Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংকনির্ভর ঋণচাপ
    রেকর্ড ছুঁইছে সরকারের অভ্যন্তরীণ ধার

    এপ্রিল ১৯, ২০২৬ ১০:৪০ পূর্বাহ্ণUpdated:এপ্রিল ১৯, ২০২৬ ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    রাজস্ব আদায়ে ধারাবাহিক ঘাটতি, প্রত্যাশিত বৈদেশিক সহায়তা না পাওয়া এবং নির্বাচনসহ বিভিন্ন জরুরি ব্যয় মেটানোর চাপ—এই তিনটি কারণ একত্রে সরকারকে অভ্যন্তরীণ উৎসের ওপর আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি নির্ভরশীল করে তুলেছে। এর সরাসরি ফল হিসেবে দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের স্থিতি বেড়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৭১ কোটি টাকা। গত বছরের জানুয়ারিতে যেখানে এ ঋণের পরিমাণ ছিল ৯ লাখ ৪২ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা, সেখানে চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে তা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৯৪ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, ঋণের এই দ্রুত বৃদ্ধি সরকারের অর্থায়ন কাঠামোয় বড় ধরনের চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসেই (জুলাই-জানুয়ারি) অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ দাঁড়িয়েছে ৭২ হাজার ৬৪৭ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে নেওয়া ৪০ হাজার ১৪৪ কোটি টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এই প্রবণতা স্পষ্ট করে যে, সরকারের ব্যয় নির্বাহে অভ্যন্তরীণ ধার এখন প্রধান ভরসায় পরিণত হয়েছে।

    ঋণের উৎস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ব্যাংক খাতের ওপর নির্ভরতা অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নিয়েছে ৬৪ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা, যেখানে ব্যাংকবহির্ভূত উৎস—যেমন সঞ্চয়পত্র, বীমা ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান—থেকে এসেছে মাত্র ৭ হাজার ৭২৩ কোটি টাকা। অথচ আগের অর্থবছরের একই সময়ে চিত্র ছিল ভিন্ন; তখন ব্যাংকের চেয়ে বেশি ঋণ নেওয়া হয়েছিল ব্যাংকবহির্ভূত খাত থেকে। এই পরিবর্তন ইঙ্গিত দেয় যে, সরকার এখন দ্রুত নগদ প্রবাহের জন্য ব্যাংকিং খাতকেই বেশি ব্যবহার করছে।

    খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অনুষ্ঠিত নির্বাচন, নতুন ব্যাংকে বিনিয়োগ এবং প্রশাসনিক ব্যয় মেটাতে বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন হয়। কিন্তু রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী না হওয়ায় সেই ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ঋণের পথই প্রধান বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর ফলে ঋণের চাপ দ্রুত স্ফীত হয়েছে।

    বাংলাদেশের বাজেট কাঠামো দীর্ঘদিন ধরেই ঘাটতিনির্ভর। চলতি অর্থবছরের বাজেটে মোট ঘাটতি ধরা হয়েছে (অনুদানসহ) ২ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির প্রায় ৩.৫ শতাংশ। অনুদান বাদ দিলে এই ঘাটতি বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা বা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। এই ঘাটতি অর্থায়নের জন্য সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করলেও বাস্তবে সেই সীমা ইতোমধ্যেই অতিক্রম করেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মার্চের শেষ নাগাদ সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মোট ১ লাখ ৬ হাজার ৫১ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে—যা পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি বা কিছু ক্ষেত্রে তা ছাড়িয়ে গেছে, অথচ অর্থবছরের এখনো কয়েক মাস বাকি। এতে বোঝা যায়, ব্যয়ের চাপ অনুমানের চেয়েও বেশি ছিল।

    সামগ্রিক চিত্রে দেখা যায়, ব্যাংক খাত থেকে সরকারের পুঞ্জীভূত ঋণ ইতোমধ্যে ৬ লাখ ১০ হাজার ৯৫৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা মার্চ শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৫৬ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকায়। অন্যদিকে ব্যাংকবহির্ভূত খাতে এই ঋণের পরিমাণ ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট অভ্যন্তরীণ ঋণের বড় অংশ এখন ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।

    এদিকে বৈদেশিক ঋণের দিক থেকেও চাপ কম নয়। গত জুন পর্যন্ত সরকারের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ৯ লাখ ৪৯ হাজার ১১ কোটি টাকা। আর ডিসেম্বর শেষে তা ডলারে হিসাব করলে দাঁড়িয়েছে ১১৩ দশমিক ৫১ বিলিয়ন, যা টাকায় প্রায় ১৩ লাখ ৯২ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকার সমান (প্রতি ডলার ১২২.৭০ টাকা হিসেবে)।

    সার্বিকভাবে বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয়, সরকারের অর্থায়ন কাঠামো ক্রমেই অভ্যন্তরীণ ঋণ—বিশেষ করে ব্যাংকনির্ভর ঋণের দিকে ঝুঁকছে। এই প্রবণতা স্বল্পমেয়াদে বাজেট ঘাটতি মেটাতে সহায়ক হলেও দীর্ঘমেয়াদে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হওয়া, সুদের হার বৃদ্ধির চাপ এবং আর্থিক স্থিতিশীলতায় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ফলে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, ব্যয় দক্ষতা নিশ্চিত করা এবং বৈদেশিক অর্থায়নের ভারসাম্য পুনর্গঠন এখন সময়ের সবচেয়ে বড় নীতিগত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 months আগে

    ঋণ বৈদেশিক সহায়তা রাজস্ব সরকার

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.