছে বা তা স্থগিত রাখছে।

    বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর জন্য শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক নয়। ফলে তারা এ বিষয়ে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না। অন্যদিকে সরকারি মালিকানাধীন বড় কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বোর্ড অনুমোদন, নীতিগত বিলম্ব এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে তা বাস্তবায়ন হয়নি।

    আগামী ৩০ জুনে যেসব কোম্পানির হিসাব বছর শেষ হবে, তাদের ওপরই এখন আইপিও বাজার অনেকটা নির্ভর করছে। এসব কোম্পানি সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর নাগাদ আবেদন করতে পারবে। তবে আবেদন জমার পর যাচাই-বাছাই, অনুমোদন এবং তালিকাভুক্তির পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দেড় থেকে দুই বছর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।

    নতুন বিধিমালায় স্টক এক্সচেঞ্জের সুপারিশ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা স্বচ্ছতা বাড়ালেও সময়সীমা আরও দীর্ঘ করেছে। ফলে চলতি বছর নতুন কোনো কোম্পানির তালিকাভুক্তি ও লেনদেন শুরুর সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ।

    বর্তমান পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া এই স্থবিরতা কাটানো সম্ভব নয়। আইপিও প্রক্রিয়া দ্রুততর করা, বিধিনিষেধ বাস্তবসম্মত করা এবং বড় কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনতে প্রণোদনা দেওয়া—এই তিনটি দিকেই এখন জোর দেওয়া জরুরি। অন্যথায়, ২০২৫ সালের মতো ২০২৬ সালও আইপিওশূন্য থেকে যেতে পারে, যা দেশের শেয়ার বাজারের ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী ও উদ্বেগজনক নজির হয়ে দাঁড়াবে। ●

    অকা/পুঁবা/ই/সকাল/৩০ মার্চ, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কর্পোরেট সুশাসন এবং মালিকানা দ্বন্দ্ব

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    কঠিন সংস্কার ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    ঋণ খেলাপ বিলম্বে দণ্ড সুদ কমালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে খুরশীদ আলম

    মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতার চাপে কোরবানির বাজারে মন্দার শঙ্কা

    কর্পোরেট সুশাসন এবং মালিকানা দ্বন্দ্ব

    পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে নতুন উদ্যোগ

    নন লাইফ বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান ও সিইওদের সঙ্গে বিআইএর সভা

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে ঐতিহাসিক ধস, বিনিয়োগে আস্থাহীনতা গভীরতর

    হাওড়ে ফসল ডুবি ও টেকসই স্থানীয় জাতের ধান চাষাবাদ

    ন্যূনতম কর ফেরতে আসতে পারে নতুন ব্যবস্থা

    ব্যাংক খাতে মূলধন সংকটের গভীরতা বাড়ছে

    কঠিন সংস্কার ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতির শঙ্কা

    নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছেন গ্রাহকরা

    নতুন নোট সংকটে চাপে ব্যাংকগুলো

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    ঋণ খেলাপ বিলম্বে দণ্ড সুদ কমালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    আস্থাহীনতায় চাপে শেয়ার বাজার

    নবম পে-স্কেলে বাড়তে পারে বেতন-ভাতা

    আমদানিনির্ভর বাজারে নিরব মন্দা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.