Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মন্দ ঋণ

    নভেম্বর ২৫, ২০২৩ ৬:৫৫ পূর্বাহ্ণUpdated:নভেম্বর ২৫, ২০২৩ ৬:৫৫ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ যেমন বাড়ছে, তেমনি এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আদায় অযোগ্য কুঋণ বা মন্দ ঋণ। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে মন্দ ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা। যা মোট খেলাপির ৮৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। বাকি মাত্র ১২ দশমিক ২৬ শতাংশ অন্যান্য শ্রেণির খেলাপি ঋণ। এর মধ্যে নিম্নমান বা নতুন করে খেলাপি হয়েছে-এমন ঋণ ৭ শতাংশ ও এক বছরের কম সময় ধরে খেলাপি-এমন ঋণ ৫ শতাংশ। অর্থাৎ খেলাপি ঋণের সিংহভাগই আদায় অযোগ্য মন্দা ঋণ। ওইসব ঋণ আদায় না হওয়ার রীতিমতো ন্যুব্জ হয়ে পড়েছে পুরো ব্যাংক খাত। এর দায় এসে পড়ছে আমানতকারী, ঋণগ্রহীতা ও শেয়ারহোল্ডারদের ওপর।

    ব্যাংকিং পরিভাষায় এসব ঋণ আদায় হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে এর বিপরীতে শতভাগ প্রভিশন জমা রাখতে হয়। ফলে যে পরিমাণ ঋণ মন্দ হিসাবে শ্রেণিকৃত হবে, ওই পরিমাণ প্রভিশন রাখতে হবে ব্যাংকগুলোকে। এতে মন্দ ঋণের বিপরীতে দ্বিগুণ অর্থ আটকে থাকে। মন্দ ঋণ হিসাবে আটকে আছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা। এর বিপরীতে প্রভিশন হিসাবে আটকে রয়েছে সমপরিমাণ অর্থ। এ দুটি মিলে মোট ২ লাখ ৭২ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা আটকে রয়েছে। এর মধ্যে ঋণ বাবদ আটকে থাকা অর্থ আমানতকারীদের। এর বিপরীতে আমানতকারীদের নিয়মিত মুনাফা দিতে হচ্ছে। প্রভিশন বাবদ আটকে অর্থ ব্যাংকের মুনাফা থেকে জোগান দেওয়া হয়েছে। এগুলোর ওপর ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের দাবি রয়েছে। প্রভিশন খাতে এসব অর্থ আটকে না থাকলে শেয়ারহোল্ডাররা বাড়তি ভল্যাংশ পেতেন। কিন্তু মন্দ ঋণের কবলে পড়ে তাদের লভ্যাংশ কমেছে।

    মন্দ ঋণের বিপরীতে আটকে থাকা পৌনে ৩ লাখ কোটি টাকার বিপরীতে কোনো আয় হচ্ছে না ব্যাংকের। উলটো আমানতকারীদের মুনাফা দেওয়া, ঋণের ব্যবস্থাপনা, বন্ধকী সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণে ব্যাংকের বাড়তি অর্থ খরচ হচ্ছে। বেশিরভাগ মন্দ ঋণের বিপরীতে মামলা করা রয়েছে। ওইসব মামলা পরিচালনায়ও অর্থ খরচ হচ্ছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ৬৫ হাজার ৩২১ কোটি টাকার ঋণ অবলোপন (অর্থাৎ ব্যাংকের চলমান হিসাব থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে) করা হয়েছে। এগুলো সবই মন্দ ঋণ হিসাবে শ্রেণিকৃত ছিল। আদায় করতে না পারায় এগুলো মন্দের তালিকায় এসেছে। পরে সেগুলো অবলোপন করা হয়েছে। এসব ঋণের বিপরীতেও শতভাগ প্রভিশন রয়েছে। ফলে এ খাতেও আটকে রয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা। এ খাতেও মন্দ ঋণের মতো অর্থ খরচ হচ্ছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী খেলাপির বিরুদ্ধে মামলা করে ঋণ অবলোপন করতে হয়। এর বিপরীতে অর্থ খরচ হচ্ছে। চলমান মন্দ ঋণ ও অবলোপন মিলে আটকে রয়েছে ৪ লাখ ৩ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা।

    খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কিস্তি পরিশোধ না হলে এর ৬ থেকে ৯ মাস পর ঋণটি নিম্নমানের খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা হবে। ৯ মাস থেকে ১ বছর পর সন্দেহজনক হিসাবে ও ১ বছর ৩ মাস থেকে দেড় বছরের মধ্যে কিস্তি পরিশোধিত না হলে তা মন্দ বা আদায় অযোগ্য ঋণ হিসাবে চিহ্নিত হবে। অর্থাৎ কোনো ঋণ ১ বছর ৩ মাস থেকে দেড় বছর আদায় না হলে তা নিম্নমান হিসাবে চিহ্নিত হয়। ওই সময় ধরে আদায় হয় না-এমন ঋণই এখন ব্যাংক খাতে মোট খেলাপির প্রায় ৮৮ শতাংশ। নতুন খেলাপি মাত্র ৭ শতাংশ। সন্দেহজনক মাত্র ৫ শতাংশ। অর্থাৎ ঋণ খেলাপি হলে তা বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে মন্দের খাতায় নাম লেখায়। এভাবে আদায় অযোগ্য ঋণ বেড়েই চলেছে।

    ২০১৯ সালে ব্যাংক খাতে আদায় অযোগ্য ঋণ ছিল ৮১ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা। যা ওই সময়ে মোট খেলাপির ৮৫ দশমিক ৯০ শতাংশ। ২০২০ সালে তা সামান্য কমে ৭৬ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা হয়। তবে শতকরা হিসাবে এ ঋণ বেড়ে যায়। ওই সময়ে মোট খেলাপির ৮৬ দশমিক ৯০ শতাংশ ছিল মন্দ ঋণ। যা আগের চেয়ে ১ শতাংশ বেশি।

    ২০২১ সালে এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৯১ হাজার ৬০ কোটি টাকা। যা মোট খেলাপির ৮৮ দশমিক ১৭ শতাংশ। ২০২২ সালে মন্দ ঋণের পরিমাণ প্রথম বারের মতো লাখ কোটি টাকা অতিক্রম করে। ওই বছরে মন্দ ঋণ বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৬ হাজার ৯৮২ কোটি টাকায়। যা ছিল মোট খেলাপির ৮৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এরপর থেকে মন্দ ঋণের বোঝা আর কমছে না, বেড়েই চলেছে।

    ২০১৯ সালে খেলাপি ঋণ প্রথম লাখ কোটি টাকা অতিক্রম করে। এরপর আবার কমে লাখের নীচে নামে। কিন্তু ২০২১ সালের ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণ আবার লাখ কোটি টাকা অতিক্রম করে। এরপর আর কমছে না, বেড়েই চলেছে।

    প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, মন্দ ঋণ সরকারি ব্যাংকগুলোতেই সবচেয়ে বেশি। চারটি সরকারি ব্যাংকে এ ঋণ বেড়ে সেপ্টেম্বরে দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজার ১২৫ কোটি টাকা। যা মোট খেলাপির ৪০ শতাংশ। এর মধ্যে একটি সরকারি ব্যাংকে ১৬ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা, অপর আরও একটি সরকারি ব্যাংকে ১৫ হাজার ৭২ কোটি টাকা ও আরেকটি সরকারি ব্যাংকে ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

    বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে মন্দ ঋণ ৬৭ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা। যা মোট ঋণের ৪৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ। বিদেশি ব্যাংকে ২ হাজার ৭১২ কোটি টাকা। যা মোট খেলাপির ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। বিশেষায়িত ব্যাংকে ৪ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। যা মোট খেলাপির ২ দশমিক ৬২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগে নিম্নমান ও সন্দেহজনক ঋণ থাকত মোট খেলাপির ১০ থেকে ১৯ শতাংশ। সন্দেহজনক থাকত মোট খেলাপির ৮ থেকে ১৪ শতাংশ। মন্দ ঋণ থাকত ৭০ থেকে ৭৮ শতাংশ। এখন মন্দ ঋণ বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৮৮ শতাংশ। নতুন ঋণ ৫ থেকে ৭ শতাংশ ও সন্দেহজনক ঋণ ৪ থেকে ৬ শতাংশ। মন্দ ঋণ ২০১৫ সালে প্রথম ৮০ শতাংশ অতিক্রম করেছে। এরপর থেকে আর নামছে না। বেড়েই চলেছে।

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল/২৫ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মন্দ ঋণ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.