Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ১৬ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    শেয়ারবাজারে চলছে নীরব রক্তক্ষরণ

    আগস্ট ২২, ২০২৩ ৪:৫৩ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    শেয়ারবাজারে চলছে নীরব ‘রক্তক্ষরণ’। একদিকে ফ্লোর প্রাইসের (নিম্ন সীমা) কারণে পুঁজি আটকে থাকায় মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের সুদ বাড়ছে, অপরদিকে অল্প লেনদেনের মধ্যে শক্ত মৌলভিত্তির বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম কমছে। দিন দিন উধাও হয়ে যাচ্ছে বিনিয়োগকারীদের পুঁজি।

    আসছে না নতুন বিনিয়োগ। ফলে তারল্য সংকট ভয়াবহ। বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ শেয়ার বিক্রি করে অপেক্ষা করছে। তবে মন্দার মধ্যেও কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শেয়ারবাজার পরিস্থিতি ভয়াবহ। কিন্তু জাতীয় নির্বাচন, জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুর কারণে শেয়ারবাজার পরিস্থিতি সামনে আসছে না। সরকারের কাছেও বাজারের গুরুত্ব হারিয়েছে।

    সরকারের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে যাদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই, তাদের কাছে শেয়ারবাজার বিরক্তির বিষয়। তাদের ভাবনা এ রকম, শেয়ারবাজার না থাকলে দেশের কোনো সমস্যা হবে না। এসব কারণেই ফ্লোর প্রাইস দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত বাজার আটকে রাখতে চাইছে সরকার। নির্বাচনের পর বাজার নিয়ে চিন্তা করবে। অন্যদিকে বিদেশে ডলার চলে যাবে এই আশঙ্কায় বহুজাতিক কোম্পানির লভ্যাংশ বিতরণ বন্ধ রয়েছে। তবে এর আগে সরকারের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সময়ে বেশ কিছু প্রণোদনা বাজারে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর কোনো কিছু দীর্ঘমেয়াদে কাজে আসেনি।

    বর্তমানে অলিখিতভাবেই চিহ্নিত কয়েকটি সিন্ডিকেট বাজার উঠানো-নামানোর দায়িত্ব পালন করছে। তারা নিজেদের বাজারের মালিক মনে করেন। অর্থনীতিবিদ ও বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, মোটা দাগে বাজারে দুটি সংকট। চাহিদার দিক থেকে সংকট হলো-এই বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নেই। সরবরাহের দিক থেকে সংকট হলো ভালো কোম্পানির সংখ্যা কম। ফলে কারসাজি ও সিন্ডিকেটের জয়জয়কার অবস্থা। সবকিছু মিলে বর্তমানে দুর্বল অস্তিত্বে টিকে আছে শেয়ারবাজার। আর ক্রমেই অবস্থা আরও দুর্বল হচ্ছে। এখানে উত্তরণ একেবারেই কঠিন।

    জানতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, শেয়ারবাজারে দীর্ঘদিন থেকে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংকট চলছে। এর সঙ্গে অর্থনৈতিক বিভিন্ন সংকট, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং নির্বাচন ও জাতীয় রাজনীতিসহ সবকিছু যোগ হয়েছে।

    ফলে সবার আগে আস্থা সংকট দূর করতে পদক্ষেপ নিতে হবে। এক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আস্থা নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ কারসাজির মাধ্যমে কেউ তার টাকা হাতিয়ে নিলে বিচার হবে-এই মর্মে বিনিয়োগকারীদের নিশ্চয়তা দিতে হবে। পাশাপাশি ভালো শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে হবে। এই দুই পদক্ষেপের মাধ্যমে বাজারের সমস্যা দূর করা সম্ভব। তবে এটি খুব সহজ নয়।

    প্রসঙ্গত ফ্লোর প্রাইস হলো শেয়ার দাম কমার নিম্নসীমা। করোনার সময় অস্থিরতা ঠেকাতে নতুন নিয়ম চালু করেছে বিএসইসি। এর নাম শেয়ারের ‘ফ্লোর প্রাইস’। এক্ষেত্রে কোনো শেয়ারের দামের ভিত্তি হবে আগের ৫ দিনের সর্বশেষ লেনদেনের (ক্লোজিং প্রাইস) গড় দর। কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম ফ্লোর প্রাইসের নিচে নামতে পারবে না।

    কিন্তু দাম ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারবে। এরপর ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হলেও ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের কারণে দরপতন ঠেকাতে গত বছরের ২৮ জুলাই পুঁজিবাজার দ্বিতীয়বারের মতো ফ্লোর প্রাইস দেয় বিএসইসি। এখনো সেটি বহাল আছে। এর ফলে বর্তমানে ২ শতাধিক কোম্পানির লেনদেন আটকে আছে। এতে যারা ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করেছেন, তারা সবচেয়ে বেশি বিপদে। শেয়ারবাজারের নিয়মিত ন্যূনতম খবর যারা রাখে, তাদের কাউকে যদি প্রশ্ন করা হয় এখানে সবচেয়ে বড় সমস্যা কী। এদের সবাই বলবে, ফ্লোর প্রাইস দিয়ে কৃত্রিমভাবে লেনদেন আটকে রাখা।

    বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্যসূচক ৬ হাজার ৩শ পয়েন্টে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বিভিন্ন সংস্থা থেকে সরকারের উচ্চমহল থেকে জানানো হয়েছে, ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হলে সূচক ৪ হাজার পয়েন্টে নেমে আসবে। এতে বিনিয়োগকারীরা পথে যাবে। বেশকিছু লোক আত্মহত্যা করতে পারে এমন আশঙ্কা রয়েছে। কারণ এর আগে শেয়ারবাজারে আত্মহত্যার নজির রয়েছে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে বিরোধী দলগুলো আন্দোলনের নতুন ইস্যু পাবে।

    ফলে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া ঠিক হবে না। এসব কারণে আগামী নির্বাচনের আগে বাজারের ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে বাজার ব্যবস্থাপকদের বড় অংশই ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার পক্ষে নয়। তারা কৃত্রিম সাপোর্টের পরিবর্তে বাজার স্বাভাবিকভাবে চলতে দিতে চায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০১০ সালের সঙ্গে বর্তমান বাজারের বেশ কয়েকটি জায়গার মিল রয়েছে। সে সময় বাজারে মার্জিন ঋণ ছিল সীমাহীন। ভালো কোম্পানির সংখ্যা ছিল কম।

    কোম্পানির মৌলভিত্তি নয়, বিনিয়োগ ছিল গুজবনির্ভর। সূচকের অস্বাভাবিক ওঠানামা ছিল। দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছিল। অর্থনীতির অন্যান্য সূচকের সঙ্গে পুঁজিবাজারের উত্থানের মিল ছিল না। বর্তমানে এর সবই বাজারে রয়েছে। উলটো করোনা, বিশ্বপরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক নেতিবাচক অবস্থায় বর্তমানে বেশ কিছু কোম্পানির আর্থিক অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত আশঙ্কার।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে চাহিদার দিক থেকে সমস্যা হলো এ খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা নেই। আর সরবরাহের দিক থেকে সমস্যা হলো ভালো কোম্পানির সংখ্যা খুবই কম। তাদের মতে, শেয়ারবাজারের উন্নয়নের জন্য সামগ্রিকভাবে আর্থিক খাতের সংস্কার দরকার। কারণ একটি কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসে মূলত দুই কারণে। প্রথমত, কোম্পানির সম্প্রসারণে দীর্ঘমেয়াদি পুঁজির জন্য, দ্বিতীয়ত, অন্যদের তুলনায় তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর তুলনামূলকভাবে কম।

    কিন্তু যে দেশে ব্যাংক থেকে টাকা নিলে ফেরত না দিয়ে পার পাওয়া যায়, সেখানে শেয়ারবাজারে পুঁজির জন্য কোম্পানিগুলো আসতে আগ্রহী হবে না। দ্বিতীয়ত, যেসব কোম্পানিকে কর ছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে, বর্তমানে ওই কোম্পানি করই দেয় না। আর কর দিলেও দিলে বিভিন্নভাবে ফাঁকি দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে। ফলে শেয়ারবাজার টেকসই করার জন্য সবার আগে ব্যাংকিং খাত ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংস্কার দরকার। এরপর শেয়ারবাজারে নির্মোহভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অর্থনীতিবিদ ও শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদ মনে করেন, শেয়ারবাজার অত্যন্ত স্পর্শকাতর।

    ফলে প্রণোদনার পরিবর্তে এখানে আইন-কানুন সংস্কার জরুরি। না হলে বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারিয়ে ফেলে। এ অবস্থার উত্তরণে কৃত্রিমভাবে সূচক না বাড়িয়ে বাজারকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া উচিত।

    গত দশ বছরে শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতায় উপর্যুপরি প্রণোদনা এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, অর্থ মন্ত্রণালয়, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এনবিআর থেকে বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কোনোটি স্বল্প, কোনোটি মধ্য আবার কোনোটি দীর্ঘমেয়াদি।

    বিভিন্ন কর ছাড়, অবাধে কালো বিনিয়োগের সুযোগ এবং তারল্য সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু এসব প্রণোদনার পরও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরেনি। সাময়িকভাবে নির্দিষ্ট কিছু চক্র সুবিধা পেলেও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হয়নি বাজার। সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ ক্রয়মূল্যে হিসাব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে এটি বাজারমূল্যে হিসাব করা হতো। এক্ষেত্রে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এটি বাজার সংশ্লিষ্টদের দাবি ছিল। এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির বন্ডে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগকে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ সীমার বাইরে রাখা হয়েছে। বাজারের জন্য এটি অনেক বড় প্রণোদনা। তবে কোনো কোনো বন্ডে চাপ দিয়ে ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগ করতে বাধ্য করা হয়। এতে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে ব্যাংকারদের মধ্যে।

    এছাড়া দশ বছরে ৬ বার কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২০২০-২১ অর্থবছরে বিনাপ্রশ্নে দেশে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়। একজন বিনিয়োগকারী মাত্র ১০ শতাংশ কর দিয়েই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ পায়। এক্ষেত্রে সরকারের অন্য কোনো সংস্থাও টাকার উৎস নিয়ে কোনো ধরনের প্রশ্ন করবে না বলে ধারায় উল্লেখ করা হয়। বাজারে এর ইতিবাচক কোনো প্রভাব পড়েনি।

    বাজারে তারল্য বাড়াতে গত বছরে ৬০টি নতুন ট্রেক (ব্রোকারেজ হাউজ) অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রতিটি হাউজ থেকে ৫ কোটি টাকা বাজারে এলেও ৩০০ কোটি টাকা তারল্য বৃদ্ধির কথা। কিন্তু দু-একটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অধিকাংশ লেনদেন শুরুই করতে পারেনি। ফলে যে উদ্দেশ্যে ট্রেকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, তা সফল হয়নি। এছাড়া ২০১৮ সালে ডিএসইর ২৫ শতাংশ শেয়ার চীনের শেনঝেন ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে বিক্রি করা হয়।

    ওই সময়ে স্টক এক্সচেঞ্জের কারিগরি সহায়তায় ৩০৭ কোটি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। এছাড়া বাজার সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা ছিল সময়ে চীনের বড় কিছু বিনিয়োগ আসবে। কিন্তু বাস্তবে এখন পর্যন্ত সে ধরনের কিছু ঘটেনি। অন্যদিকে বর্তমানে বহুজাতিক ও জয়েনভেঞ্চার মিলে ১৩টি কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিবকাভুক্ত।

    দু-একটি ছাড়া বাকিগুলো শক্ত মৌলভিত্তির। এসব কোম্পানির বেশিরভাগ শেয়ার উদ্যোক্তাদের কাছে। কোম্পানিগুলোর প্রতিবছর অনেক বেশি নগদ লভ্যাংশ দেয়। আর উদ্যোক্তারা যে লভ্যাংশ পায়, তা মার্কিন ডলারে রূপান্তর করে নিজ দেশে নিয়ে যায়। কিন্তু বাংলাদেশে ডলার সংকট চলছে। ফলে এসব কোম্পানির লভ্যাংশ বন্ধ রাখার জন্য অলিখিত নির্দেশনা রয়েছে। সামগ্রিকভাবে বাজারেও প্রভাব পড়ছে।

    মন্দার মধ্যেও বাজারে দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বাড়ছে। এর মধ্যে ফাইন ফুড, এমারেল্ড ওয়েল, সোনালি আঁশ, রহিমা ফুড, জেমিনী সিফুড, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, খান ব্রাদার পিপি ওভেন, সোনালী পেপার, ফুয়াং ফুড, সীপার্ল রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা, আরডি ফুড, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার এবং ইয়াকিন পলিমার অন্যতম। এর মধ্যে কোনো কোনো কোম্পানির শেয়ার এক বছরে সাতগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। যা একেবারেই অস্বাভাবিক।

    অকা/পুঁবা/ সকাল, ২৩ আগস্ট, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    শেয়ারবাজারে চলছে নীরব রক্তক্ষরণ.

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    আস্থা সংকটে পুঁজি বাজার – সংস্কার ছাড়া স্থিতিশীলতা অনিশ্চিত

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    স্থবির শেয়ার বাজারে তলানিতে সরকারি রাজস্ব

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের পথে অগ্রগতি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ঈদের আগেই ছয় প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন শুরু
    এনবিএফআই খাতে অবসায়নের পথে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    মার্কিন রায়ে শুল্ক-ঝুঁকি কমার ইঙ্গিত, তবে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে

    অতিমূল্যায়িত অবকাঠামো ও ঋণঝুঁকির সতর্কবার্তা

    ইউরোপে মূল্যচাপে বাংলাদেশের পোশাক খাত

    এডিপিতে নজিরবিহীন ধীরগতি

    এক দিনের মধ্যেই জেনিথ ইসলামী লাইফের মৃত্যুদাবীর চেক পরিশোধ

    এলপি গ্যাসে ভ্যাট কমলো – দামে স্বস্তির ইঙ্গিত

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.